”ফিরহাদ হাকিম মিনি পা’কিস্তানের কথা বলেন”, প্রকাশ্যে বি’দ্রোহ জীতেন্দ্রর

484
''ফিরহাদ হাকিম মি'নি পা'কিস্তানের কথা বলেন'', প্রকাশ্যে বি'দ্রোহ জিতেন্দ্রর

”ফিরহাদ হাকিম মিনি পা’কিস্তানের কথা বলেন”; প্রকাশ্যে বি’দ্রোহ জীতেন্দ্রর। দুর্গাপুরের জনসভা থেকে প্রকাশ্যে তৃণমূলের বিরুদ্ধে; ‘বি’দ্রোহ’ ঘোষণা করলেন আসানসোলের পুরপ্রশাসক জীতেন্দ্র তিওয়ারি। বি’স্ফোরক জিতেন্দ্র তিওয়ারি। মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগ না থাকলেও; এদিন তার নি’শানায় ছিলেন কলকাতার প্রাক্তন মেয়র ও বর্তমান পুর প্রশাসক ফিরহাদ হাকিম। সভামঞ্চ থেকে এদিন বিদ্রোহ ঘোষণা করে; জীতেন্দ্র বললেন; ”ফিরহাদ হাকিম মি’নি পা’কিস্তানের কথা বলেন”। আ’ক্রমণের সুরে জানালেন; ”কোনও নেতা-মন্ত্রীকে দেখে দল করি না। মুখমন্ত্রীকে দেখে দল করেছি”। এদিন খানিকটা অ’ভিমানের সুরেই তিনি বলেন; ”দল বললে চলে যাব; তাও মানুষের পাশে থাকব”।

এদিন শুভেন্দুর প্রশংসা বাণী উঠে এসেছে, জীতেন্দ্রর গলায়; বললেন, ”মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পর; তৃণমূলের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি গু’লি খেয়ে রাজনীতি করেছেন”। জীতেন্দ্র তিওয়ারির ক্রমশ ‘বে’সুরো’ হয়ে ওঠা থেকে, স্পষ্ট হয়ে উঠেছে; ক্রমশ দল থেকে দূরে সরে যাচ্ছেন তিনিও। ”স্মার্ট সিটি প্রকল্পের জন্য; কেন্দ্রের দু হাজার কোটি টাকা থেকে; ব’ঞ্চিত হয়েছে আসানসোল”; দাবি করে হইচই ফেলে দিয়েছেন তিনি।

আরও পড়ুনঃ শুভেন্দুর পর বাংলার আরও ২৫ জন নেতাকে, কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা দিচ্ছে মোদী সরকার

হঠাৎই এই অভিযোগ তুলে, ফিরহাদ হাকিমকে চিঠি দিয়েছিলেন; জীতেন্দ্র তিওয়ারি। সেই চিঠি প্রকাশ্যে আসতেই; নগরোন্নয়ন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমের বি’রুদ্ধে; অ’ভিযোগ তোলেন জীতেন্দ্র। বলেন, ”ফিরহাদই চিঠি প্রকাশ্যে এনেছে, কারণ তিনি চান; দলে শুধু তিনি নিজে রাজ করবেন; বাকিরা কেউ থাকবে না”। যদিও ফিরহাদ হাকিম বারে বারে; জীতেন্দ্রকে ‘ছোট ভাই’ বলে কলকাতায় ডেকে পাঠিয়েছেন। কিন্তু জীতেন্দ্র নিজের বক্তব্যে; ইমরান খান ও মিনি পা’কিস্তানের কথা তুলে; বারবার আ’ক্রমণ করেছেন রাজ্যের পুরমন্ত্রীকে।

আরও পড়ুনঃ ‘টিম শুভেন্দু’, শুভেন্দু অধিকারীর দলে বাড়ছে তৃণমূল হেভিওয়েট নেতাদের সংখ্যা

জীতেন্দ্র তিওয়ারীকে মঙ্গলবার কলকাতায় ডাকে; তৃণমূল নেতৃত্ব। প্রথমে কলকাতায় আসার কথা বললেও আসেননি; বিধায়ক জীতেন্দ্র তিওয়ারি। এরপরেই বুধবার দুর্গাপুরের সভা থেকে; তৃণমূল-ফিরহাদের বি’রুদ্ধে জে’হাদ ঘোষণা করলেন জীতেন্দ্র তিওয়ারি। রাজনৈতিক মহলের দাবি, দলের সঙ্গে দুরত্ব বাড়িয়ে; এক প্রকার বি’দ্রোহের পথেই হাঁটছেন আসানসোলর পুর প্রশাসক। তিনিও কি শুভেন্দুর সঙ্গে; গেরুয়া শিবিরের পথে? উঠে গেছে প্রশ্ন।

Please follow and like us:
error

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন