কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ঘেরাও করে অ’স্ত্র কাড়তে গিয়েই বিপদে দিদির ‘দুধেল গাইরা’, দাবি বিজেপির

466
কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ঘেরাও করে অ'স্ত্র কাড়তে গিয়েই বিপদে দিদির 'দুধেল গাইরা', দাবি বিজেপির
কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ঘেরাও করে অ'স্ত্র কাড়তে গিয়েই বিপদে দিদির 'দুধেল গাইরা', দাবি বিজেপির

কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ঘেরাও করে, তাদের অ’স্ত্র কাড়তে গিয়েই; বিপদে দিদির ‘দুধেল গাইরা’। এমনটাই দাবি বিজেপির। কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ঘেরাও করতে গিয়ে; গুলিতে মৃত হামিদুল, হামিনুল, মনিরুল, নূর আলম। জানিয়ে দিল কেন্দ্রীয় বাহিনী। কোচবিহারের মাথাভাঙা বিধানসভা কেন্দ্রের জোড়পাটকিতে; প্রায় ৩০০-৪০০ লোক কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ঘিরে ধরে; তাদের অ’স্ত্র কেড়ে নিতে চায়। আত্মরক্ষার্থে গুলি চালাতে বাধ্য হয়; কেন্দ্রীয় বাহিনী। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় ১ জনের। বাকি ৩ জনকে নিকটবর্তী হাসপাতালে; নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই তাঁদের মৃত্যু হয় বলে খবর। সূত্রের খবর, মৃত ওই ৪ ব্যক্তিদের নাম; হামিদুল হক, হামিনুল হক, মনিরুল হক, নূর আলম। এরা তৃণমূল সমর্থক; দাবি তৃণমূলের।

ঘটনার পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট তলব করেছে; নির্বাচন কমিশন। মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিককে; ফোন করেন সুদীপ জৈন। কোন পরিস্থিতিতে পুলিশকে; গুলি চালাতে হল জানতে চাইলেন তিনি। কোচবিহারের শীতলকুচির; ১২৬ নম্বর বুথে গুলি চলে। শীতলকুচির জোড়পাটকিতে গুলি চলার ঘটনায়; মারা গেছেন ৪ জন। প্রথমে পোলিং অফিসারদের মারধর; করা হয়। তারপর হোমগার্ডকে মারধর করে; তৃণমূল সমর্থক দুষ্কৃতীরা। এরপর কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের; অস্ত্র কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করে।

আরও পড়ুনঃ বাহিনীর উপর আক্রমণ, আত্মরক্ষার্থেই গুলি চালাতে বাধ্য হয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী

নিজেদের আত্মরক্ষার তাগিদে; বাহিনী গুলি চালিয়েছে; বলে জানানো হয়েছে। বিশেষ পুলিশ পর্যবেক্ষক বিবেক দুবের কাছে যে রিপোর্ট এসে পৌঁছেছে; সেই রিপোর্ট অনুযায়ী একদল আর এক দলকে ভোট দিতে বাধা দিচ্ছিল। সেখানে কিউআরটি অর্থাৎ কুইক রেসপন্স টিম পৌঁছে; ঝামেলা নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। কিন্তু হঠাৎ দেখা যায়, ২০০র বেশি লোক; জমা হয়ে যায় বুথে। তারা ঝাঁপিয়ে পরে, কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপরে; অস্ত্র কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। নিজেদের আত্মরক্ষার তাগিদেই; সিআইএসএফ বাহিনী গুলি চালিয়েছে।

আরও পড়ুনঃ “মমতার উস্কানিমূলক মন্তব্যের জেরেই রক্তাক্ত বাংলার ভোট”

বিজেপির নিশীথ প্রামানিক থেকে শুরু করে; জয়প্রকাশ মজুমদারের দাবী; “মমতার উস্কানিমূলক মন্তব্যের জেরেই রক্তাক্ত বাংলার ভোট”। অভিযোগ উড়িয়ে; কেন্দ্রীয় বাহিনীকে দায়ি করেছে তৃণমূল। বিজেপির সুবিধা দেখেই কাজ করছে কেন্দ্রীয় বাহিনী; অভিযোগ তৃণমূলের। পোলিং অফিসারদের, হোমগার্ডকে মারধর, কেন্দ্রীয় বাহিনীর অস্ত্র কেড়ে নিতে গেলে চলে গুলি; এমনটাই রিপোর্ট জমা পরেছে; বিশেষ পুলিশ পর্যবেক্ষক বিবেক দুবের কাছে।

Please follow and like us:
error

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন