প্রতিশ্রুতি পূরণে মানুষের সেবায় চন্দনা, বাংলার এমন ‘গরিব’ বিধায়কই দরকার

1506
কথা না বলে মানুষের সেবায় চন্দনা, বাংলার এমন 'গরিব' বিধায়কই দরকার
কথা না বলে মানুষের সেবায় চন্দনা, বাংলার এমন 'গরিব' বিধায়কই দরকার

কথা না বলে, প্রতিশ্রুতি পূরণে মানুষের সেবায় চন্দনা; বাংলার এমন ‘গরিব’ বিধায়কই দরকার। রাজ্যের সবচেয়ে ‘গরিব বিধায়ক’; ভোটের পরেও মানুষের সেবায় লেগে রয়েছেন। একুশের নির্বাচনে সবাইকে তাক লাগিয়ে; জয়ী হয়েছিলেন বিজেপির সবথেকে দরিদ্র প্রার্থী চন্দনা বাউরি। বাঁকুড়ার শালতোড়ায় হেভিওয়েট তৃণমূল প্রার্থীকে হারিয়ে; প্রথমবার বিধানসভায় সামান্য এক রাজমিস্ত্রীর স্ত্রী। ভোট প্রচারে, এলাকার গরিব মানুষের পাশে দাঁড়ানোর; সংকল্প নিয়েছিলেন তিনি। শুধুই প্রতিশ্রুতি নয়, নিজের কর্তব্য পালন করে চলেছেন; বর্তমান রাজ্য রাজনীতিতে সবথেকে চর্চিত মুখ বিধায়ক চন্দনা বাউরি।

নিজে দারিদ্রের সঙ্গে লড়াই করে; এখন বাংলার বিধায়ক হয়েছেন। তাই সবসময় মানুষের পাশে থাকার অঙ্গীকার করেছেন; শালতোড়ার বিজেপি বিধায়ক চন্দনা বাউরি। তাঁর বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত বিভিন্ন গ্রামে; গরিব মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছেন। বাবা-মা হারানো ৪ অসহায় নাবালকের পাশে; দাঁড়িয়েছেন তিনি। প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, নিজের সাধ্যমতো; সবসময় তাদের পাশে থাকবেন। নিজের হাতে শিশুদের মাস্ক পরিয়েও; দেন তিনি।

আরও পড়ুনঃ আদিবাসী মহিলাকে নগ্ন করে মারধর, ভিডিও ভাইরাল করে ‘সবক’, বাংলার বুদ্ধিজীবীদের মোমবাতি মিছিলটা কোথায়

একুশের বিধানসভা ভোটে জয়ী; এই বিজেপি প্রার্থী নিজে ১০০ দিনের কাজ করেছেন। স্বামীও দিনমজুর। সারাদিন খেটেখুটে; ৪০০ টাকা রোজগার করেন। বিজেপির এই অতি দরিদ্র বিধায়ক; বাঁকুড়া শালতোড়ার একটি প্রত্যন্ত অঞ্চলে কাঁচাবাড়িতে থাকেন। জায়গা জমি বিশেষ নেই। সম্ববল বলতে ছাগল, তিনটি গরু; আর একটি মাটির ভিটেবাড়ি। এবারের ভোটে তিনিই সবচেয়ে গরিব; প্রার্থী বলে চিহ্নিত হন। নির্বাচনী হলফনামায় জানিয়েছিলেন, তাঁর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে রয়েছে; মাত্র ৩১ হাজার ৯৮৫ টাকা।

আরও পড়ুনঃ মুকুল রায়ের টার্গেট ‘ম্যাজিক ২৫’, ঘোর চিন্তায় শুভেন্দু

সেই চন্দনা সম্প্রতি নিজের মাইনে দেখে; বেশ অবাক হয়েছিলেন। তিনি জানতেনই না যে বিধায়কদের; কত টাকা বেতন হয়। মাসের শেষে তাঁর আকাউন্টে, সবমিলিয়ে প্রায় লাখ টাকা ঢুকবে শুনেই; চমকে যান বিধায়ক চন্দনা। স্বামী-স্ত্রীর সারাজীবনের সঞ্চয় ৩২ হাজার টাকা; এবার মাসে মাইনে পাবেন লাখ টাকা। আর তা শুনেই আকাশ থেকে পড়েন; বিধায়ক চন্দনা বাউড়ি। তবে এত টাকা মাইনে পাওয়ার কথা শুনেও; গরিব মানুষের কথাই চিন্তা করে যাচ্ছেন চন্দনা বাউড়ি। এখন গরিব-দুঃস্থদের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ করতেই ব্যস্ত; বাংলার সবচেয়ে গরিব বিধায়ক।

Please follow and like us:
error

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন