‘টুকি’, নির্বাচন কমিশনের চোখে ধুলো দিয়ে ‘পগারপার’ কেষ্ট

954
'টুকি', নির্বাচন কমিশনের চোখে ধুলো দিয়ে কেষ্ট পগারপার
'টুকি', নির্বাচন কমিশনের চোখে ধুলো দিয়ে কেষ্ট পগারপার

‘টুকি’, নির্বাচন কমিশনের চোখে ধুলো দিয়ে; কেষ্ট পগারপার। লুকোচুরি খেলায়; কমিশনকে গোহারা হারালেন অনুব্রত মণ্ডল। নির্বাচন কমিশনের পাঠানো ম্যাজিস্ট্রেট ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর সামনে দিয়েই; গাড়ি নিয়ে ‘ধাঁ’ অনুব্রত। হন্যে হয়ে খুঁজে চলেছেন; নির্বাচন কমিশন ও বাহিনীর জওয়ানরা। রাস্তায় তাঁর গাড়ির হদিশ হারিয়ে ফেলেছে; কমিশন ও বাহিনীর গাড়ি। এই মওকায় নিজের ভোটের কাজ; সেরে ফেলবেন অনুব্রত। সূত্রের খবর, এরপর কেন্দ্রীয় বাহিনী, হন্যে হয়ে; তৃণমূলের জেলা সভাপতির গাড়ি খুঁজে বেড়াচ্ছে। খবর পেয়েছে, অনুব্রত সাইথিয়ার দিকে গেছেন।

আশঙ্কাই সত্যি হয়েছে। ভোটের আগেই নজরবন্দি; মমতার প্রিয় ‘কেষ্ট’। ফের ভোটের আগেই, নির্বাচন কমিশনের ‘নজরবন্দি’; বীরভূমের তৃণমূল জেলা সভাপতি। মঙ্গলবার বিকেল ৫টা থেকে; আগামী ৩০ এপ্রিল সকাল ৭টা পর্যন্ত ‘নজরবন্দি’ অনুব্রত। বীরভূমে ভোটের আগেই; এই সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনের। আগামী ২৯ এপ্রিল শেষ দফায় ভোট বীরভূমে। যদিও কমিশন ‘নজরবন্দি’ করার পরেও; একেবারে ভাবলেশহীন অনুব্রত। ডাকসাইটে তৃণমূল নেতা জানিয়েছেন, তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরামর্শ মেনে; আদালতের দ্বারস্থ হবেন তিনি।

আরও পড়ুনঃ আশঙ্কাই সত্যি, ভোটের আগেই কমিশনের নজরবন্দি অনুব্রত

বীরভূমে ভোটের আগেই, নির্বাচন কমিশনের নজরবন্দি; তৃণমূলের জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। এর জন্য বোলপুরে অনুব্রতর বাড়ির বাইরে; মোতায়ন হয়েছে ৮ জন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান। গতিবিধি নজরে রাখতে; আছেন একজন ম্যাজিস্ট্রেট। বুধবার সেই জওয়ানদের এড়িয়ে; ম্যাজিস্ট্রেটের চোখে ধুলো দিয়ে; নিজের গাড়ি নিয়ে বেলা সাড়ে ১১টা নাগাদ বেরিয়ে যান অনুব্রত। তারপর থেকে আর; তাঁর কোন সন্ধান নেই।

আরও পড়ুনঃ গরু পাচার কাণ্ডে সিবিআই তলব অনুব্রতকে, ‘একদম যাবি না’ পরামর্শ মমতার

সোজা কথায়; কমিশনের দলকে পরিষ্কার ‘চকমা’ দিয়েছেন; মমতার প্রিয় কেষ্ট। লুকোচুরি খেলায়, বীরভূমের সব রাস্তাকে হাতের তালুর মত চেনা অনুব্রত মণ্ডল; বলে বলে হারিয়ে দিয়েছেন। আপাতত ঘণ্টা কয়েকের জন্য; বেমালুম উধাও অনুব্রত। এবার নির্বাচন কমিশন কি করে; সেটাই এখন দেখার। খেলা যে হবে, ভয়ঙ্কর খেলা হবে; তা আগেই জানিয়ে দিয়েছেন অনুব্রত মণ্ডল। আর সেই খেলা থেকে তাঁকে; আটকাতে পারল না; নির্বাচন কমিশন।

এবার কি হবে? কি করবে কমিশন? নজরবন্দি থেকে কি এবার ঘরবন্দি? এমনটাই মনে করছে; বাংলার রাজনৈতিক মহল। আশঙ্কা তৃণমূল শিবিরেও।

Please follow and like us:
error

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন