বিজেপি নেতা মণীশ শুক্লা খুনের তদন্তে, দুই হেভিওয়েট তৃণমূল নেতাকে জেরা করল CID

5904
বিজেপি নেতা মণীশ শুক্লা খুনের তদন্তে, দুই হেভিওয়েট তৃণমূল নেতাকে জেরা করল CID
বিজেপি নেতা মণীশ শুক্লা খুনের তদন্তে, দুই হেভিওয়েট তৃণমূল নেতাকে জেরা করল CID

বিজেপি নেতা মণীশ শুক্লা খুনের তদন্তে; দুই হেভিওয়েট তৃণমূল নেতাকে জেরা করল CID। দুজনেই বর্তমান পুর প্রশাসক তথা প্রাক্তন চেয়ারম্যান। বৃহস্পতিবারই সিআইডি-র তদন্তকারী আধিকারিকরা; ব্যারাকপুর পুরসভার প্রশাসক উত্তম দাস এবং টিটাগড় পুরসভার প্রশাসক প্রশান্ত চৌধুরীকে তলব করেন। মণীশ শুক্লা খুন হয়ে যাওয়ার পর, তাঁর বাবা যে এফআইআর দায়ের করেছেন; তাতে অভিযুক্ত হিসেবে এই দুজনের নাম ছিল। মণীশ খুনের তদন্তে নেমে সিআইডি; ২৪ ঘন্টার মধ্যেই দুজনকে গ্রেফতার করেছিল। মহম্মদ খুররম নামে এক অভিযুক্তকে গ্রেফতার করার পর; সিআইডি-র দাবি ছিল; সেই এই খুনের মাস্টারমাইন্ড। ব্যক্তিগত রাগের জন্যই; সে খুন করে টিটাগড়ের এই হেভিওয়েট বিজেপি নেতাকে। এর পিছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ছিল না বলে; আগেই দাবি করেছিল পুলিশ।

আরও পড়ুনঃ মমতার মিছিল আর বিজেপির নবান্ন অভিযানে উৎসবের আগেই করোনায় ধুঁকছে রাজ্য, কোপ পড়তে পারে দুর্গা পুজোয়

বৃহস্পতিবার দুপুরে CID-র সামনে হাজিরা দেন; উত্তম দাস ও প্রশান্ত চৌধুরী। মাত্র ৩০ মিনিটের মধ্যে; শেষ হয়ে যায় জিজ্ঞাসাবাদ। যা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে বিজেপি। সাংসদ অর্জুন সিংয়ের দাবি; “মণীশ খুনে অন্যতম চক্রান্তকারী এই দুই তৃণমূল নেতা। তাদের নাম FIR-এ থাকায়; CID নিয়মরক্ষায় তাদের তলব করেছে”।

ওদিকে তৃণমূলের দুই নেতা, উত্তম দাস ও প্রশান্ত চৌধুরী দুজনেই দাবি করেন; “বিজেপি আমাকে ফাঁসানোর চেষ্টা করছে। এই খুনের সঙ্গে আমার কোনও যোগ নেই। CID তলব করেছিল। সাহায্য করেছি। আবার ডাকলে আবার আসব। আমার ভয় পাওয়ার কিছু নেই”।

আরও পড়ুনঃ কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা ইডির নামে তোলাবাজি মামলা, অফিসে তলব করে ৩ সাংবাদিককে জেরা করছে বিধাননগর ডিডি

গত ৪ অক্টোবর সন্ধ্যায় টিটাগড় থানার সামনে; খুন হন বিজেপি নেতা মণীশ শুক্ল। বিজেপির দাবি, তৃণমূল ও পুলিশ হাত মিলিয়ে; এই খুন করিয়েছে। তৃণমূলের পাল্টা দাবি; এই খুনের পিছনে রয়েছে ব্যক্তিগত বিদ্বেষ। ঘটনার পরদিনই তদন্তভার; CID-র হাতে তুলে দিয়েছিল নবান্ন। সিআইডি তদন্ত যত এগিয়েছে; ততই রাজনৈতিক ব্যক্তিদের নাম সামনে এসেছে। উঠে এসেছে বাহুবলিদের নাম।

বিজেপির তরফে প্রথম থেকেই, এই হত্যাকাণ্ডের জন্য; শাসকদল তৃণমূলকেই দায়ী করা হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে, মণীশের বাবার দায়ের করা এফআইআরেও; কয়েকজন স্থানীয় তৃণমূল নেতার নাম ছিল। তবে সিআইডি এখনও পর্যন্ত মূল খুনি; অর্থাৎ শার্পশুটারদের নাগাল পায়নি বলেই জানা যাচ্ছে। তবে সূত্রের খবর, সিআইডি তদন্তকারীরা জানতে পেরেছে; এই হত্যাকাণ্ডের রিমোট কন্ট্রোল ছিল, বিহারের জেলে বন্দি কুখ্যাত এক দুষ্কৃতীর হাতে। কিন্তু বিহারের আসন্ন ভোট ও আইনি জটিলতায়; তাঁকে এখনও হাতে পায়নি সিআইডি।

Please follow and like us:
error

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন