পাড়ায় চপ-তেজেভাজার দোকান করলেই খোঁজ রাখবেন মমতা

1229
পাড়ায় চপ-তেজেভাজার দোকান করলেই খোঁজ রাখবেন মমতা/The News বাংলা
পাড়ায় চপ-তেজেভাজার দোকান করলেই খোঁজ রাখবেন মমতা/The News বাংলা

পাড়ায় চপ-তেজেভাজার দোকান করলেই; খোঁজ রাখবেন মমতা। এমনিতেই রাজ্যে দিদির চপ শিল্প নিয়ে; কম হাসাহাসি হয় না। দেশে শিল্প নেই; চাকরি নেই, চপের দোকান দিয়েই এবার রোজগার করতে হবে; এমন ব্যঙ্গ হামেশাই শোনা যায় বেকারদের মুখে। শুধু কি তাই; ফেসবুকে বাংলার চপ শিল্প নিয়ে কম ট্রোল হয়নি। অনেক বেকার ছেলে মেয়েকেই চপ শিল্প নিয়ে পোস্ট দিতে দেখা গিয়েছে।

তাদের পোস্টে বড় বড় হরফে লেখা; সরকার রাজ্যে শিল্প আনতে পারুক না পারুক; কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করুক না করুক, তবে চপ শিল্প রমরমিয়ে চলছে। এবার সবাইকেই চাকরি না পেলে চপের দোকান খুলেই বসতে হবে; বলে কটাক্ষ ছুঁড়ে দেয় তারা। এবার সেই চপ তেলেভাজা দিয়েই; একুশের বিধানসভা নির্বাচনের আগে; ঘর গোছাতে শুরু করেছে তৃণমূল।

আরও পড়ুন: কান্তির চিঠি মুখ্যমন্ত্রীকে, মমতার সম্মান নিয়ে প্রশ্ন তুললেন সূর্য

বৃহস্পতিবার মুর্শিদাবাদে প্রশাসনিক বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী। প্রশাসনিক কর্তাদের কাছ থেকে; জেলার পরিস্থিতির খবর নেন। সরকারি প্রকল্পের কাজ কি রকম চলছে তাও জানতে চান। এরপরেই হঠাৎ এক পুলিশ কর্তাকে মমতা জিজ্ঞেস করে বসেন; লালগোলায় কি ভাল তেলেভাজার দোকান আছে। যদি আছে তাহলে খোঁজ নিতেও বলেন মুখ্যমন্ত্রী।

এমনিতেই তেলেভাজা যে মুখ্যমন্ত্রীর বড়ই পছন্দের খাবার; তা মোটের ওপর গোটা রাজ্যের মানুষ ভালই জানেন। এর আগেও; লোকসভা ভোটের আগে জনসভা করতে গিয়ে; মুখ্যমন্ত্রীকে চপের দোকানে ঢুকে তেলেভাজা কিনতে দেখা গিয়েছে। শুধু কি তাই; নিজে সকলকে চা করেও খাইছেন।

যদিও চা আর তেলেভাজা একসঙ্গে খাওয়ার দৃশ্য সামনে আসেনি। যাইহোক; এদিন সিরিয়াস প্রশ্ন উত্তরের মাঝে রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধানের এমন প্রশ্নে ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে যান পুলিশ কর্তা। পুলিশ কর্তা জানান; থানার সামনেই ভাল তেলেভাজার দোকান আছে। এখানেই শেষ নয়; এরপরেই ভাল বড়ির বড়া কোথায় পাওয়া যায়; পুলিশ কর্তার কাছ থেকে জানতে চান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

পুলিশ কর্তা জানান; থানার পাশের দোকানেই ভাল বড়া পাওয়া যায়। এদিন মুখ্যমন্ত্রী পুলিশ কর্তাকে নির্দেশ দেন; রাজ্যে কোথায় ভাল বড়া; চপ এসব তেলেভাজার দোকান আছে খোঁজ নিতে। সেই ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়তেই শুরু হয় বিতর্ক। তবে মুখ্যমন্ত্রীর এমন কৌতুহল থেকে তেলেভাজার পাশাপাশি; বড়াও যে তৃণমূল সুপ্রমোর অতি সাধের সেই তথ্য জানা গেল।

একেই তো বিরোধীরা চপ শিল্প নিয়ে; এতদিন কটাক্ষ করে গেছে রাজ্য সরকারকে। এদিন মুখ্যমন্ত্রীর পুলিশ কর্তাদের এমন নির্দেশ দিতে দেখে যে তারা নতুন করে একহাত নেবে শাসকদলকে; তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই। আর বেকাররা সোশ্যাল মিডিয়ায় ফের চপ শিল্প ও বেকারত্ব নিয়ে সোচ্চার হবে।

Please follow and like us:
error

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন