না ফেরার দেশে চলে গেলেন তিতাসের নায়িকা

5672
না ফেরার দেশে চলে গেলেন তিতাসের নায়িকা
না ফেরার দেশে চলে গেলেন তিতাসের নায়িকা

করোনায় আক্রান্ত হয়ে শুক্রবার রাত ১২টা ২০ মিনিটে; মারা গেলেন বাংলা চলচ্চিত্রের খ্যাতিমান অভিনেত্রী সারাহ বেগম কবরী। বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে তিনি এক বিরল নক্ষত্রের নাম। ১৯৭৩ সালে ঋত্বিক ঘটক পরিচালিত; ‘তিতাস একটি নদীর নাম’ সিনেমার নায়িকা হিসাবে কাজ করেন কবরী। তারপরে; ‘সুতরাং’; ‘সারেং বৌ’ ইত্যাদি বহু ইতিহাস সৃষ্টি করা সিনেমায় অভিনয় করেছিলেন এই অভিনেত্রী। ৫ এপ্রিল করোনা পজিটিভ হন অভিনেত্রী। ওই রাতেই; তাঁকে ঢাকার কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

বৃহস্পতিবার বিকেলে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছিল। কিন্তু তাতেও শেষরক্ষা হয়নি। শুক্রবার গভীর রাতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন বাংলাদেশের জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত অভিনেত্রী। অভিনেত্রীর মৃত্যুর খবর জানান তাঁর ছেলে শাকের চিশতি। অভিনেত্রীর আগের নাম ছিল মীনা পাল। পরে লেখক সৈয়দ শামসুল হকের পরামর্শে; নাম পালটে রাখেন সারা বেগম কবরী।

আরও পড়ুনঃ যুদ্ধ জাহাজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বল্প পোশাকে নারীদের নাচ ঘিরে তুঙ্গে বিতর্ক

১৯৫০ সালের ১৯ জুলাই চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে জন্ম নেয়া কবরীর শৈশব ও কৈশোর কেটেছে চট্টগ্রামের ফিরিঙ্গি বাজারে। ১৯৬৪ সালে মাত্র ১৩ বছর বয়সে সুভাষ দত্তের ‘সুতরাং’ দিয়ে চলচ্চিত্রে অভিষেক হয় কবরীর। ১৯৬৫ সালে অভিনয় করেন ‘জলছবি’ ও ‘বাহানা’য়; ১৯৬৮ সালে ‘সাত ভাই চম্পা’; ‘আবির্ভাব’; ‘বাঁশরি’; ‘যে আগুনে পুড়ি’ সিনেমায়। ১৯৭০ সালে ‘দীপ নেভে নাই’; ‘দর্পচূর্ণ’; ‘ক খ গ ঘ ঙ’; ‘বিনিময়’ সিনেমায় অভিনয় করেন এই অভিনেত্রী।

আরও পড়ুনঃ করোনার প্রকোপ, অনির্দিষ্টকালের জন্য সব বন্ধ বাংলায়

অভিনয়ের পাশাপাশি; সিনেমা প্রযোজনাও করেছেন এই অভিনেত্রী। পরিচালক হিসেবে নির্মাণ করেছেন সিনেমা। দীর্ঘ ১৪ বছর পর দ্বিতীয় সিনেমা তৈরিতে হাত দিয়েছিলেন। ‘এই তুমি সেই তুমি’ নামের ছবিটি পরিচালনার পাশাপাশি এর কাহিনী; চিত্রনাট্য ও সংলাপ রচনা করেন তিনি। তার পরিচালিত প্রথম সিনেমা ছিল ‘আয়না। বর্ষীয়ান অভিনেত্রীর মৃত্যুতে; শোকাহত বাংলাদেশের চলচ্চিত্র মহল ও সিনে অনুরাগীরা।

Please follow and like us:
error

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন