বাংলায় এবার ‘ভুয়ো বিয়ে’ করে, মমতার রূপশ্রী প্রকল্পর লক্ষ টাকা প্রতারণা

1115
বাংলায় এবার 'ভুয়ো বিয়ে' করে, মমতার রূপশ্রী প্রকল্পর লক্ষ টাকা প্রতারণা
বাংলায় এবার 'ভুয়ো বিয়ে' করে, মমতার রূপশ্রী প্রকল্পর লক্ষ টাকা প্রতারণা

বাংলায় এবার ‘ভুয়ো বিয়ে’ করে; মমতার রূপশ্রী প্রকল্পর লক্ষ টাকা প্রতারণা। ভুয়ো ভ্যাকসিন, ভুয়ো ভ্যাকসিন ক্যাম্প এর পরে; এবার ভুয়ো বিয়ে! হ্যাঁ, এরকমটাই ঘটেছে; এই বাংলায়। ভুয়ো বিয়ে দেখিয়ে, প্রতারণার অভিযোগ; মুখ্যমন্ত্রী মমতার রূপশ্রীর লক্ষ টাকা গায়েব। ২০১৮-১৯ অর্থবর্ষে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়; আর্থিক দুর্দশাগ্রস্ত পরিবারের প্রাপ্তবয়স্ক কন্যাদের, বিয়ের সময় এককালীন ২৫০০০ টাকা অনুদানের ঘোষণা করেন। এই অনুদান বাংলায় রূপশ্রী প্রকল্প; নাম পায়। সেই রূপশ্রী প্রকল্পের টাকা নিয়েই উঠল; প্রতারণার অভিযোগ। বিবাহিত মহিলারা, ফের বিয়ের নামে; রূপশ্রী প্রকল্পের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে বলেই অভিযোগ উঠল।

মিথ্যে পরিচয় দিয়ে, রূপশ্রীর ২৫ হাজার টাকা করে; নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ৮ মহিলার বিরুদ্ধে। জানা গিয়েছে, এদের মধ্যে ৮ জনই বিবাহিত; এবং এদের প্রত্যেকের সন্তানও আছে। তবু নিজেদের অবিবাহিত বলে দাবি করে; সরকারি প্রকল্পের টাকা তুলে নেন এই এই মহিলারা। এই প্রতারণার খবর প্রকাশ্যে আসতেই; এলাকার বিডিও হুমায়ুন চৌধুরী নিজে অভিযোগ করেন থানায়। বিডিও-র অভিযোগের ভিত্তিতে, একাধিক ধারায় মামলা রুজু করে; তদন্ত শুরু করে তদন্ত শুরু করেছে বীরভূম পুলিশ।

আরও পড়ুনঃ বাংলাদেশি জঙ্গির পর, কলকাতায় গ্রেফতার কাবুলিওয়ালা ছদ্মবেশে আফগান চর

জালিয়াতির খবর পেয়েই, রূপশ্রী-দুর্নীতির অভিযোগে; ৮ মহিলার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন; নলহাটির বিডিও হুমায়ুন চৌধুরী। হাতনাতে ধরা পড়ে জালিয়াতি; ধরা পরে ৮ ভুয়ো রুপশ্রী। অভিযুক্তদের দাবি, গ্রামেরই এক ব্যক্তি সাড়ে ১২ হাজার টাকার বিনিময়ে; তাঁদের ২৫ হাজার টাকা পাইয়ে দেওয়ার প্রস্তাব দেয়। সেই মতো অ্যাকাউন্টে; টাকাও জমা পড়ে। বিডিও অফিস থেকে কেন তথ্য যাচাই করা হয়নি; সেই প্রশ্ন তুলেছেন অভিযুক্তরা। কারচুপির ঘটনায় অভিযুক্ত গ্রামবাসীর; এখনও খোঁজ মেলেনি। আসল মাথা কে?

বীরভূমের নলহাটিতে রূপশ্রী প্রকল্পের, ২৫ হাজার টাকা করে লক্ষাধিক টাকা প্রতারণা ও লোপাটের অভিযোগ ওঠায়; প্রশাসনিক পর্যায়ে তদন্তের নির্দেশ দিলেন বীরভূমের জেলাশাসক। রামপুরহাটের মহকুমা শাসককে, পূর্ণাঙ্গ তদন্ত রিপোর্ট; জমা দিতে বলা হয়েছে। জেলাশাসক জানিয়েছেন, “প্রশাসনের কেউ জড়িত থাকলে; তার বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে”। প্রশাসনের সহযোগিতা ছাড়া; গ্রামের ৮ মহিলার কি প্রতারণা করতে পারতেন? কে জড়িত এই দুর্নীতিতে? পুলিশি তদন্তে কি সত্যি; উঠে আসবে? উঠেছে প্রশ্ন।

Please follow and like us:
error

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন