সহকর্মীর হ’ত্যাকারী ঘুরছে প্রকাশ্যে, মাথায় মামলা থাকলেও হাতে হাত’কড়া পরে অসহায় বাংলার পুলিশ

7945
সহকর্মীর হ'ত্যাকারী ঘুরছে প্রকাশ্যে, মাথায় মামলা থাকলেও হাতে হাত'কড়া বাংলার পুলিশের
সহকর্মীর হ'ত্যাকারী ঘুরছে প্রকাশ্যে, মাথায় মামলা থাকলেও হাতে হাত'কড়া বাংলার পুলিশের

সহকর্মীর হ’ত্যাকারী ঘুরছে প্রকাশ্যে, মাথায় মামলা থাকলেও; হাতে হাত’কড়া পরে দেখা ছাড়া অসহায় বাংলার পুলিশের কিছু করার নেই। রাষ্ট্রদ্রো’হীতার মামলা রয়েছে যার বিরুদ্ধে; তাকে গ্রেফতার করা গেল না কেন? পুলিশ অফিসার অমিতাভ মালিক-কে হ’ত্যা করার‌ অভিযোগ; রয়েছে তার বিরুদ্ধে। তবু সে বহাল তবিয়তে; ঘুরে বেড়াচ্ছে কলকাতার রাস্তায়। কি দশা পুলিশের! অমিতাভ মালিক নিয়ে করা কলকাতা পুলিশের পুরনো পোস্টেই; পুলিশের শিরদাঁড়াহীনতার কথা লিখেছেন মানুষ। বিমল গুরুং কাণ্ডে; বাংলার পুলিশের মান সম্মান মর্যাদা সব শেষ; বলছেন আমজনতা। সহকর্মীর খু’নিকে; সামনে পেয়েও কিস্যু করতে পারছেন না পুলিশ কর্মী অফিসাররা।

গোর্খা জনমুক্তি নেতা, বিমল গুরুং তিন বছর গা ঢাকা দিয়ে থাকার পর; পুজোর মুখে কলকাতায় এল প্রকাশ্যে। একাধিক মামলা তার ওপর থাকলেও; কেউ গ্রেপ্তার করেনি। গুরুং-কে হাতকড়া পরানো তো দূর; নিজেরাই হাতকড়া পরে বসে রইল কলকাতা পুলিশ ও সিআইডি। পুলিশ মহলের কাছে এটা অত্যন্ত লজ্জার; বলছেন অধিকাংশ পুলিশ অফিসার। অমিতাভ মালিকের সঙ্গে কাজ করে আসা, পুলিশ অফিসাররা; এতটাই অবাক ও হতাশ হয়েছেন, সেটা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

আরও পড়ুনঃ বিমল গুরুংকে স্বাগত জানাল মমতার তৃণমূল, অমিতাভ মালিকের খু’নি কি শা’স্তি পাবে না

আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে; উত্তরবঙ্গের গোর্খা ভোট একটা বড় ফ্যাক্টর। অন্তত ১২টি বিধানসভা আসনে; প্রভাব ফেলতে পারেন গুরুং। ফলে তৃণমূলেরও দরকার তাঁকে। সূত্রের খবর, তৃণমূলের এক নেতার সঙ্গে; ঝাড়খণ্ডে বিমল গুরুংয়ের গোপন বৈঠক হয়। সেই বৈঠকে ঠিক হয়, বিমল গুরুং উত্তরবঙ্গ থেকে; তৃণমূলকে বিপুল পরিমাণ আসন তুলে দেবে। আর বিনিময়ে, গুরুংকে সমস্ত মামলা থেকে মুক্তি বা মামলা লঘু করে দেবে রাজ্য প্রশাসন। যদিও তৃণমূলের তরফ থেকে, এই বৈঠকের কথা; কেউ স্বীকার করেন নি”।

“এক পুলিশ অফিসারের খুনির শাস্তির চেয়ে; বিধানসভা নির্বাচনে ১২ টি আসনে নিজেদের প্রভাব রাখা; অনেক বেশি জরুরী”। বলছে বাংলার রাজনৈতিক মহল। তাই অসহায়ের মত দেখা ছাড়া; কিছুই করার নেই পুলিশের। অমিতাভ মালিক-কে নিয়ে করা, কলকাতা পুলিশের পোস্টেই মানুষ লিখেছেন; পুলিশের যাবতীয় অসহায়তার কথা। যা চরম লজ্জায় ফেলে দিয়েছে; পুলিশকে। বিমল গুরুং কাণ্ডে, বাংলার পুলিশের যাবতীয় সম্মান; ধুলোয় মিশে গেছে।

Please follow and like us:
error

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন