এক সময়ের অখণ্ড ভারতের অংশ আফগানিস্তানে, আর কোন হিন্দু শিখ থাকতে পারবে না

6352
এক সময়ের অখণ্ড ভারতের অংশ আফগানিস্তানে, আর কোন হিন্দু শিখ থাকতে পারবে না
এক সময়ের অখণ্ড ভারতের অংশ আফগানিস্তানে, আর কোন হিন্দু শিখ থাকতে পারবে না

এক সময়ের অখণ্ড ভারতের অংশ আফগানিস্তানে; আর কোন হিন্দু শিখ থাকতে পারবে না। তার একটাই কারণ; আতঙ্কের নাম তালিবান। আমেরিকার সেনা প্রত্যাহারের পর থেকেই; আফগানিস্তানের ভয়াবহ পরিস্থিতি হয়ে উঠেছে। পিছু হটছে আফগান সেনা; একের পর এক এলাকা দখল করে নিচ্ছে তালিবান জ’ঙ্গিরা। আর এই পরিস্থিতিতে বাঁচার তাগিদে, আফগানিস্থানের সংখ্যালঘু হিন্দু ও শিখরা; আন্তর্জাতিক মহলের কাছে সময় থাকতে তাঁদের উদ্ধার করার আর্জি জানিয়েছে। এমনিতেই আফগানিস্তানে বছরের পর বছর ধরে একেবারেই কমে এসেছে; হিন্দু ও শিখরা। এবার সেটা শুন্য হয়ে যাবে; এমনটাই মনে করছে আন্তর্জাতিক মহল।

কাবুলের গুরুদ্বারের করতা পরবানের অধ্যক্ষ গুরনাম সিং বলেছেন; “তালিবানিরা দেশের বহু এলাকা দখল করে নিয়েছে; বর্তমানে ১৫০ শিখ আর হিন্দু, এখানেই সুরক্ষিত আছে। কিন্তু বলতে পারব না; কতক্ষণ সুরক্ষিত থাকতে পারব”। গুরনাম আরও জানান; “আমরা সবাই তুমুল আতঙ্কের মধ্যে; দিন কাটাচ্ছি। যে কোনদিন এখানে; তালিবান হামলা হতে পারে”। আফগানিস্তানে আমেরিকার আর ন্যাটোর সেনা প্রত্যাহারের প্রক্রিয়া; একদম শেষ পর্যায়ে। যুদ্ধগ্রস্ত দেশে আরও একবার; অরাজকতা ও হিংসা বেড়েই চলেছে।

আরও পড়ুনঃ কোরবানিতে সামিল বিদ্যার দেশ জুড়ে প্রশংসা, কালীপুজো উদ্বোধনে থাকা সাকিবকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হয়

গুরনাম বলেছেন, “কাবুলের পাঁচটির মধ্যে; চারটি গুরুদ্বার বন্ধ হয়েছে। শ্রী গুরু গ্রন্থ সাহিবের প্রকাশ গুরুদ্বার; করতা পরবনেই করা হচ্ছে। এখানের হিন্দু ও শিখরা, ভারতে যেতে চাইছে না; কারণ তাঁদের কাছে কোনও আর্থিক সুরক্ষা নেই। আর এরই মধ্যে মনমীত সিং ভুল্লর ফাউন্ডেশন; খালসা এইড কানাডা আর কানাডার বিশ্ব শিখ সংগঠন(WSO); কানাডা সরকারের কাছে আফগানিস্তানে বসবাসকারী আর্থিক দিক থেকে কমজোর শিখ-হিন্দু সংখ্যালঘুদের জন্য; একটি বিশেষ অভিযান চালানোর আবেদন জানিয়েছে।

WSO-র আইনজীবী বলপরীত সিং বোপারাই বলেছেন; “আমরা তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগে রয়েছি, যারা কানাডা সরকারের কাছে আফগানিস্তানে বসবাসকারী; আর্থিক দিক থেকে দুর্বল সংখ্যালঘুদের, সুরক্ষা দেওয়ার জন্য দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বলছে। এর মধ্যে শিখ আর হিন্দু সংখ্যালঘুরা আছে; যারা দীর্ঘদিন ধরে আফগানিস্তানে জ’ঙ্গিদের নিশানা হয়ে আসছে। গুরুদ্বার আর মন্দিরে হামলার কারণে; এর আগেও বহু বাচ্চা আর বয়স্কের মৃত্যু হয়েছে। আগামী দিনে আরও মৃত্যুর; যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে”।

Please follow and like us:
error

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন