শেষ ফেলুদার গোয়েন্দাগিরি, না ফেরার দেশে অপু

1621
শেষ ফেলুদার গোয়েন্দাগিরি, না ফেরার দেশে অপু
শেষ ফেলুদার গোয়েন্দাগিরি, না ফেরার দেশে অপু

শেষ ফেলুদার গোয়েন্দাগিরি; না ফেরার দেশে অপু। ভরসা ছিল মিরাক্যাল; যা ঘটল না। মাল্টিঅর্গান ফেলিওরে কালীপুজোর সন্ধ্যায়; সাড়া দেওয়া বন্ধ করেছিলেন সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়। মাল্টিঅর্গান ফেলিওর; চিকিৎসকদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গিয়েছিলেন; বাংলার অন্যতম সেরা অভিনেতা। আশা ক্ষীণ হচ্ছিল ক্রমশই। শনিবার সকাল থেকে, বিকেলের মধ্যে; অবস্থার আরও অনেকটাই অবনতি হয়েছিল। চিকিৎসকদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গিয়েছিল; সৌমিত্রর অবস্থা। ইতিমধ্যে পরিবারকেও জানানো হয়েছিল সেই কথা। চিকিৎসকরা বলেছিলেন; চিকিৎসায় সাড়া দিচ্ছেন না। পরিস্থিতি ছিল চিকিৎসকদের হাতের বাইরে। চিকিৎসকরাও ‘মিরাকল’-এর কথাই বলছিলেন। কিন্তু সব আশা ব্যর্থ করে চলে গেলেন; বাংলার সর্বকালের অন্যতম সেরা অভিনেতা; সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়।

আরও পড়ুনঃ দীপাবলির আগের রাতেই আলো নিভে গিয়েছে, ভাইফোঁটার আগে ফিরছে শ’হিদ সুবোধ ঘোষ

মাল্টিঅর্গান ফেইলিওর হয়েই; চলে গেলেন সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়। ১২ টা বেজে ১৫ মিনিটে; বেলভিউ হাসপাতাল থেকে জানিয়ে দেওয়া হল; চলে গেলেন বাংলার সর্বকালের অন্যতম সেরা অভিনেতা। করোনা আক্রান্ত হওয়ার পরেই; তাঁর স্নায়ুতন্ত্রে বড় আঘাত আসে। সেটাই কারণ হয়ে দাঁড়াল। অভিনয় জগতের পাশাপাশি; গোটা বাংলায় শোকের ছায়া। দীর্ঘ ৬ দশকের অভিনয় জীবনের; সমাপ্তি হল।

আরও পড়ুনঃ ১৯ শে নভেম্বর মেগা শো ঘোষণা শুভেন্দু অধিকারীর, কি জানাবেন তিনি অধীর আগ্রহে বাংলা

করোনা আক্রান্ত হবার পরেও; টানা ৪০ দিনের বেশি লড়াই করে শেষ পর্যন্ত হার মানলেন অপরাজিত। জীবনের শেষ লড়াইটা জিততে পারলেন না ক্ষীদদা। বয়স হয়েছিল ৮৫ বছর। বেলভিউ হাসপাতালে গেছেন; মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায়, গান স্যালুটের সঙ্গে; তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে; জানান হয়েছে রাজ্য প্রশাসনের তরফ থেকে। তাঁর মৃত্যুতে বাংলার ফিল্ম জগতের একটা যুগের শেষ হল; বলছেন ফিল্ম অনুরাগী ও চলচ্চিত্র জগতের সঙ্গে জড়িত মানুষরা। সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় স্থান করে নিয়েছেন; বাংলার মানুষের হৃদয়ে।

Please follow and like us:
error

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন