কেন্দ্রীয় সরকারের ‘এমিনেন্ট আর্টিস্ট কোটা’য় পাওয়া, কম ভাড়ার বাড়ি ছাড়তে নির্দেশ শিল্পীদের

1340
কেন্দ্রীয় সরকারের ‘এমিনেন্ট আর্টিস্ট কোটা’য় পাওয়া, কম ভাড়ার বাড়ি ছাড়তে নির্দেশ শিল্পীদের
কেন্দ্রীয় সরকারের ‘এমিনেন্ট আর্টিস্ট কোটা’য় পাওয়া, কম ভাড়ার বাড়ি ছাড়তে নির্দেশ শিল্পীদের

কেন্দ্রীয় সরকারের ‘এমিনেন্ট আর্টিস্ট কোটা’য় পাওয়া; কম ভাড়ার বাড়ি ছাড়তে নির্দেশ শিল্পীদের। বিরজু মহারাজ সমেত ২৭ জন শিল্পীকে; পাঠানো হল কেন্দ্রের নোটিস। তালিকায় রয়েছেন, চিত্রশিল্পী যতীন দাস; সন্তুরবাদক ভজন সোপারি; মোহিনীঅট্টম শিল্পী ভারতী শিবাজীর মতো বিখ্যাত নাম ৷ নোটিসে বলা হয়েছে, চলতি বছরের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে; বাড়ি ছেড়ে দিতে হবে। নোটিসের কাগজে স্পষ্টই লেখা; ‘এক্সটেনশন সম্ভব নয়; তাই বাড়ি ছাড়ুন’। হঠাৎ এরকম এক নোটিস পাওয়ায়, রীতিমতো বিপাকেই পড়েছেন; ৮৩ বছরের প্রবাদপ্রতীম কত্থক শিল্পী বিরজু মহারাজ ৷ তবে তিনিই যে একা, এরকম বাড়ি ছাড়ার নোটিস পেয়েছেন; তা কিন্তু একেবারেই নয় ৷ বিরজু মহারাজ সমেত ২৭ জন প্রবাদপ্রতীম শিল্পীকে; বাড়ি ছাড়ার নোটিস পাঠাল কেন্দ্র ৷

কেন্দ্রীয় সরকারের ‘এমিনেন্ট আর্টিস্ট কোটা’য়; এই শিল্পীরা রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় বাড়ি পেয়েছিলেন; মাসিক ‘লাইসেন্স ফি’-এর বিনিময়ে; যা বাজারের মূল্য থেকে অনেকটাই কম। কুড়ি-তিরিশ বছর বা আরও বেশি সময় ধরে; এখানে থেকে তাঁরা কাজ করছেন। কেন্দ্রীয় নগরোন্নয়ন মন্ত্রকের তরফে বলা হয়েছে; “এঁদের থাকার মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছে; আর তাঁদের ‘এক্সটেনশন’ দেওয়া হবে না”। এই নিয়ে সিদ্ধান্ত পাল্টাতে; প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে চিঠি দিয়েছেন বিরজু মহারাজ ও অন্যান্যরা। তিনি আশা করছেন, প্রধানমন্ত্রী সব দিক বিবেচনা করে; সিদ্ধান্ত নেবেন।

আরও পড়ুনঃ দু মাসে ৭৬ নিখোঁজ শিশু উদ্ধার, ব্যতিক্রমী পদোন্নতি দিল্লি পুলিশের মহিলা কনস্টেবলের

নোটিস পাওয়া ২৭ জন শিল্পীর মধ্যে; সবচেয়ে পুরনো বাসিন্দা ৮৩ বছরের বিরজু মহারাজই।  ১৯৭৮ সাল থেকে তিনি রয়েছেন; দিল্লির শাহজাহান রোডে। এশিয়াড ভিলেজে; যতীন দাস থাকেন ১৯৮৮ সাল থেকে। গোটা ঘটনায় দুঃখিত বিরজু মহারাজের বক্তব্য; “দিল্লিতে যখন অতিমারির প্রবল প্রকোপ চলছে; সেই সময় আমার মতো বয়স্ক মানুষ কী ভাবে বাড়ি খুঁজতে বেরোবে? উচ্ছেদের চিঠি যাঁরা পাঠিয়েছেন, তাঁদের আর একটু সংবেদনশীলতার সঙ্গে; বিবেচনা করা উচিত ছিল”।

যতীন দাস ক্ষোভের সঙ্গে জানিয়েছেন; “আমার দ্বিতীয় কোনও বাসস্থান নেই। এখন রাতারাতি যাব কোথায়”? কুচিপুরি নৃত্যশিল্পী বনশ্রী রাও জানিয়েছেন; “নোটিসের বক্তব্য পড়ে এমনটা মনে হচ্ছে; আমরা যেন বাড়ি দখল করে রেখেছি”। সব মিলিয়ে দিল্লিতে এই উচ্ছেদ নোটিশে; শোরগোল পরে গেছে গোটা দেশেই।

Please follow and like us:
error

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন