দুর্গাপুজোর শপিং-এ বাধা না দিতে পিছিয়ে গেল বিজন সেতুর কাজ

138
পুজোর শপিং-এ বাধা না দিতে পিছিয়ে গেল বিজন সেতুর কাজ/The News বাংলা
পুজোর শপিং-এ বাধা না দিতে পিছিয়ে গেল বিজন সেতুর কাজ/The News বাংলা

কথা ছিল পুজোর আগেই শেষ হবে; বালিগঞ্জের বিজন সেতুর স্বাস্থ্য পরীক্ষা। এমনটাই আবেদন করেছিল কেএমডিএ কলকাতা পুলিশের কাছে। কিন্তু পুলিশের মুখে অন্য সুর। অবশেষে লালবাজারের কথাতে; প্ল্যানে বদল আনে কেএমডিএ। তারা জানায় যে; পুজোর পরেই বিজন সেতুর স্বাস্থ্য পরীক্ষার কাজ শুরু হবে। সূত্রের খবর; দুর্গাপুজোর শপিং-এ বাধা না দিতে; ও ব্যপক যানজটের হাত থেকে শহরবাসীকে রেহাই দিতেই এই সিদ্ধান্ত।

সেতুর স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য; আগামী শুক্রবার থেকে সোমবার পর্যন্ত; বালিগঞ্জের বিজন সেতু বন্ধ রাখার প্রস্তাব দিয়েছিল কেএমডিএ। পুজোর আগে ওই চারদিন দক্ষিণ কলকাতার বালিগঞ্জ; কসবায় ব্যপক যানজটের আশঙ্কা করছিল পুলিশ।

আরও পড়ুনঃ সাত বছর পর ভুল বুঝতে পারলেন, দময়ন্তীকে কলকাতায় আনলেন মমতা

গড়িয়াহাট থেকে কসবা হয়ে রুবি মোড়ে যাওয়ার; একমাত্র মাধ্যম বিজন সেতু। অন্যদিকে বাইপাস থেকে কসবা হয়ে গড়িয়াহাট যাওয়ার; প্রচুর যাত্রীবাহী যান চলাচল করে থাকে। লালবাজার সূত্রে খবর; স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য বিজন সেতু বন্ধ করা হলে; বাইপাসগামী সব গাড়ি পার্ক সার্কাস কানেক্টর এবং যাদবপুর থানার সামনে দিয়ে ঘুরিয়ে দেওয়া যেতে পারে। এরজন্য গড়িয়াহাটের সঙ্গে কসবা বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে।

আরও পড়ুনঃ কাশ্মীর ও বিক্রম কতদিন দৃষ্টি ঘুরিয়ে রাখতে পারবে, দেশে চাকরি যাচ্ছে লক্ষ লক্ষ মানুষের

ইতিমধ্যেই পুজোর বাজার শুরু হয়ে গিয়েছে৷ তার উপর সেতুটি চারদিন বন্ধ রাখতে হলে; ট্রাফিক সামলাতে হিমশিম খেতে হবে কলকাতা পুলিশকে৷ এইজন্যই কেএমডিএ; পুজোর আগে বিজন সেতুর স্বাস্থ্য পরীক্ষা স্থগিত করে দিয়েছে।

অন্যদিকে পুলিশ ও কেএমডিএ-র মধ্যে দফায় দফায় বৈঠকের পর; চিংড়িঘাটা উড়ালপুল সোমবার খুলে দেওয়া হয়েছে৷ কলকাতা পুলিশ কেএমডিএ কে চিঠি দিয়ে আবেদন করেছিল; যাতে সোমবার সকালে ব্রিজটি খুলে দেওয়া হয়৷ সেই মত সোমবার সকাল ১১টা নাগাদ ব্রিজটি খুলে দেওয়া হয়।

স্বাস্থ্য পরীক্ষা চলাকালীন যেভাবে বাইপাশে যানজট তৈরি হয়েছে; তাতে চাপ বেড়েছে পুলিশের। আর সে কারণেই কেএমডিএ-কে চিঠি দিয়ে কলকাতা পুলিশ আবেদন করেছিল; বিজন সেতুর কাজ স্থগিত রাখার জন্য। যা মেনে নিয়েছে কেএমডিএ। এর ফলে পুজোর মুখে; ভোগান্তি এড়াল কলকাতাবাসী। হাঁফ ছেড়ে বেঁচেছে; গড়িয়াহাটের দোকান মালিকরা।

Please follow and like us:
error

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন