কয়লা পাচার রুখতে কয়লামন্ত্রীর কাছে রাজ্যপাল, তৃণমূল রাগছে কেন

1299
কয়লা পাচার রুখতে কয়লামন্ত্রীর কাছে রাজ্যপাল, তৃণমূল রাগছে কেন
কয়লা পাচার রুখতে কয়লামন্ত্রীর কাছে রাজ্যপাল, তৃণমূল রাগছে কেন

কয়লা পাচার রুখতে, কয়লামন্ত্রীর কাছে রাজ্যপাল; কিন্তু তৃণমূল রাগছে কেন? বুধবার সকালে কেন্দ্রীয় সংসদীয় ও কয়লামন্ত্রী, প্রহ্লাদ জোশীর বাড়িতে গিয়েছিলেন; রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। বাংলায় কয়লা পাচার কাণ্ডে লিঙ্কম্যান; তথা যুব তৃণমূল নেতা বিনয় মিশ্রের যোগসহ; একাধিক ইস্যুতে আলোচনা চলছে বলে সূত্রের খবর। রাজ্যপাল ধনখড় যখন দিল্লিতে নানা দরবারে ঘুরছেন; বাংলায় তখন তাঁর ভূমিকা নিয়ে উঠেছে সমালোচনার ঝড়। তৃণমূল থেকে বামেদের দাবি; “রাজ্যপাল তাঁর সাংবিধানিক সীমা লঙ্ঘন করে; কাজ করছেন। রাজ্যপাল বিজেপির কেউ নন; কিন্তু তাঁর কর্মকাণ্ড প্রমাণ করে দিচ্ছে; তিনি বিজেপির লোক। তিনি যা করছেন তা; রাজ্যপালের ভূমিকা হতে পারে না”।

রাজ্যের আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির পাশাপাশি; কয়লা কেলেঙ্কারির তদন্ত নিয়েও তৎপর রাজ্যপাল। এই মুহূর্তে, বাংলাতে কয়লা কেলেঙ্কারির; তদন্ত করছে সিবিআই। তদন্তে শাসকদল ঘনিষ্ঠ; একাধিক নাম উঠে এসেছে। কয়লার টাকা একাধিক তৃণমূল নেতার অ্যাকাউন্টেও গিয়েছে; বলেই বিজেপির অভিযোগ। এই অবস্থায় কয়লা মন্ত্রীর সঙ্গে; রাজ্যপালের বৈঠক যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ। আর তাতেই ক্ষিপ্ত তৃণমূল।

আরও পড়ুনঃ ধনখড় জমানা কি শেষ, বাংলার নতুন রাজ্যপাল কে হতে পারেন

বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের সঙ্গে; দেখা করতে যাবেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। সস্ত্রীক রাষ্ট্রপতি ভবনে যাবেন তিনি। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় দিল্লি গিয়েছেন; রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। দিল্লি যাওয়ার পরেই, কেন্দ্রীয় কয়লা মন্ত্রী প্রহ্লাদ যোশীর সঙ্গে; সাক্ষাৎ করেছেন তিনি। তারপর কেন্দ্রীয় সংস্কৃতিমন্ত্রী প্রহ্লাদ সিং প্যাটেলের সঙ্গেও; সাক্ষাৎ করেছেন রাজ্যপাল। যদিও বৈঠকে আলোচ্য বিষয় নিয়ে; মুখ খোলেননি তিনি। এদিকে বাংলায় সমালোচনার ঝড়; তৃণমূল নেতাদের তরফ থেকে।

আরও পড়ুনঃ প্রতিশ্রুতি পূরণে মানুষের সেবায় চন্দনা, বাংলার এমন ‘গরিব’ বিধায়কই দরকার

শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে সাক্ষাতের পরেই; দিল্লী গিয়ে বিভিন্ন মন্ত্রীদের সঙ্গে রাজ্যপালের বৈঠক নিয়ে; কড়া কটাক্ষ করা হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে। রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়কে নিশানা করে, তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ মহুয়া মৈত্র লেখেন; “শুনলাম আঙ্কেলজি দিল্লি যাচ্ছেন; তিনি যেন আর না ফেরেন”। কয়েকদিন আগেই, রাজ্যপালের বিরুদ্ধে রাজভবনে কর্মী নিয়োগে; স্বজনপোষণের অভিযোগ করেছিলেন মহুয়া মৈত্র। রাজ্যপালের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছেন; সৌগত রায় থেকে সায়নী ঘোষ থেকে কুণাল ঘোষ।

Please follow and like us:
error

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন