পুজোর পরেই বাংলা জুড়ে পুরভোটের ইঙ্গিত মুখ্যমন্ত্রী মমতার, যত দোষ লোকাল ট্রেনের

4577
পুজোর পরেই বাংলা জুড়ে পুরভোটের ইঙ্গিত মুখ্যমন্ত্রী মমতার, যত দোষ লোকাল ট্রেনের
পুজোর পরেই বাংলা জুড়ে পুরভোটের ইঙ্গিত মুখ্যমন্ত্রী মমতার, যত দোষ লোকাল ট্রেনের

পুজোর পরেই বাংলা জুড়ে পুরভোটের ইঙ্গিত মুখ্যমন্ত্রী মমতার; যত দোষ লোকাল ট্রেনের, বলছে আমজনতা। ২০২০ সালে পুরনির্বাচন হওয়ার কথা থাকলেও; করোনার কোপে তা হয়ে ওঠেনি। এখন রাজ্যের করোনার পরিস্থিতি; অনেকটাই ভাল। বিধানসভা ভোটও মিটে গিয়েছে; এমনকি উপ-নির্বাচনও হচ্ছে। এবার চলতি বছরের শেষেই, হতে পারে সেই বন্ধ হয়ে থাকা পুরভোট; শনিবার এমনই ইঙ্গিত দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নবান্নে এদিন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বললেন; “অক্টোবরের শেষে উপনির্বাচন মিটলে; অন্যান্য ভোটের ব্যবস্থাও তো করতে হবে”। তাঁর এই মন্তব্য বেশ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই; মনে করছে বাংলার রাজনৈতিক মহল।

সেপ্টেম্বরের ৩০ তারিখ, ভবানীপুরের উপনির্বাচন; এবং মুর্শিদাবাদের দুই কেন্দ্রে নির্বাচন মিটেছে। অক্টোবরের ৩০ তারিখ, বাকি থাকা শান্তিপুর, খড়দহ, গোসাবা ও দিনহাটার; উপনির্বাচনের দিন ঘোষণা করা হয়েছে। সেই ভোট মিটলেই, রাজ্যে ফের নির্বাচনের দামামা; বাজতে পারে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। বিরোধীরা বহুদিন থেকেই; রাজ্যে পুরভোট না হওয়া নিয়ে সরব। এ প্রসঙ্গে এদিন নবান্নে; সেই ইঙ্গিতই দিলেন; মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

আরও পড়ুনঃ ‘নিজের গদি বাঁচাতে ৫০ লক্ষ মানুষকে জলে ডুবিয়েছেন দিদিমণি’, বিস্ফোরক শুভেন্দু

নবান্নের সাংবাদিক সম্মেলন থেকে এদিন; রাজ্যে পুরসভা নির্বাচনের ইঙ্গিত দেন মমতা। তিনি বলেন, “পুজোর সময় কাউকে বিরক্ত করবেন না; পুজোও হবে আবার ভোটও হবে। কিন্তু পুজোর আনন্দের সময়; ভোটের প্রচার করবেন না। কমিশনের কাছে আবেদন করব; যাতে ১০-২০ অক্টোবর প্রচার না হয়”। এরপরই তিনি বলেন, “এই ভোট মিটলে; অন্যান্য ভোটেরও ব্যবস্থা করতে হবে”।

প্রায় ৩ বছরের দীর্ঘ অপেক্ষার পর অবশেষে; বহু প্রতীক্ষিত পুরসভা নির্বাচনের ইঙ্গিত পাওয়া গেল মুখ্যমন্ত্রীর গলায়। ২০২০ সালেই রাজ্যের একাধিক পুরসভায়; ভোট হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু করোনা পরিস্থিতির জেরে, ভোট করা যায়নি; বলেই দাবি রাজ্য সরকারের। এই নিয়ে জল গড়িয়েছিল, আদালত পর্যন্তও; কিন্তু ভোট হয়নি। ২০১৮ সালেই রাজ্যের বেশিরভাগ পুরসভার; মেয়াদ ফুরিয়ে গিয়েছে।

তবে এই নিয়ে বিজেপি নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন; “এটা সরকারে প্রধান মাননীয়া; কী ভাবে বলতে পারেন? রাজ্য নির্বাচন কমিশনের এক্তিয়ারে থাকা; জিনিসগুলো মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করে দিচ্ছেন। এটা কি সুস্থ গণতন্ত্রের লক্ষণ”? রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে; এভাবে পঙ্গু করে দেওয়ার লক্ষ্যটা কী”।

Please follow and like us:
error

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন