অনুব্রতকে ‘সিধে’ করতে, মিরাজ খালিদকে সরিয়ে ‘দাবাং’ ত্রিপাঠীকে বীরভূম পাঠাল নির্বাচন কমিশন

2735
অনুব্রতকে 'সিধে' করতে, মিরাজ খালিদকে সরিয়ে 'দাবাং' ত্রিপাঠীকে বীরভূম পাঠাল নির্বাচন কমিশন
অনুব্রতকে 'সিধে' করতে, মিরাজ খালিদকে সরিয়ে 'দাবাং' ত্রিপাঠীকে বীরভূম পাঠাল নির্বাচন কমিশন

অনুব্রতকে ‘সিধে’ করতে; মিরাজ খালিদকে সরিয়ে ‘দাবাং’ ত্রিপাঠীকে বীরভূম পাঠাল নির্বাচন কমিশন। বাংলার ভোটগ্রহণ চলাকালীন রাজ্যে শীর্ষ পুলিশ আধিকারিকদের; সরিয়ে দেবার ধারা বজায় রাখল নির্বাচন কমিশন। সোমবার বদল করা হল; ৩ জেলার পুলিশ সুপারকে। এই তিন জেলাতেই, আগামী দফাগুলিতে রয়েছে ভোটগ্রহণ। সেই সঙ্গে কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে; যে পুলিশ আধিকারিকদের সরানো হয়েছে; তারা নির্বাচন সংক্রান্ত কোনও কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারবেন না। এদের প্রত্যেকের সঙ্গেই, শাসকদল তৃণমূলের ভালো সম্পর্ক; বলেই অভিযোগ বিরোধীদের।

নির্বাচন কমিশনের তরফে, সোমবার প্রকাশিত নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে; পূর্ব বর্ধমানের পুলিশ সুপার ভাস্কর মুখোপাধ্যায়কে; সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তার জায়গায় দায়িত্ব নিলেন; অজিত কুমার সিং। আসানসোল দুর্গাপুরের পুলিশ সুপার সুকেশ জৈনকে; অপসারণ করে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে নীতীশ জৈনকে। আর বীরভূমের পুলিশ সুপার মিরাজ খালিদকে সরিয়ে; আনা হয়েছে নগেন্দ্রনাথ ত্রিপাঠীকে। এই নগেন্দ্র ত্রিপাঠী-টির সঙ্গেই নন্দীগ্রামে; কথা কাটাকাটি হয় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। ‘খাকি উর্দিতে তিনি কোনও দাগ লাগতে দেবেন না’; বলেছিলেন তৃণমূল নেত্রীকে।

এই সিদ্ধান্ত থেকেই স্পষ্ট, উত্তেজনাপ্রবণ বীরভূম জেলাকে; এবারের ভোটে বাড়তি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। বিশেষত এখানকার প্রভাবশালী নেতা অনুব্রত মণ্ডলকে; আগেই নজরবন্দি করা হয়েছে। তাঁর প্রতিটি গতিবিধির দিকে নজর রাখছে; নির্বাচন কমিশন। নগেন্দ্র ত্রিপাঠীকে এই জেলার দায়িত্ব দেওয়ার; অন্যতম কারণ এটাই। জেলার ১১টি কেন্দ্রে; ভোট শেষ দফায়, ২৯ এপ্রিল।

আরও পড়ুনঃ ২রা মে ভোটের রেজাল্ট বেরনোর পরেও, ১৩ মে বাংলায় ভোট

নির্বাচন কমিশন সূত্রের খবর, অপসারিত এই তিন পুলিশ আধিকারিকদের বিরুদ্ধে; অভিযোগ করেছিল বিভিন্ন রাজনৈতিক দল। তাদের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ ছিল। সেই অভিযোগের পক্ষে প্রমাণ মেলায়; পদক্ষেপ করল কমিশন। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এদের বিরুদ্ধে, পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তোলায়; অপসারিত পুলিশ আধিকারিকদের নির্বাচনের কাজকর্ম থেকে দূরে থাকতে বলা হয়েছে।

রাজ্যে ভোট প্রক্রিয়া শুরুর পর থেকেই; মমতার নিরাপত্তার দায়িত্ত্বে থাকা আধিকারিক; রাজ্য পুলিশের ডিজি; এডিজি আইনশৃঙ্খলা-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদে; রদবদল করেছে কমিশন। এমনকী নিষ্ক্রিয় করে দেওয়া হয়েছে; রাজ্যের নিরাপত্তা উপদেষ্টাকেও। এবার তিনজেলার ভোটের আগে; সরানো হল তিন জেলা পুলিশ সুপারকে। এর তীব্র প্রতিবাদ করেছে তৃণমূল। “নির্বাচন কমিশন যা করেছে ঠিকই করেছে”; মন্তব্য বিজেপির।

Please follow and like us:
error

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন