গোটা বিশ্বের জিডিপি শুন্যের নিচে নামিয়ে, একমাত্র পজিটিভ চিন

1263
গোটা বিশ্বের জিডিপি শুন্যের নিচে নামিয়ে, একমাত্র পজিটিভ চিন/The News বাংলা
গোটা বিশ্বের জিডিপি শুন্যের নিচে নামিয়ে, একমাত্র পজিটিভ চিন/The News বাংলা

গোটা বিশ্বের জিডিপি শুন্যের নিচে নামিয়ে; একমাত্র জিডিপি পজিটিভ চিন। ১৮৭০ সালের পর, বিশ্ব অর্থনীতিতে এত বড় আঘাত আসেনি; বলে নিজেদের রিপোর্টে জানিয়েছে বিশ্ব ব্যাঙ্ক। এই বছর করোনা মহামারীর জেরে বিশ্ব অর্থনীতি; ৫.২ শতাংশ সংকুচিত হবে বলে জানিয়েছে তারা। এটি গত আশি বছরের মধ্যে; সবচেয়ে ভয়ানক রিসেশন। কিন্তু সামগ্রিক ভাবে যত দেশ আর্থিক মন্দার কবলে পড়বে; গত ১৫০ বছরে তার কোনও নজির নেই; বলে জানিয়েছে বিশ্ব ব্যাঙ্কের গ্লোবাল ইকনমিক প্রসপেক্টস রিপোর্ট। কিন্তু আসল রিপোর্ট দাঁড়াল তার চেয়েও ভয়ঙ্কর। চিন ছাড়া বিশ্বের প্রায় সব দেশের জিডিপি-ই নেমে গেছে শুন্যের নিচে।

আরও পড়ুনঃ স্বাধীন ভারতে ‘লজ্জার রেকর্ড’ মোদী সরকারের, দেশের GDP চলে গেল মাইনাসে

ভারতে GDP মাইনাস ২৩.৯ শতাংশ। চলতি অর্থবর্ষে প্রথম ত্রৈমাসিকে; জিডিপি পড়ল রেকর্ড হারে। এমন অভূতপূর্ব ঘটনা, গত ৪০ বছরে দেখা যায়নি দেশে। সোমবার জাতীয় পরিসংখ্যান অফিস (এনএসও); এই রিপোর্ট প্রকাশ করেছে। সেখানে বলা হয়েছে, এই মুহূর্তে দেশের জিডিপি; মাইনাস ২৩.৯ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। শুধু ভারতে নয়; জি ৭ দেশগুলির জিডিপি মাইনাসের নিচে চলে গেছে। একমাত্র চিন ছাড়া।

জাপানের জিডিপি মাইনাস ৭.৬। জার্মানির জিডিপি মাইনাস ১০.১। কানাডার জিডিপি মাইনাস ১২। ইতালির জিডিপি মাইনাস ১২.৪। ফ্রান্সের জিডিপি মাইনাস ১৩.৮। ইউকে-র জিডিপি মাইনাস ২০.৪। ভারতের জিডিপি মাইনাস ২৩.৯। আমেরিকার জিডিপি সবচেয়ে খারাপ; মাইনাস ৩২.৯। কিন্তু গোটা বিশ্বে করোনা ছড়িয়ে; একমাত্র শুন্যের উপরে জিডিপি চিনের, ৩.২। কি করে সম্ভব? সেটাই বুঝে উঠতে পারছে না; বাকি বিশ্বের নেতারা।

আরও পড়ুনঃ রাষ্ট্রপতি হবার বিরোধীতা করেছিলেন মমতা, অর্থমন্ত্রী প্রণব রাজ্যকে দিয়েছিলেন ২০ হাজার কোটি টাকা

করোনার আঘাতে; গোটা বিশ্বের অর্থনীতি এখন ধুঁকছে। কবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে; আর অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড পুরোদস্তুর সচল হবে; তার কোনে ঠিক নেই। জিডিপি বৃদ্ধি দূরে থাকুক; দেশগুলো তাদের জিডিপি শুন্যের উপরেই রাখতে পারছে না। আর সেখানেই ভেলকি দেখালো চিন। ডিসেম্বরের শেষ দিকে; দেশটিতে প্রথম করোনার সংক্রমণ শুরু। এরপর বিভিন্ন প্রদেশে; কড়া লকডাউন আরোপ করে সরকার। ব্যবসা-বাণিজ্য, কারখানা সহ বন্ধ হয়ে যায়; সমস্ত অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড। এ কারণে জানুয়ারি থেকে মার্চ এই তিন মাসে, চিনের জিডিপি ৬.৮ শতাংশ কমে গিয়েছিল; যা ১৯৬০-এর দশকের পর সর্বনিম্ন।

মার্চ থেকে চিনে করোনা পরিস্থিতির; উন্নতি ঘটতে শুরু করে। এপ্রিলে তুলে নেওয়া হয় লকডাউন; খুলে দেওয়া হয় শিল্প কারখানাগুলো। পরিসংখ্যান বলছে, এর ফলে শেষ প্রান্তিক, অর্থাৎ, জুন পর্যন্ত তিন মাসে; চিনের অর্থনীতি তিন দশমিক দুই শতাংশ বেড়েছে। তাই চিনের জিডিপি এখন ৩.২। আর বাকি সব দেশ এখনও; মাইনাসের নিচে।

Please follow and like us:
error

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন