করোনা আবহে পকেট ভেন্টিলেটর আবিষ্কার করে, বিশ্বে সাড়া ফেলে দিলেন বাঙালি বিজ্ঞানী

48378
পকেট ভেন্টিলেটর আবিষ্কার করে, সাড়া ফেলে দিলেন বাংলার বিজ্ঞানী
পকেট ভেন্টিলেটর আবিষ্কার করে, সাড়া ফেলে দিলেন বাংলার বিজ্ঞানী

করোনার মহামারী সংকটের সময়, ‘পকেট ভেন্টিলেটর’ আবিষ্কার করে; বিশ্বে সাড়া ফেলে দিলেন বাঙালি বিজ্ঞানী। করোনা বিপদের সময় ভেন্টিলেটর নিয়ে; তৈরি হয়েছিল সমস্যা। সেই সমস্যার সমাধান করলেন; কলকাতার বিজ্ঞানী রামেন্দ্রলাল মুখোপাধ্যায়। সবাইকে চমকে দিয়ে, তিনি বানিয়ে ফেলেছেন; বিশেষ ‘পকেট ভেন্টিলেটর’। তাঁর তৈরি বিশেষ ব্যাটারি চালিত পকেট ভেন্টিলেটর; যে কোনও রোগীকে তাৎক্ষনিক সাহায্য দিতে পারবে। রামেন্দ্রবাবুর এই আবিষ্কার বাড়িতে থাকা, রোগীদের কাছে; মৃত সঞ্জীবনী হয়ে উঠবে। হঠাৎ করে অক্সিজেনের মাত্রা কমতে শুরু করলে; দিনকয়েক এই যন্ত্রই সামলে দিতে পারবে ‘ক্রাইসিস’।

নিজের পকেট ভেন্টিলেটর নিয়ে এমনটাই আশা; প্রায় ৩০টি আবিষ্কারের পেটেন্টের মালিক বাঙালি বিজ্ঞানীর। নিজে বিপদে পরেই; এই আবিস্কার করে ফেললেন; বিজ্ঞানী ডাঃ রামেন্দ্রলাল মুখোপাধ্যায় (Dr Ramendra Lal Mukherjee)। করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন তিনিও। রক্তে অক্সিজেনের পরিমাণ; ৮৮ শতাংশে নেমে গিয়েছিল। হাসপাতালে ভর্তি হতে না হলেও; সেদিনই তিনি বুঝেছিলেন; কোভিডের ক্ষেত্রে এই ভেন্টিলেটরের গুরুত্ব কতখানি। নেগেটিভ হওয়ার পর; তাই আর দেরি করেননি। মাত্র ২০ দিনেই, করোনা রোগীদের জন্য বানিয়ে ফেলেছেন; বিশেষ ‘পকেট ভেন্টিলেটর’।

আরও পড়ুনঃ ‘এক দেশ এক রেশন কার্ড’ এর পর মোদী সরকারের ‘এক দেশ এক আইন’

এই কোভিড ‘পকেট ভেন্টিলেটরের’ (Pocket Ventilator); ওজন মাত্র ২৫০ গ্রাম। একবার চার্জ দিলে; ৮ ঘণ্টা চলে। সাধারণ মোবাইল চার্জারে; অনায়াসে চার্জ দেওয়া যায় পকেট ভেন্টিলেটরে। যেখানে খুশি নিয়ে যাওয়ার; কোনও সমস্যা নেই। ডাঃ মুখোপাধ্যায়ের বিশ্বাস, করোনা সামলাতে; ছোট্ট এই ভেন্টিলেটর অত্যন্ত কাজে দেবে।

কীভাবে কাজ করবে এই ছোট্ট ‘পকেট ভেন্টিলেটর’
পকেট ভেন্টিলেটরের’; দুটো ভাগ রয়েছে। একটি পাওয়ার ইউনিট; অন্যটি মাউথপিস যুক্ত ভেন্টিলেটর ইউনিট। দুটি ইউনিট মুখোশের সঙ্গে; সংযুক্ত রয়েছে। সুইচ-অন হলে বাইরের বাতাস, এই যন্ত্রে মজুত আলট্রা ভায়োলেট চেম্বার দিয়ে; বিশুদ্ধ হয়ে ফুসফুসে যায়। চেম্বারের মধ্যে দিয়ে যাওয়ার সময়; বাতাসে কোনও জীবাণু থাকলেও মরে যায়।

রোগী যখন নিঃশ্বাস ছাড়েন, তখনও একই কায়দায়; বাতাসকে আলট্রা ভায়োলেটে শুদ্ধ করে ছাড়ে এই যন্ত্র। ফলে ডাক্তার-নার্স বা রোগীর আশপাশে থাকা মানুষজনের; কোনও সমস্যা নেই। যন্ত্রটি হাসপাতালে ব্যবহৃত সিপ অ্যাপ (কন্টিনিউয়াস পজিটিভ এয়ারওয়ে প্রেশার) যন্ত্রের; ছোট বিকল্প বলেই জানালেন বাঙালি বিজ্ঞানী।

Please follow and like us:
error

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন