ফের কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল থেকে চুরি ২৬টি দামী ইঞ্জেকশন

84
ফের কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল থেকে চুরি ২৬টি দামী ইঞ্জেকশন
ফের কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল থেকে চুরি ২৬টি দামী ইঞ্জেকশন
Simple Custom Content Adder

ফের কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল থেকে; চুরি ২৬টি দামী ইঞ্জেকশন। টসিলিজুমাব ইঞ্জেকশন কাণ্ডের পর; ফের কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল থেকে চুরির অভিযোগ। এবার অভিযোগ, ২৬টি দামী ইঞ্জেকশন চুরি হয়ে গেছে। কাকতালীয়ভাবে আগেরবারও টসিলিজুমাব ইঞ্জেকশনও; ২৬টিই চুরি হয়েছিল। অর্থাৎ বারবার কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে চুরি হচ্ছে; ২৬টি করে দামী ইঞ্জেকশন। ইঞ্জেকশন চুরির অভিযোগ উঠতেই; বউবাজার থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

ফের সেই মেডিক্যালে ইঞ্জেকশন চুরি! করোনা মহামারী চলাকালীন, গত বছরের জুনে; কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল থেকেই চুরি হয়েছিল করোনা চিকিত্‍সায় ব্যবহৃত ২৬টি টসিলিজুমাব ইঞ্জেকশন। প্রায় ১০ লক্ষ টাকা দামের ২৬টি টসিলিজুমাব ইঞ্জেকশন; বেআইনিভাবে হাতানোর অভিযোগ উঠেছিল। অভিযোগের তির ছিল; হাসপাতালের এক চিকিৎসকের দিকে। ওই চিকিৎসক আবার শাসক দলের এক নেতার ঘনিষ্ট বলে পরিচিত। প্রভাব খাটিয়ে কর্তব্যরত এক নার্সের কাছ থেকে; ওই ইঞ্জেকশন হাতানোর অভিযোগ উঠেছিল ওই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে।

এবার সেই মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল থেকেই; ২৬টি ‘ফ্যাক্টর এইট’ নামে দামী ইঞ্জেকশন চুরির অভিযোগ উঠেছে। এই ইঞ্জেকশন রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে; ও অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ বন্ধ করে। ইঞ্জেকশন উধাও দেখে; হাসপাতলের সার্জারি বিভাগের সিস্টার ইনচার্জ অভিযোগ জানান হাসপাতাল সুপারের কাছে।

সূত্রের দাবি, ২৬টি ইঞ্জেকশনের দাম; প্রায় ১ লক্ষ টাকা। ঘটনায় হাসপাতালের ১ চুক্তিভিত্তিক কর্মীর দিকে; অভিযোগের আঙুল উঠেছে। ইঞ্জেকশন চুরির তদন্তে নেমেছে; বউবাজার থানার পুলিশ।

কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সুপার জানিয়েছেন; চুরির বিষয়টি জানার পর বৃহস্পতিবার বউবাজার থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ তদন্ত করছে। টসিলিজুমাব কাণ্ডে হাসপাতাল ও স্বাস্থ্য দফতরের তদন্তের পর; অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় এক চিকিত্‍সক, নার্সিং ইনচার্জ ও এক নার্সকে কোচবিহারে বদলি করা হয়। এবার নতুন করে ইঞ্জিকশন চুরির অভিযোগে শুরু হয়েছে; পুলিশি তদন্ত।

কর্তৃপক্ষের নাকের ডগা দিয়ে, এত ইঞ্জেকশন যাচ্ছে কথায়? সেবার চুরির ঘটনা খতিয়ে দেখতে; তড়িঘড়ি উচ্চপর্যায়ের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। পাশাপাশি ঘটনাটি নিয়ে; খোঁজখবরের আশ্বাস দিয়েছিলেন স্বাস্থ্য কর্তারাও। তবে ৩জনকে ট্রান্সফার করা ছাড়া; আর কিছুই এগোয়নি। এবারও কি ১জন চুক্তিভিত্তিক কর্মীকে সাসপেন্ড করেই; দায় সারবে রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর? উঠে গেছে প্রশ্ন।

Comments

comments

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন