ফের উত্তপ্ত ভাটপাড়া কাঁকিনাড়া চত্বর, এলাকাবাসীর ক্ষোভ পুলিশের বিরুদ্ধে

114
ফের উত্তপ্ত ভাটপাড়া কাঁকিনাড়া চত্বর, এলাকাবাসীর ক্ষোভ পুলিশের ওপর/The News বাংলা
ফের উত্তপ্ত ভাটপাড়া কাঁকিনাড়া চত্বর, এলাকাবাসীর ক্ষোভ পুলিশের ওপর/The News বাংলা

ফের উত্তপ্ত কাঁকিনাড়া। দিনভর শুধু বোমাবাজি। বোমাবাজি থামার নাম নেই এই চত্বরে। কয়েকদিন শান্ত থাকার পর ফের অশান্ত কাঁকিনাড়া-ভাটপাড়া এলাকা। আবার বোমাবাজি চলল রাতভর; মূলত কলাবাগান এলাকাকে কেন্দ্র করে। ইতিমধ্যে মোতায়েন করা হয়েছে পুলিশ। কিন্তু তাও কোন সুরাহা মিলছে না। এই পরিস্থিতিই প্রতিনিয়ত বহন করে চলেছে স্থানীয় বাসিন্দারা। সহ্য করতে হচ্ছে; পুলিশ দুষ্কৃতী দ্বন্দ্বের মাঝে পড়ে এক অসহায়ের জীবন। অতিষ্ঠ সাধারণ মানুষ; ক্ষোভ পুলিশের দিকেই।

রাতভর দফায় দফায় বোমাবাজির ঘটনা ঘটল কাঁকিনাড়ায়। ভাটপাড়া থানার নাকের ডগায় ৪ ও ৫ নম্বর রেল সাইডিং ও ২ নম্বর গলিতে এবং কলাবাগান এলাকায় ব্যাপক বোমাবাজি হয়েছে বলে; দাবি স্থানীয় বাসিন্দাদের। পুলিশ তল্লাসি চালিয়ে; বেশ কয়েকটি তাজা বোমাও; উদ্ধার করেছে বলে জা্না যাচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ পাকিস্তানের সব দাবি খারিজ, কুলভূষণ মামলায় আন্তর্জাতিক আদালতে জয়ের মুখে ভারত

সবমিলিয়ে কাঁকিনাড়া-ভাটপাড়া এলাকায় আতঙ্কের পরিবেশ থামার নাম নেই। পুলিশের লাঠিচার্জে অনেকজন জখমও হয়েছে। এদিন রাত থেকেই বোমাবাজি শুরু হওয়ার পর; এলাকাবাসী ক্ষিপ্ত হয়ে পরে। মোতায়েন করা পুলিশের লাঠিচার্জে জখম হয়; এলাকার কাউন্সিলর গীতা দেবী। বর্তমানে স্থানীয় হাসপাতালে তাঁর চিকিৎসা চলছে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ পুলিশের বিরুদ্ধেই। তাদের অভিযোগ, পুলিশ যদি নিজেদের কাজ ঠিক মত করত; তাহলে দুষ্কৃতীরা অনেকদিন আগেই ধরা পড়ত। কিন্তু পুলিশরা ঠিক মতো কাজ না করে; স্থানীয় বাসিন্দাদের ওপরই লাঠিচার্জ করছে। যারা অপরাধী নয় তাদেরকে মারছে। তাই কাঁকিনাড়া কান্ড দিন দিন বেড়েই চলেছে! থামার নাম নেই!

আরও পড়ুনঃ ভারতের চাপে, পাকিস্তানে গ্রেফতার মুম্বাই হামলার ‘মাস্টার মাইন্ড’ হাফিজ সাঈদ

প্রশাসনের তরফ থেকে প্রচুর পুলিশ মোতায়েন করা হলেও; পরিস্থিতি স্বাভাবিক হচ্ছে না। এলাকাবাসীর দাবী, তারা আবার তাদের সুস্থ জীবনযাপনে ফিরে যেতে চায়। নিত্যদিনের কাজ; স্বাভাবিক ভাবে করতে চায়। আতঙ্ক, মৃত্যুভয় থেকে বেরিয়ে এসে; তারাও রোজ কাজ-কর্মে যেতে চায়।

দীর্ঘ কয়েক সপ্তাহ ধরে চলতে থাকা; এই ভাটপাড়া কাঁকিনাড়া বোমাবাজির পরিস্থিতি; কবে স্বাভাবিক হবে? কবেই বা ধরা পড়বে দুষ্কৃতীরা? এই প্রশ্নের মুখেই গোটা রাজ্য প্রশাসন। এখন বাসিন্দাদের ভরসাও উঠে গেছে পুলিশের ওপর থেকে। প্রশাসনের কাছে তাদের মূল দাবি; পরিস্থিতি স্বাভাবিক স্বাচ্ছন্দ্যে ফিরিয়ে আনা।

Please follow and like us:
error

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন