কর্তৃপক্ষের জবাব সন্তোষজনক নয়, ফের ছাত্র বিক্ষোভে উত্তাল সংস্কৃত পড়ুয়ারা

97
কর্তৃপক্ষের জবাব সন্তোষজনক নয়, ফের ছাত্র বিক্ষোভে উত্তাল বিএইচইউ/The News বাংলা
কর্তৃপক্ষের জবাব সন্তোষজনক নয়, ফের ছাত্র বিক্ষোভে উত্তাল বিএইচইউ/The News বাংলা

কর্তৃপক্ষের জবাব সন্তোষজনক নয়; ফের ছাত্র বিক্ষোভে উত্তাল বিএইচইউ। সংস্কৃতের অধ্যাপক ফিরোজ খানের নিয়োগ ঘিরে ফের উত্তপ্ত হয়ে উঠল বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়। কর্তৃপক্ষের জবাব সন্তোষজনক নয়; এই অভিযোগ তুলে ফের বিক্ষোভ শুরু করে পড়ুয়ারা। এদিন অধ্যাপকদের বিল্ডিং-এ তালা দিয়ে চলে বিক্ষোভ। মুসলিম অধ্যাপককে সংস্কৃত পড়াতে দেওয়া হবে না; এই দাবি তুলে উত্তাল হয়ে ওঠে বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়। দীর্ঘদিন ধরে অধ্যাপককে সংস্কৃত পড়াতে দেওয়া হবে না বলে ধর্না চালিয়ে যায় তারা। পরে কর্তৃপক্ষের আশ্বাসে ২২ নভেম্বর ধরনা কর্মসূচি তুলে নেয় পড়ুয়ারা। কিন্তু তারা যে দাবি জানিয়েছিল; তার সঙ্গে কর্তৃপক্ষের উত্তরের কোনও মিল নেই, তাই তারা পুনরায় একই দাবি নিয়ে প্রতিবাদ শুরু করেছে।

বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়ে ধর্মের কাছে হেরে গিয়েছিল মানবতা; শেষমেষ ধর্মের কাছে; সত্যই মানবতার পরাজয় ঘটে। বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের বিক্ষোভের কাছে; মাথা নত করতে বাধ্য হন ওই বিশ্ববিদ্যালয়েরই সংস্কৃত বিভাগের মুসলিম অধ্যাপক ফিরোজ খান। সংস্কৃত বিদ্যাধর্ম বেদ বিজ্ঞান ছেড়ে; সংস্কৃতেরই অন্য বিভাগে পড়ানোর সিদ্ধান্ত নেন অধ্যাপক ফিরোজ খান।

আরও পড়ুন জীবন চলে যাক, তবুও অনশন জারি থাকবে

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ; আবেদনে সাড়াও দেন। তাই সংস্কৃত বিদ্যাধর্ম বেদ বিজ্ঞান বিভাগের বাইরে; অন্য বিভাগে সংস্কৃত পড়াবেন ফিরোজ খান এমনই সিদ্ধান্ত নেন তিনি। শিক্ষক নিয়োগের ঘটনায়; পড়ুয়াদের বিক্ষোভে বিশৃঙ্ঘলা দেখা দিয়েছিল বিশ্ববিদ্যালয় জুড়ে। ফিরোজ খানকে সরাতে হবে, তাকে সংস্কৃত পড়াতে দেওয়া চলবে না; এই দাবিতেই; অনড় ছিল বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠকের পরেও কাটেনি জট। অহিন্দু শিক্ষককে বিশ্ববিদ্যালয়ে সংস্কৃত পড়ানোর দায়ীত্বভার অপর্ন করায়; ক্ষুব্ধ পড়ুয়ারা জানিয়ে দেয়; তারা অধ্যাপকের বিরুদ্ধে নয়; বা অধ্যাপকের প্রতি কোনও অশ্রদ্ধা জ্ঞাপন করার পক্ষপাতি নয়। কিন্তু একজন অহিন্দু কি করে তাদেরকে তাদের ধর্ম বোঝাবে; তা নিয়ে তাদের চরম আপত্তি রয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা প্রশ্ন তোলে; এই বিষয়ে পড়াতে গেলে তার হিন্দু ধর্ম ও প্রাচীন হিন্দু শাস্ত্র নিয়ে অগাধ জ্ঞ্যান থাকলেই হবে না; তাকে হতে হবে কোনও হিন্দু পণ্ডিত। একজন অহিন্দুর পক্ষে হিন্দু শাস্ত্র পড়ানো অসম্ভব। ফিরোজ খানকে অন্যকোনও ডিপার্টমেন্টে বহাল করার আর্জি জানায় পড়ুয়ারা।

Please follow and like us:
error

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন