ভোটই দিল না মুসলিমরা, ক্ষোভে সংখ্যালঘু মোর্চাই ভেঙে দিল বিজেপি

3171
ভোটই দিল না মুসলিমরা, ক্ষোভে সংখ্যালঘু মোর্চাই ভেঙে দিল বিজেপি
ভোটই দিল না মুসলিমরা, ক্ষোভে সংখ্যালঘু মোর্চাই ভেঙে দিল বিজেপি

ভোটই দিল না মুসলিমরা; ক্ষোভে সংখ্যালঘু মোর্চাই ভেঙে দিল বিজেপি। ঘটনা অসমে। অসম বিধানসভা নির্বাচনে জিতে; ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি। কিন্তু মুসলিম অধ্যুষিত এলাকার অধিকাংশ বুথে; ২০টিরও কম ভোট পেয়েছেন বিজেপি প্রার্থীরা। ভোট পাওয়ার এই সংখ্যা; এলাকার বুথ কমিটির সদস্যদের থেকেও কম। অর্থাৎ নিজের দলের সদস্যই; ভোট দেয়নি গেরুয়া শিবিরকে। ১২৬টি আসন বিশিষ্ট অসম বিধানসভার জন্য; ৮ জন মুসলিম প্রার্থী দিয়েছিল বিজেপি। তাঁরা প্রত্যেকেই হেরেছেন। লজ্জায় মাথা কাটা গেছে; গেরুয়া শিবিরের। তাই ঢাকঢোল পিটিয়ে তৈরি করা; সংখ্যালঘু মোর্চা তুলেই দিল বিজেপি।

ভোটের ফল প্রকাশের পর, দেখা গিয়েছে; মুসলিম এলাকার অধিকাংশ বুথে; ২০টিরও কম ভোট পেয়েছেন বিজেপি প্রার্থীরা। এই সংখ্যা বুথ কমিটির সদস্যদের থেকেও কম। তারই জেরে এবার; কঠিন সিদ্ধান্ত নিল বিজেপি। একটি বিবৃতিতে রাজ্য সভাপতি রঞ্জিত দাস জানিয়েছেন; “সংখ্যালঘু মোর্চার রাজ্য, জেলা ও মণ্ডল-স্তরের কমিটি ভেঙে ফেলা হচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ নির্বাচন কমিশন ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-কে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে, সংখ্যালঘু এলাকায় বিজয় মিছিল

এবারের বিধানসভা নির্বাচনে, বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোট; পেয়েছে ৭৫টি আসন। কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন মহাজোট জিতেছে; ৫০টি আসনে। একটি আসনে জিতেছেন; জেলবন্দি সমাজকর্মী অখিল গগৈ। যেখানে এনডিএ-র ৮ জন মুসলিম প্রার্থীই হেরেছেন; সেখানে কংগ্রেসের মহাজোটের ৩১ জন প্রার্থী; ভোটে জিতে বিধানসভায় যাচ্ছেন। এদিকে, বিজেপির সংখ্যালঘু মোর্চার মুখতার হোসেন খান বলেছেন; “কেন সংগঠন ভেঙে দেওয়া হল; তা তিনি জানেন না”।

আরও পড়ুনঃ রাম জন্মভূমি অযোধ্যা, বারানসী মথুরায় শোচনীয় হার বিজেপির

২০১৬-র পর ২০২১। উত্তর পূর্ব ভারতের সবচেয়ে বড় রাজ্যে অসমে; আবার ক্ষমতা দখল বিজেপির। একসময়ের কংগ্রেস গড়ে; এখন পদ্ম। এই প্রথম অসমে কংগ্রেসের বাইরে; কোনও দল পরপর দুবার ক্ষমতায় এল। হিমন্ত বিশ্ব শর্মা ২০১৬ বিধানসভার আগে; কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপি-তে যোগ দেওয়ায়; পদ্ম-শিবিরে হাওয়া লাগে। তরুণ গগৈ-এর কংগ্রেসকে হারিয়ে; ক্ষমতায় আসে বিজেপি।

বিজেপি রাজ্য সভাপতি রঞ্জিত দাস জানিয়েছেন; “বহু মুসলিম অধ্যুষিত আসনে; প্রার্থী দিয়েছিলাম। এইসব এলাকার বুথে প্রার্থীরা; ২০টি ভোটও পাননি। যেখানে অনেক বেশি সংখ্যায় রয়েছে; বুথ কমিটির সদস্য। তার মানে কর্মীরা দলের সঙ্গে; বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন। তাই এই সংখ্যালঘু মোর্চা ভেঙে দেওয়া হল”।

Please follow and like us:
error

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন