শেষ হাসি মমতার, ভবানীপুর উপনির্বাচন আটকাতে পারল না বিজেপি

5098
শেষ হাসি মমতার, ভবানীপুর উপনির্বাচন আটকাতে পারল না বিজেপি
শেষ হাসি মমতার, ভবানীপুর উপনির্বাচন আটকাতে পারল না বিজেপি

শেষ হাসি মমতার, ভবানীপুর উপনির্বাচন; আটকাতে পারল না বিজেপি। বৃহস্পতিবার আদৌ ভোট হবে কিনা ভবানীপুরে; মঙ্গলবার সেটাই জানিয়ে দিল কলকাতা হাইকোর্ট। নির্বাচনী বিজ্ঞপ্তির কিছু অংশে আপত্তি জানিয়ে; একটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়েছিল আদালতে। সেই মামলারই রায়দান; হল মঙ্গলবার সকালে। শুক্রবার ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ; ভবানীপুর উপনির্বাচন নিয়ে রায়দান স্থগিত রেখেছিলেন। মঙ্গলবার কলকাতা হাইকোর্ট জানিয়ে দেয়; ভবানীপুর উপনির্বাচন বৃহস্পতিবারেই হবে। তৃণমূলের পক্ষ থেকে এই রায়; মমতার জয় বলেই মনে করা হচ্ছে।

ভবানীপুর উপনির্বাচনে; শেষ পর্যন্ত আইনি বাধা কাটল। নির্দিষ্ট নির্ঘণ্ট মেনেই; সেখানে বৃহস্পতিবার ভোট হবে। অর্থাৎ আগামী ৩০ তারিখ ভবানীপুরে; ভোট হতে আর কোনও বাধা রইল না। চূড়ান্ত রায়ে এমনই জানিয়ে দিল; কলকাতা হাই কোর্ট। তবে এই মামলায়, জাতীয় নির্বাচন কমিশনকে; জরিমানা করেছেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। পাশাপাশি, নির্বাচন কমিশন এবং বাংলার মুখ্যসচিবের ভূমিকা নিয়ে; তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি রাজেশ বিন্দল এবং বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজ। মামলার পরবর্তী শুনানি; ভোটের পর অক্টোবর মাসে।

আরও পড়ুনঃ দুর্গাপুজোর পরেই ফের ভোট বাংলায়, কোমর বাঁধছে তৃণমূল বিজেপি

রাজ্যে ২টি কেন্দ্রে; বিধানসভা নির্বাচন স্থগিত ছিল। আর পাঁচটি কেন্দ্রে বাকি ছিল; বিধানসভা উপনির্বাচন। কিন্তু নির্বাচন কমিশন মাত্র একটি কেন্দ্রে; উপনির্বাচন ঘোষণা করে; সেটা ভবানীপুর। ভবানীপুরের ভোট আটকাতে; আইনি লড়াইয়ের পথে হেঁটেছিল বিজেপি। কিন্তু আপাতত কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে; ভোট হচ্ছে আগামী বৃহস্পতিবারই। শুধুমাত্র ভবানীপুরে ভোট করাতে; নির্বাচন কমিশনে দরবার করেছিলেন রাজ্যের মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদি; সেই ভূমিকাকে তীব্র কটাক্ষ করেছে আদালত।

শেষ দিনের প্রচারেও, বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি রাজ্য দিলীপ ঘোষ দাবি করেছিলেন; “বিরোধীদের কণ্ঠরোধ করা হচ্ছে; এই পরিস্থিতিতে স্বচ্ছ নির্বাচন হওয়া সম্ভব নয়”। কিন্তু বিজেপির দাবিকে উপেক্ষা করে; ভবানীপুরে উপনির্বাচন করাতে কোনও বাধা নেই; জানিয়ে দিল কলকাতা হাইকোর্ট। “এই জয় মমতার জয়”; জানিয়েছে তৃণমূল নেতারা। “রাজ্যের মুখ্যসচিবের ভূমিকা নিয়ে, কলকাতা হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের লজ্জা পাওয়া উচিত”; পাল্টা দাবি গেরুয়া শিবিরের। মুখ্যসচিবের ইস্তফা দাবি করেছে; বঙ্গ বিজেপি নেতারা।

Please follow and like us:
error

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন