আশঙ্কাই সত্যি, ভোটের আগেই কমিশনের নজরবন্দি অনুব্রত

689
আশঙ্কাই সত্যি, ভোটের আগেই নজরবন্দি অনুব্রত মণ্ডল
আশঙ্কাই সত্যি, ভোটের আগেই নজরবন্দি অনুব্রত মণ্ডল

আশঙ্কাই সত্যি, ভোটের আগেই নজরবন্দি মমতার প্রিয় ‘কেষ্ট’। ভোটের আগেই নজরবন্দি অনুব্রত মণ্ডল। ফের কমিশনের ‘নজরবন্দি’; বীরভূমের তৃণমূল জেলা সভাপতি। মঙ্গলবার বিকেল ৫টা থেকে; আগামী ৩০ এপ্রিল সকাল ৭টা পর্যন্ত ‘নজরবন্দি’ অনুব্রত। বীরভূমে ভোটের আগেই; এই সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনের। আগামী ২৯ এপ্রিল শেষ দফায় ভোট বীরভূমে। যদিও কমিশন ‘নজরবন্দি’ করার পরেও; একেবারে ভাবলেশহীন অনুব্রত। ডাকসাইটে তৃণমূল নেতা জানিয়েছেন, তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরামর্শ মেনে; আদালতের দ্বারস্থ হবেন তিনি।

আরও পড়ুনঃ গরু পাচার কাণ্ডে সিবিআই তলব অনুব্রতকে, ‘একদম যাবি না’ পরামর্শ মমতার

আগামী ২৯ এপ্রিল; বীরভূমে নির্বাচন। অষ্টম অর্থাৎ শেষ দফা নির্বাচনে; স্বাভাবিকভাবেই কমিশনের পাখির চোখ বীরভূম। এই অবস্থায় অন্যান্যবারের মতো, অনুব্রত মন্ডলকে ফের ‘নজরবন্দি’ করা হয়তে পারে; তা নিয়ে একপ্রকার জল্পনা ছিলই। সেই জল্পনার অবসান ঘটে; এদিন নির্বাচন কমিশনের নির্দেশের পরেই।

আরও পড়ুনঃ ২ রা মে বাংলায় বিজয় মিছিল করতে পারবে না কোন দল

যদিও ‘নজরবন্দি’ হওয়ার পরে অনুব্রত মন্ডল বলেন; “আমাকে নজরবন্দি করা; কমিশনের রুটিন ডিউটি। ১৪ সালের খাতা খুলছে; রুটিনে যা আছে তাই করতে হবে। তবে ভাল হয়েছে। লাভই হয়েছে, কোনও লোকসান নেই। আমি যেখানে যাব; ওঁরা সঙ্গে ছুটবে। ফাইন খেলা হবে, যাঁরা সঙ্গে থাকবে; গোলটা পাস করে দেবে। ভয়ঙ্কর খেলা হবে”।

আরও পড়ুনঃ মানুষের ‘সেবা’ করতে আসা নায়ক নায়িকারা, ভোট শেষ হতেই ‘উধাও’

তবে কেষ্ট মণ্ডলকে শেষ কোন ভোটে; এত বিতর্কহীন দেখা গিয়েছে; মনে করতে পারছেন না তাঁর অনুগামীরাও। ‘চড়াম চড়াম’; ‘গুড়-বাতাসা’; ‘পাচনের বাড়ি’র মতো; ভোটের আগে কোনও দ্ব্যর্থবোধক শব্দবন্ধ নেই। বাঁধা কথা শুধু; ‘ভয়ঙ্কর খেলা হবে’। স্বভাবরসিক অনুব্রত কি তা হলে; এ বার সত্যিই চাপে? এর মধ্যেই গোরু পাচার মামলায়, নিজাম প্যালেসে সিবিআই দফতরে; তাঁকে হাজিরা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। সেই হাজিরা আপাতত এড়িয়ে গেছেন; বীরভূমের প্রবাদপ্রতিম নেতা।

Please follow and like us:
error

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন