লক্ষ্য তৃণমূল, মুকুল রায়ের স্ত্রীর শ্রাদ্ধানুষ্ঠানেও হাজির হলেন রাজীব

1739
লক্ষ্য তৃণমূলে ঢোকা, শ্রাদ্ধবাড়িতে খেতেও গেলেন রাজীব
লক্ষ্য তৃণমূলে ঢোকা, শ্রাদ্ধবাড়িতে খেতেও গেলেন রাজীব

লক্ষ্য যেকোন প্রকারে তৃণমূলে ঢোকা; সেই লক্ষ্য সামনে রেখেই এবার শ্রাদ্ধবাড়িতে খেতেও গেলেন বিজেপি নেতা রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। বিজেপির টিকিটে ভরাডুবির পর ফের একবার; তৃণমূলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়ানোর মরিয়া চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন; দলবদলু রাজীব। বৃহস্পতিবার তাঁকে দেখা গেল, উত্তর ২৪ পরগনার বীজপুরে; মুকুল রায়ের স্ত্রীর শ্রাদ্ধানুষ্ঠানেও। মুকুল রায়ের স্ত্রীর শ্রাদ্ধানুষ্ঠানে, রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতি; রাজনীতির অলিন্দে রাজীবের তৃণমূলে ফেরা নিয়ে জল্পনা বাড়াচ্ছে। যদিও মুকুল রায়ের স্ত্রী কৃষ্ণা রায়ের শ্রাদ্ধানুষ্ঠানে, উপস্থিতির সঙ্গে; রাজনীতির যোগ মানতে রাজি হননি রাজীব।

একুশের বিধানসভা নির্বাচনের পর থেকেই; ফের রাজনৈতিক অলিন্দে গুঞ্জন শুরু হয়েছে দলবদলুদের নিয়ে। আর সেই চর্চার মধ্যমণি, হাওড়ার ডোমজুরের পরাজিত বিজেপি প্রার্থী এবং একদা ওই কেন্দ্র থেকেই জিতে; তৃণমূলের বিধায়ক ও মন্ত্রী হওয়া রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। এর আগে মুকুল রায়ের স্ত্রীর মৃত্যুর পরেও; মুকুল রায়ের বাড়িতে গিয়েছিলেন রাজীব। এদিন ফের হাজির তিনি; আর এই নিয়ে ফের শুরু হয়েছে চর্চা।

আরও পড়ুনঃ পুলিশ কমিশনারকে বাবা পরিচয় দিয়ে, বাংলায় এবার ভুয়ো ‘মহিলা পুলিশ’

মুকুল রায়ের বাড়িতে ফের তাঁর উপস্থিতি সম্পর্কে রাজীব বলেন; “মুকুলদাকে অনেকদিন চিনি, বউদির সঙ্গেও পরিচয় ছিল; অনেক কথা হয়েছে। ওনার অসুস্থতার সময়; হাসপাতালে গিয়েছি। আজ এখানে এসেছি; তাঁর আত্মার শান্তি কামনায়”। এর আগে, পার্থ চট্টোপাধ্যায়, কুণাল ঘোষের বাড়িতে গিয়েও; মমতার তৃণমূলে ফেরার সবুজ সংকেত পাননি রাজীব। মুকুল রায় এখন বিজেপিতে থাকলে; তিনি বারবার তাঁর বাড়ি যেতেন কিনা; সেটা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে রাজনৈতিক মহলে।

আরও পড়ুনঃ মমতা চান বিধানসভা উপনির্বাচন, বিজেপির লক্ষ্য পুরসভা নির্বাচন, বাংলার মানুষের দাবি লোকাল ট্রেন

এদিন রাজনীতি নিয়ে; কোনও কথা বলেননি রাজীব। রাজনীতি নিয়ে নিজের নীরবতার ব্যাখ্যা দিয়ে তিনি বলেন; “রাজনীতিতে কখনও কখনও; চুপ করে থাকতে হয়”। তবে মুকুল রায়ের বাড়িতে রাজীব, সব্যসাচী, সুনীল সিংয়ের উপস্থিতিকে; রাজনীতির চশমা দিয়ে দেখতে নারাজ বিরোধী দলনেতা বিজেপি বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, “পারিবারিক, সামাজিক, ধর্মীয় অনুষ্ঠানে; যে কেউ যার খুশী মত নেতার বাড়িতে যেতে পারে; এর সঙ্গে রাজনীতি জড়িয়ে ফেলা উচিত নয়”।

Please follow and like us:
error

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন