শোভনকে না পেয়ে বৈশাখীকে সরিয়ে দিল তৃণমূল

332
শোভনকে না পেয়ে বৈশাখীকে সরিয়ে দিল তৃণমূল/The News বাংলা
শোভনকে না পেয়ে বৈশাখীকে সরিয়ে দিল তৃণমূল/The News বাংলা

হেনস্থার অভিযোগ করে এবার মিলি আল আমিন কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের পথ থেকে ইস্তফা দিলেন; প্রাক্তন মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায়ের বান্ধবী বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবারই বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন; বুধবার তিনি বড় কিছু ঘোষণা করতে চলেছেন। বুধবার বিকালে বন্ধু তথা প্রাক্তন মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায়কে পাশে বসিয়ে; কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের পদ থেকে ইস্তফা দিলেন বৈশাখী। সাংবাদিক সম্মলনে এদিন হেনস্থার কথা বলতে গিয়ে কেঁদেই ফেললেন মেয়রের বান্ধবী।

সাংবাদিক বৈঠকে বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায় জানান; “গত ২ দিন ধরে হেনস্থা করা হচ্ছে। আমার কাছে যা রিপোর্ট আছে; তাতে শিক্ষামন্ত্রীর নির্দেশে এই হেনস্থা করা হচ্ছে। শিক্ষামন্ত্রীর উপর নির্দেশ রয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর। পুরো বিষয়টি অত্যন্ত বেদনার এবং বিস্ময়কর”।

তিনি জানান; রীতিমতো সাম্প্রদায়িক তকমা দিয়ে হেনস্থা করা হচ্ছে তাঁকে। তিনি মুখ্যমন্ত্রীর ‘দিদিকে বলো’ কর্মসুচীকে কটাক্ষ করে বলেন; “দিদিকেই বলতে চাই; আপনি কি সত্যিই নির্দেশ দিয়েছেন যে, সাম্প্রদায়িক তকমা দিয়ে চাকরি খেয়ে নেব! নাকি আপনার নাম করে অন্য কেউ এসব বলছেন”।

একদিনের টানা বৃষ্টিতে ফের বিপর্যস্ত হাওড়াবাসী

এদিন সাংবাদিক বৈঠকে বৈশাখী বলেন; “এতদিন ধরে কলেজে ভালভাবে কাজ করে এসেছি। দুই ধর্মের দারুণ মেলবন্ধন ছিল। কিন্তু আজ আমায় সাম্প্রদায়িকতার তকমা লাগিয়ে হেনস্থা করা হচ্ছে। এটা মেনে নিতে পারিনি। কালই আচার্যের কাছে ইস্তফাপত্র জমা দেব”।

এই ঘটনায় শোভন চট্টোপাধ্যায় বলেন; “গত ২৩ জুলাই আচমকাই পার্থদা আসেন। বহু আলোচনার মধ্যে তখনও বলেছিলাম; রাজনৈতিক সঙ্গী হিসেবে, প্রতিপক্ষ হিসেবে কাউকে টার্গেট করা উচিত নয়। তখনও বলেছেন; আমি দলে ফিরলে কলেজে বৈশাখীর কোনও সমস্যা হবে না”।

প্রাক্তন মেয়র আক্ষেপ করে বলেন; “বাস্তবে যা হচ্ছে, তাতে বৈশাখী ইস্তফার জায়গায় পৌঁছেছেন। কী হল, সেটা আমাদের কাছেও জিজ্ঞাস্য”। তিনি বলেন; আঘাত করবার জন্য রুটিরুজি; সাম্মানের জায়গায় ছেলেখেলা করা উচিত নয়। এটা উন্নত বিচার-বুদ্ধির পরিচয় দেয় না।

অন্যদিকে পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন; তিনি কোনও শর্ত দেননি। তিনি জানান; “হাইহাউ করে কাঁদছেন কেন; আমাকে তো বললেই হত। কেউ কোনও চক্রান্ত করেনি। সবই মিথ্যা অভিযোগ”। তিনি আরও বলেন; “মুখ্যমন্ত্রীর এত সময় নেই যে একজন অধ্যাপিকার উপরে নজরদারি করবেন। এসব বললে মুখ্যমন্ত্রীরই অসম্মান করা হয়”।

Please follow and like us:
error

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন