বিনয় তামাং বনাম বিমল গুরুং, ভোটের আগেই অ’শান্তির আ’শঙ্কা পাহাড়ে, কার দিকে মমতা

691
বিনয় তামাং বনাম বিমল গুরুং, ভোটের আগেই অ'শান্তির আ'শঙ্কা পাহাড়ে, কার দিকে মমতা
বিনয় তামাং বনাম বিমল গুরুং, ভোটের আগেই অ'শান্তির আ'শঙ্কা পাহাড়ে, কার দিকে মমতা

বিনয় তামাং বনাম বিমল গুরুং। ভোটের আগেই অ’শান্তির আ’শঙ্কা পাহাড়ে; কিন্তু এই ল’ড়াইয়ে কার দিকে মমতা? এটাই এখন বড় প্রশ্ন। পুলিশ সূত্রের খবর, এই পরিস্থিতিতে উত্তেজনা বাড়তে পারে; ধরে নিয়েছে পুলিশ কর্তারা। তাই গত বুধবারই, গুরুংয়ের কলকাতায় আসার পরের দিনই; দার্জিলিং রেঞ্জের ডিআইজি অমিত জাভালগি চূড়ান্ত সতর্কবার্তা পাঠিয়েছেন; পাহাড়ের পুলিশ সুপারদের। সেখানে দার্জিলিং এবং কালিম্পংয়ের পুলিশ সুপারকে বলা হয়েছে; ২১ অক্টোবর বিমল গুরুংকে কলকাতায় দেখা গিয়েছে। তিনি সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথাও বলেছেন। তাঁকে ঘিরে পাহাড়ে যাতে; কোনও আইনশৃঙ্খলার সমস্যা দেখা না দেয়; সে দিকে নজর রাখতে হবে।

আরও পড়ুনঃ সহকর্মীর হ’ত্যাকারী ঘুরছে প্রকাশ্যে, মাথায় মামলা থাকলেও হাতে হাত’কড়া পরে অসহায় বাংলার পুলিশ

যাঁরা বিভিন্ন মামলায় ফে’রার, তাঁরা যদি আত্মসমর্পণ করেন; বা পাহাড়ে ফিরে আসেন, সেদিকেও নজর রাখতে হবে। এই সংক্রান্ত প্রতিটি মামলার তথ্য; কেস ডায়েরি তৈরি রাখতে হবে। সহকর্মীর হ’ত্যাকারী ঘুরছে প্রকাশ্যে, মাথায় মামলা থাকলেও; হাতে হাত’কড়া পরে দেখা ছাড়া অসহায় বাংলার পুলিশের কিছু করার নেই। রাষ্ট্রদ্রো’হীতার মামলা রয়েছে যার বিরুদ্ধে; তাকে গ্রেফতার করা গেল না কেন? পুলিশ অফিসার অমিতাভ মালিক-কে হ’ত্যা করার‌ অভিযোগ; রয়েছে তার বিরুদ্ধে। তবু সে বহাল তবিয়তে; ঘুরে বেড়াচ্ছে কলকাতার রাস্তায়।

কি দশা পুলিশের! অমিতাভ মালিক নিয়ে করা কলকাতা পুলিশের পুরনো পোস্টেই; পুলিশের শিরদাঁড়াহীনতার কথা লিখেছেন মানুষ। বিমল গুরুং কাণ্ডে; বাংলার পুলিশের মান সম্মান মর্যাদা সব শেষ; বলছেন আমজনতা। সহকর্মীর খু’নিকে; সামনে পেয়েও কিস্যু করতে পারছেন না পুলিশ কর্মী অফিসাররা।

আরও পড়ুনঃ বিমল গুরুংকে স্বাগত জানাল মমতার তৃণমূল, অমিতাভ মালিকের খু’নি কি শা’স্তি পাবে না

পাহাড়জুড়ে এখন, দুটি সমীকরণ তৈরি হয়েছে। একটা গুরুং সমীকরণ। আর একটা তামাং সমীকরণ। তাই পাহাড়ে অশান্তি অনিবার্য। শুধু বিমলের পা রাখার অপেক্ষা। এই পরিস্থিতিতে যাতে নতুন করে পাহাড়ে আগুন না জ্বলে ওঠে; সেদিকে সতর্ক থাকতে পুলিশ প্রশাসনকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু মমতা এখন কোন দিকে? এটাও বড় প্রশ্ন।

পুলিশের আশঙ্কা যে অমূলক নয়, তার প্রমাণ সোনাদার মিছিলে যেমন মিলেছে; তেমনই পুজোয় দেখা গিয়েছে, দার্জিলিং চকবাজারে লাগানো গুরুংয়ের ছবি সাঁটা পতাকা; উপড়ে ফেলে সেখানে সাধারণ মোর্চার পতাকা ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। সুতরাং অশান্তির মেঘের ঘনঘটা যে আসন্ন; তা বলার অপেক্ষা রাখে না। কিন্তু তার জন্য রাজ্য সরকারই যে দায়ী থাকবে; তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

Please follow and like us:
error

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন