সিনে প্রেমীদের জন্য দুঃসংবাদ, বাংলায় একসঙ্গে বন্ধ হল, প্রিয়া, মেনকা, প্রাচী, জয়া, অশোকা, অজন্তা

470
সিনে প্রেমীদের জন্য দুঃসংবাদ, বাংলায় একসঙ্গে বন্ধ হল, প্রিয়া, মেনকা, প্রাচী, জয়া, অশোকা, অজন্তা
সিনে প্রেমীদের জন্য দুঃসংবাদ, বাংলায় একসঙ্গে বন্ধ হল, প্রিয়া, মেনকা, প্রাচী, জয়া, অশোকা, অজন্তা

সিনে প্রেমীদের জন্য বড় দুঃসংবাদ; বাংলায় একসঙ্গে বন্ধ হল; বেশ কয়েকটি সিনেমা হল। করোনা আবহে, বড় দুঃসংবাদ; কলকাতার ফিল্ম লাভারদের জন্য। শনিবার থেকে একযোগে ঝাঁপ বন্ধ করে দিল; একাধিক সিঙ্গল-স্ক্রিন ফিল্ম হল। যে তালিকায় রয়েছে প্রিয়া, মেনকা, প্রাচী, জয়া, রুপশ্রী, অশোকা সহ; আরও একাধিক সিনেমা হল। কেন্দ্রের তরফে নির্দেশ আসার পর; করোনা আবহে ফের চালু হয়েছিল মাল্টিপ্লেক্স ও সিঙ্গল স্ক্রিনগুলি। সবরকম সতর্কতা ও নিয়মবিধি মেনেই; শুরু হয়েছিল ফিল্ম প্রদর্শনী। তা সত্ত্বেও দর্শক হলমুখী হচ্ছে না; প্রতিদিন বাড়ছে ক্ষতির পরিমাণ। তাই শনিবার থেকেই, কলকাতা শহরের পাশাপাশি; শহরতলিরও বেশ কয়েকটি নামি সিঙ্গল স্ক্রিন, বন্ধ হয়ে গেল।

দীর্ঘ লকডাউন শেষে, অক্টোবর মাসের মাঝামাঝি; বাংলায় ফের খুলেছিল সিনেমা হল। কিন্তু নিউ নর্মালের সঙ্গে মানিয়ে নিয়ে; একাধিক সুরক্ষা ব্যবস্থা নিশ্চিত করে; সামাজিক সুরক্ষাবিধি বেধে চালাতে হচ্ছিল সিনেমা। কিন্তু দর্শক আগমন একেবারেই হচ্ছে না জানিয়ে; সিনেমা হলে তালা ঝোলানোর কথা জানাল হল মালিকরা। পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত; কলকাতার এই সিনেমা হলগুলি আপাতত বন্ধ রাখারই সিদ্ধান্ত হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ বামফ্রন্টে আবার বড়সড় ভাঙন, লাল ছেড়ে গেরুয়াতে ২২ জন দাপুটে বাম নেতা

তাঁদের দাবি, সিনেমা হল চালু রাখার সময় এত কম লোক হচ্ছে যে; বিদ্যুতের মাশুল সহ অন্যান্য খরচ সামলাতে গিয়ে; প্রত্যেক শো-তে ক্ষতির মুখে পড়তে হচ্ছে তাঁদের। সমস্যা হচ্ছে কর্মীদের; মাইনে দেওয়ার ক্ষেত্রেও। বিভিন্ন রকমের সিনেমা চালিয়ে, দর্শক টানার চেষ্টা করলেও; কোনওভাবেই ২৫-৩০ জনের বেশি; আসছেন না বলেই দাবি হল মালিকদের। দুর্গাপুজোর সময় হল খুলতেই; একসঙ্গে ৯টি বাংলা ছবি মুক্তি পায়। নুসরত, মিমি, কোয়েল, যশ, অনির্বাণের মতো; তারকাদের ফিল্ম ছিল। কিন্তু তাতেও সিঙ্গল স্ক্রিনের লক্ষ্মীলাভ হল না!

আরও পড়ুনঃ নন্দীগ্রামে ভাঙন শুরু তৃণমূলে, পঞ্চায়েত দ’খলের পথে বিজেপি

দক্ষিণ কলকাতার প্রিয়া সিনেমা হলের মালিক অরিজিৎ দত্ত জানিয়েছেন যে; প্রতিদিন মাত্র ১০-১৫ জন দর্শক হাজির হতেন তাঁর হলে। তাই হল চালানো তাঁর পক্ষে; আপাতত সম্ভব না। অজন্তা সিনেমার হলে মালিক সতাদীপ সাহা, আক্ষেপের সুরে বলেছেন; “কোনও কোনও শো-তে হলে মাত্র ৫ জন দর্শক থাকছেন; এইভাবে হল চালানো সম্ভব নয়”। অবশ্য ‘নবীনা’র মালিক নবীন চোখানির মত ভিন্ন। তিনি তাঁর হল নবীনা চালু রেখেছেন ও রাখবেনও। তাঁর কথায়, এতদিন যে বাংলা ছবি তাঁকে লাভের মুখ দেখিয়েছে; তার জন্য এই কষ্ট না হয় সহ্য করবেন তিনি।

Please follow and like us:
error

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন