অ’যোধ্যায় তৈরি হচ্ছে রা’মম’ন্দির, ৩০ বছর পূর্তি বাংলার কোঠারি ভাইদের আ’ত্মব’লিদান

2975
অযোধ্যায় তৈরি হচ্ছে রামমন্দির, ৩০ বছর পূর্তি বাংলার কোঠারি ভাইদের আ'ত্মব'লিদান
অযোধ্যায় তৈরি হচ্ছে রামমন্দির, ৩০ বছর পূর্তি বাংলার কোঠারি ভাইদের আ'ত্মব'লিদান

মানব গুহ, কলকাতাঃ অ’যোধ্যায় তৈরি হচ্ছে রা’মম’ন্দির। ভূমি পুজো করে, শুভ সূচনা করেছেন; ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। অন্যদিকে সোমবার ২রা নভেম্বর, ৩০ বছর পূর্তি হল; বাংলার কোঠারি ভাইদের আ’ত্মব’লিদান। আজও কলকাতায় শ’হিদ ছেলেদের জন্য গর্বিত; কোঠারি পরিবার। সুপ্রীম কোর্ট অযোধ্যায় রা’ম ম’ন্দির তৈরির রায় দেওয়ার পরেই; আন্দোলনের অ’মর শ’হিদ স্বর্গীয় রাম কোঠারি ও শারদ কোঠারির কলকাতার বাড়িতে গিয়ে; শ্রদ্ধা নিবেদন করেছিলেন, বিজেপির কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক শ্রী কৈলাশ বিজয়বর্গীয়। কিন্তু কে এই, রাম কোঠারি ও শারদ কোঠারি ? কেন অযোধ্যার রা’ম ম’ন্দিরের সঙ্গে; কলকাতার কোঠারি ভাইদের কথা আসে? জেনে নিন আজ থেকে ঠিক ৩০ বছর আগের; ১৯৯০ সালের ২ রা নভেম্বরের কথা।

রা’মম’ন্দির নির্মাণ আন্দোলনে অংশ নিয়ে; অযোধ্যায় দেশের মধ্যে প্রথম মৃ’ত্যু হয়েছিল; কলকাতার গ্রে স্ট্রিটের বাসিন্দা কোঠারি পরিবারের দুই ভাইয়ের। ১৯৯০ সালের ২ রা নভেম্বর; মুলায়াম সিং যাদবের উত্তরপ্রদেশ পুলিশের গু’লিতে মৃ’ত্যু হয়; রাম কোঠারি ও শারদ কোঠারির। রা’মম’ন্দির স্বপ্নে বিভোর হয়ে; শ’হিদ হন এই দুই ভাই। দুই ভাইয়ের মৃ’ত্যুদিন; প্রতিবছর বড় করে পালন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে আরএসএস ও বিজেপি।

আরও পড়ুনঃ “এখানকার কোনও ভূমিপূত্রই বাংলার পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী হবেন”, অমিত শাহের লক্ষ্যই কি ছিলেন শুভেন্দু অধিকারী

১৯৯০ সালে বিশ্ব হি’ন্দু প’রিষদ; রা’মম’ন্দির আন্দোলনের ডাক দিয়েছিল। আর তাতেই স’ক্রিয়ভাবে যোগ দিয়েছিলেন; বড়বাজারের কোঠারি পরিবারের দুই ভাই। সেদিনের সেই আ’ন্দোলনে; প্রা’ণ হারিয়েছিলেন তাঁরা। ১৯৯০ এর সেদিনের সেই স্বপ্ন; ৩০ বছর পর বাস্তবায়িত হচ্ছে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে, জট কাটার পরে; মোদীর হাতে ভূমি পুজোর পর; অযোধ্যায় তৈরি হচ্ছে রা’মম’ন্দির। এটা দেখার জন্যই, সেদিন নিজেদের প্রা’ণ উ’ৎসর্গ করতেও দ্বিধা করেননি; রাম কোঠারি এবং শরদ কোঠারি। আজ তাঁরা নেই; তবে তাঁদের রা’মম’ন্দির গড়ার স্বপ্ন আজ সফল।

আরও পড়ুনঃ খারাপ আবহাওয়ায় উড়ল না হেলিকপ্টার, লাদাখে ১৬,০০০ ফুট উঁচুতে সেনার শরীরে সফল অস্ত্রোপচার ৩ সেনা চিকিৎসকের

উত্তরপ্রদেশের ফৈজাবাদ জেলার অ’যোধ্যায় গিয়ে; ‘শ’হিদ গলি’র কথা জিজ্ঞেস করলে; যে কেউ বলে দেবে, দেখিয়ে দেবে। সেখানেই পুলিশের গু’লিতে; তাঁদের মৃ’ত্যু হয়। ১৯৯০ সালে রা’মম’ন্দির আন্দোলনে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন; বড়বাজারের যুবকদ্বয়। স্বপ্ন সফল করতে; বাড়ি ছেড়েছিলেন দুই ভাই, রাম কোঠারি এবং শরদ কোঠারি। বোনের বিয়ের দিন ছিল সামনেই; তাই বাবা হীরালাল কোঠারি চেয়েছিলেন, দু’জনের একজন অন্তত বাড়িতে থাক। কিন্তু ২০-২২ বছরের যুবকদের মনে তখন; রা’মম’ন্দির গঠন আন্দোলনের স্বপ্ন। সবকিছু অগ্রাহ্য করে; অ’যোধ্যার উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিলেন তাঁরা।

অ’যোধ্যার নিকটবর্তী হনুমানগড়ির কাছে; সমবেত হন আ’ন্দোলনকারী। ছিলেন কলকাতা থেকে যাওয়া; ক’রসেবক দুইভাইও। কিন্তু রাজ্য প্রশাসনের তরফে নির্দেশ ছিল; যেভাবেই হোক ক’রসেবকদের আটকাতে হবে। এরপরই পুলিশ গু’লি চালায়; ক’রসেবকদের ওপর। সংবাদসূত্রের দাবি, ১৯৯০ সালের ২রা নভেম্বর; ১৬ জন শ’হিদ হয়েছিলেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন; কলকাতার বড়বাজারের কোঠারি ভাইরা। স্বপ্ন সফল হয়েছে; সফল হয়েছে তাদের প্রা’ণ ব’লিদান। সেই প্রা’ণ ব’লিদানের আজ ৩০ বছর পূর্তি; পালন করছে আরএসএস।

Please follow and like us:
error

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন