১৪ বছরের ভারতীয় কন্যা অনিকার বাজিমাত, স্কুল ল্যাবে তৈরি করোনা ভাইরাসের সম্ভাব্য টিকা

3289
১৪ বছরের ভারতীয় কন্যার বাজিমাত, স্কুল ল্যাবে তৈরি করোনা ভাইরাসের সম্ভাব্য টিকা
১৪ বছরের ভারতীয় কন্যার বাজিমাত, স্কুল ল্যাবে তৈরি করোনা ভাইরাসের সম্ভাব্য টিকা

চমকে গেছে গোটা বিশ্ব। ১৪ বছরের ভারতীয় কন্যার বাজিমাত; স্কুল ল্যাবে তৈরি করোনা ভাইরাসের সম্ভাব্য টিকা। যে ভাইরাসের ভ্যাকসিন খুঁজতে হন্যে হয়েছে সারা বিশ্ব; যে রোগের চিকিৎসার ওষুধ খুঁজতে; হিমশিম খাচ্ছে সারা সমস্ত দেশ; এবার সেই করোনার ভাইরাসের সম্ভাব্য চিকিৎসা পদ্ধতির সন্ধান দিলেন; ভারতীয় বংশোদ্ভূত টেক্সাস নিবাসী ১৪ বছর বয়সী অনিকা চেবরোলু। স্কুল ল্যাবরেটরিতে; হাতে কলমে দেখিয়ে দিলেন; কিভাবে করোনা ভ্যাকসিন তৈরি হবে।

করোনার সম্ভাব্য চিকিৎসা পদ্ধতির সন্ধান দিয়ে দিলেন; আমেরিকার টেক্সাস নিবাসী ভারতীয় বংশোদ্ভুত অনিকা চেবরোলু। এই পথ বাতলানোর পুরষ্কার হিসেবে; ১৪ বছরের মেয়ে জিতে নিল; ২০২০ থ্রিএম ইয়ং সাইন্টিস্ট চ্যালেঞ্জ প্রতিযোগিতা। বিজয়ী হয়ে, অনিকা পেলেন ২৫ হাজার মার্কিন ডলার অর্থ পুরস্কার।

আরও পড়ুনঃ “প্রত্যেক দেশবাসীকে করোনা টিকা দেওয়া হবে”, জাতির উদ্দেশ্যে ঘোষণা প্রধানমন্ত্রী মোদীর

ঠিক কী ভাবে সম্ভব করোনা আটকানো? অনিকার মডেল কাজ করবে কী ভাবে? সংবাদমাধ্যমকে তিনি নিজেই বিস্তারিত জানালেন। তার কথায়, “আমি একটা যৌগ আবিষ্কার করেছি। এই সিসার যৌগ কোভিড স্পাইক প্রোটিনের সঙ্গে যুক্ত হলে; প্রোটিনটির কার্যক্ষমতা নষ্ট হয়ে যায়”। অবশ্য করোনা নয়। প্রাথমিক ভাবে অনিকার গবেষণার; অভিমুখ ছিল ইনফ্লুয়েঞ্জা। গত বছর বহু মার্কিন নাগরিক; এই জ্বরে মারা যান। তখন থেকেই স্কুলের গবেষণাগারে; পরীক্ষানিরীক্ষা চালাতে থাকেন। এই বছরের গোড়ায় অবশ্য; বদলে যায় সব হিসেব। সামনে আসে বড় বিপদ করোনা।

আরও পড়ুনঃ সরকারি প্রতিশ্রুতি থাকলেও চাকরি নেই, পেট চালাতে ‌হাঁড়িয়া বেচছেন জাতীয় গেমসে পদকজয়ী আদিবাসী তরুণী

করোনার মহামারি বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতই; আছড়ে পড়ে মার্কিন মুলুকে। শিক্ষকদের পরামর্শে, অনিকা নিজের গবেষণার অভিমুখ বদলে ফেলেন। অনিকা তার গবেষণায় ‘ইন সিলিকো’ পদ্ধতির; সাহায্য নেয়। তৈরি হয় একটি অ্যান্টি ভাইরাল ওষুধ; যা কোভিড প্রোটিনেক সঙ্গে সংযুক্ত হলেই; ওই প্রোটিনটির কার্যক্ষমতা নষ্ট হয়ে যায়। এইভাবেই নষ্ট করা যাবে; করোনা ভাইরাস।

অনিকা চেবরোলুর গবেষণা, চমকে দিয়েছে থ্রি এম সাইন্টিস্ট চ্যালেঞ্জের নামকরা বিচারকদের। ১৪ বছরের মেয়ের গবেষণায় মুগ্ধ তাঁরা। প্রতিযোগিতা জিতে পুরস্কার পেয়েছেন, সেটা বড় কথা নয়; তার চেয়েও বড় কথা, করোনা নিয়ে তার গবেষণা; চোখ কপালে তুলে দিয়েছে বিশ্বের তাবড় গবেষকদের।

Please follow and like us:
error

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন