প্রশান্তের নির্দেশে ঈদের শুভেচ্ছাতেও, বড়সড় পরিবর্তন আনলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

2372
প্রশান্তর পরিবর্তন, হিজাব না পরেই এবার ঈদের শুভেচ্ছা জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়/The News বাংলা
প্রশান্তর পরিবর্তন, হিজাব না পরেই এবার ঈদের শুভেচ্ছা জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়/The News বাংলা

পরিবর্তন হচ্ছে চোখের সামনে; দেখা যাচ্ছে তৃণমূলের পরিবর্তন। চোখের সামনে দেখা যাচ্ছে; মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এর পরিবর্তন। হিজাব না পরেই এবার রাজ্যের মুসলমান ধর্মের মানুষদের; ঈদের শুভেচ্ছা জানালেন মমতা। এর আগে প্রতিবারই ঈদের শুভেচ্ছায় মমতার হিজাব পরা ছবি; ফেসবুকে বা টুইটারে এসেছে। এবার তবে কি প্রশান্ত কিশোরের পরামর্শে; হিজাব না পরেই রাজ্যবাসিকে ঈদের শুভেচ্ছা জানালেন মমতা? প্রশ্ন উঠছে।

শেষ ১০ বছরে মমতার মাথায় ঘোমটা ও অন্য হিন্দু ধর্মাবলম্বী তৃণমূল নেতাদের; ফেজ টুপি পরে ঈদের শুভেচ্ছা জানান বা ইফতার পালন নিয়ে কম হইচই হয়নি। মাথায় কাপড় চাপা দিয়ে মমতার ছবি; অথবা ফেজ টুপি পরে মোনাজাতরত অবস্থায় তৃণমূল নেতাদের ছবি নিয়ে; ট্রোল অতি সাধারণ ব্যাপার। এই সব ছবি দিয়েই সোশ্যাল মিডিয়ায়; মমতার ‘সংখ্যালঘু তোষণ’-এর উদাহরণ দেয় বিরোধী দলের কর্মীরা। তবে এবার সেই ছবি দেখা যায় নি।

আরও পড়ুনঃ ঈদের চাঁদ কি খালি চোখেই দেখবে মানুষ, না জোতির্বিজ্ঞানের সাহায্য নেবে

এবার ব্যতিক্রম; না পরিবর্তন? না মমতা হিজাব পরে ইফতার করেছেন; না ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। মমতার পাশাপাশি তৃণমূল নেতারা; না ফেজ টুপি পরে ইফতার করেছেন; না ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। পরিবর্তন মমতা ও তৃণমূলের। সবটাই কি প্রশান্ত কিশোরের নির্দেশে? রাজ্য রাজনীতিতে; ইতিমধ্যেই উঠে গেছে সেই প্রশ্ন।

লোকসভা ভোটের সময়ও হিজাব পরে; রমজানের শুভেছা জানিয়ে; ট্রোল্ড হন যাদবপুরের তৃণমূল সাংসদ মিমি চক্রবর্তী। মমতার হিজাব পড়া নিয়ে; প্রতিবারই জোর তর্কবিতর্ক হয় রাজ্যে। মমতার হিজাব পরাকে; মুসলিম তোষণ বলে কটাক্ষ করেছেন বিরোধীরা। তৃণমূল নেতাদের ফেজ টুপি পরে; ইফতারে অংশগ্রহণও বিভিন্ন সময়ে ভাইরাল হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ বাংলায় মুখোশ খুলল জোম্যাটোর, ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত পেয়ে ধর্মঘটে নামলেন কর্মীরা

এই মুসলিম তোষণের অভিযোগ; যে লোকসভা ভোটে বিজেপির ভোট বহুগুণ বাড়িয়েছে; এমনটাই মনে করে রাজনৈতিক মহল। বাংলায় বিজেপির ১৮টি আসন পাওয়ার প্রধান কারনই যে; মমতার বিরুদ্ধে মুসলিম তোষণের অভিযোগ তা প্রমাণও হয়ে গেছে।

তবে এবার আর সেই ছবি দেখা যায়নি। ধর্ম নিয়ে বিতর্কিত ছবি থেকে নিজেদের সরিয়ে কি; হিন্দুদের মনে ফের জায়গা করে নিতে চান মমতা ও তৃণমূল নেতারা? উঠে গেছে প্রশ্ন।

Please follow and like us:
error

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন