ভুটান মোটেও নদীর জল বন্ধ করে নি, ফেক নিউজে কড়া ব্যবস্থা নেবে ভারত সরকার

3754
ভুটান মোটেও নদীর জল বন্ধ করে নি, ফেক নিউজে কড়া ব্যবস্থা নেবে ভারত সরকার
ভুটান মোটেও নদীর জল বন্ধ করে নি, ফেক নিউজে কড়া ব্যবস্থা নেবে ভারত সরকার

তীব্র প্রতিবাদ করেছে ভুটান সরকার ও ভারতের আসাম সরকার। যেভাবে ভারতের সবচেয়ে বিশ্বস্ত প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে; ভারতীয়দের মনে ঘৃণা ছড়ানোর নোংরা চক্রান্ত করছিল; ভারতীয় কিছু হলুদ সংবাদমাধ্যম; তার মুখোশ খুলে দিল একটি দেশ ও একটি রাজ্যের সরকার। ভুটান মোটেও নদীর জল বন্ধ করে নি; ফেক নিউজ ছড়াচ্ছে কারা? তদন্ত শুরু করেছে ভারতীয় স্বরাষ্ট্র দফতর।

আরও পড়ুনঃ রাজীব গাঁধী ফাউন্ডেশনের নামে, চিনের কাছে টাকা খেয়েছে গান্ধী পরিবার

গতকাল থেকেই, একটা খবর; সোশ্যাল মিডিয়ায় বা সামাজিক যোগাযোগ মাধ‍্যমে ঘুরে বেড়াচ্ছে। যে, ভুটান নাকি আসামে আসা; একটা নদীর জল বন্ধ করে দিয়েছে। সেই খবর নিয়ে ভারতীয়দের মধ্যে; অসন্তোষ ছড়িয়ে পরেছে। এর মধ্যেই কিছু রাজনৈতিক দল; এই নিয়ে রাজনীতি শুরু করেছে। যে, ভারত কোন প্রতিবেশীর সঙ্গেই; ভালো সম্পর্ক রাখতে পারছে না। ভারত সরকার কূটনৈতিক ভাবে সম্পূর্ণ ব‍্যর্থ। ইত‍্যাদি…..ইত্যাদি।

আসল ঘটনা কি ? আসল ঘটনা তুলে ধরেছেন ভুটানের অর্থমন্ত্রী শেরিং নামগেইল; এবং তার সত‍্যতা স্বীকার করেছেন আসামের প্রধান সচিব কুমার সঞ্চয় কৃষ্ণা। ভুটান সরকারের তথ্য স্বীকার করেছেন আসামের প্রধান সচিব। আদৌ ঘটনা তা নয়; যা ভাইরাল করে, ভারত ভুটান সম্পর্ক খারাপ প্রমাণ করার চেষ্টা চলছে।

আরও পড়ুনঃ বৈঠকের পরেও গালওয়ান থেকে সরে নি বিশ্বাসঘাতক চিন, ধরা পরে গেল উপগ্রহে

ভুটানের অর্থমন্ত্রী শেরিং নামগেইল জানিয়েছেন; “ভুটান সরকার এবং সাধারণ জনগণ দারুণ চেষ্টা করছে; যাতে ভারতীয় কৃষক বন্ধুরা জল পেতে পারে। আসলে বিগত কয়েকদিন উচু পার্বত‍্য অঞ্চলে, ব‍্যাপক ঝড় বৃষ্টি হ‌ওয়ায়; আশেপাশের বিভিন্ন গাছপালা ইত‍্যাদি জিনিস, নদীর মধ্যে পরে গিয়ে নদীর স্বাভাবিক স্রোত বন্ধ করে দেয়। যার ফলে ভারতে জল যাওয়া আগের তুলনায় কমে যায়। আশা করব এবং প্রার্থনা করব; ব‍্যাপারটি আমাদের ভারতীয় বন্ধুরা বুঝতে পারবেন। পূর্ণদমে তা সরাবার কাজ চলছে”।

আর এই ঘটনাকেই অ্যান্টি-ইন্ডিয়ান মেটেরিয়াল করে; ভুটানের মতো প্রতিবেশির প্রতি বিরূপ মনোভাব তৈরী করতে চাইছে; কিছু পেইড-মিডিয়া। যা একেবারের নিন্দনীয় একটি ঘটনা। ভুটান একটি স্বাধীন দেশ হলেও; ভারত-ভুটানের মধ্যে এক অন‍্য পর্যায়ের সম্পর্ক রয়েছে। কোন বিদেশী রাষ্ট্র যদি ভুটানে হামলা করে; তাহলে ভারত তা নিজের ওপর হামলা ধরে নিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়। যার সর্বশেষ উদাহরণ ডোকলাম ইস‍্যু। এমন সম্পর্ককে যারা কালিমালিপ্ত করতে চাইছে; দেশবাসীর উচিত তাদের চিহ্নিত করা।

Please follow and like us:
error

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন