করোনা হাসপাতাল মেডিক্যালে কেলেঙ্কারি, বয়েজ হস্টেলে আটকে রেখে ছাত্রীকে ধর্ষণ ডাক্তারের

6825
করোনা হাসপাতাল মেডিক্যালে কেলেঙ্কারি, বয়েজ হস্টেলে আটকে রেখে ছাত্রীকে ধর্ষণ ডাক্তারের
করোনা হাসপাতাল মেডিক্যালে কেলেঙ্কারি, বয়েজ হস্টেলে আটকে রেখে ছাত্রীকে ধর্ষণ ডাক্তারের

করোনা হাসপাতাল; কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে কেলেঙ্কারি। অভিযোগ, বয়েজ হস্টেলে আটকে রেখে; এক ছাত্রীকে ধর্ষণ এক ডাক্তারের। হাসপাতালের এক চিকিৎসকের বিরুদ্ধে; বৌবাজার থানায় ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করেছেন সেখানকারই এক ডাক্তারি পড়ুয়া ছাত্রী। অভিযুক্ত ডাক্তারের বিরুদ্ধে; ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩৭৬ (ধর্ষণ); ৫০৬ (ভয় দেখানো); ৩২৩ (আঘাত করা) এবং ৪১৭ (প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ) ধারায়; মামলা দায়ের করা হয়েছে। তবে ৩১ জুলাই করা ওই এফআইআরের ভিত্তিতে; মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত পুলিশ অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেনি।

কলকাতারই বাসিন্দা ওই তরুণীর দাবি; বছর দুয়েক আগে মেডিক্যাল কলেজে; প্রথম বর্ষে পড়ার সময়ে, তাঁর সঙ্গে পরিচয় হয় অভিযুক্ত ডাক্তারের। তাঁদের একটা সম্পর্ক তৈরি হয়। মেডিক্যাল কলেজে ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিটের; দায়িত্বপ্রাপ্তদের একজন ওই অভিযুক্ত ডাক্তার। তরুণীর অভিযোগ, “ওই চিকিৎসকের সঙ্গে; একাধিক মহিলার সম্পর্ক রয়েছে। আমি ওই সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসতে চাইলে; প্রভাব খাটিয়ে আমার চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্ন শেষ করে দেওয়ার ভয় দেখান তিনি”। আরও অভিযোগ, “ব্যক্তিগত মুহূর্তের ছবি; ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকিও দেন ওই চিকিৎসক। পরে মেডিক্যাল কলেজের বয়েজ হস্টেলের ঘরে; তাঁকে ধর্ষণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ তরুণীর।

আরও পড়ুনঃ স্বাধীনতার পরে বাংলা থেকে কেন্দ্রীয় নেতা হাতে গোনা, প্রণব মুখোপাধ্যায় মন্ত্রী থেকে রাষ্ট্রপতি

সোমবার এসএসকেএমে; অভিযোগকারিণীর শারীরিক পরীক্ষা করিয়েছে পুলিশ। বুধবার আদালতে; তাঁর গোপন জবানবন্দি দেওয়ার কথা। অভিযোগকারিণীর দাবী; “কলকাতার বাসিন্দা হওয়ায়; তাঁর হস্টেল পাওয়ার কথাই নয়। তবু প্রভাব খাটিয়ে মেডিক্যাল কলেজের, দশতলা বয়েজ হস্টেলের ছ’তলার একটি ঘরে; তাঁর থাকার ব্যবস্থা করে দেন ওই চিকিৎসক। তিনি থাকতেন একতলায়”। তরুণীর আরও অভিযোগ; “গত মার্চের শেষে টানা তিন দিন; হস্টেলে নিজের ঘরে তাঁকে বন্ধ রেখে ধর্ষণ করেন অভিযুক্ত। শেষে পুলিশে জানানোর হুমকি দিলে; তিনি ছাড়া পান বলে দাবি।

অভিযুক্ত চিকিৎসক বলেন; “আমার বদনাম করতেই; এই অভিযোগ করা হয়েছে”। তরুণীর আইনজীবী দিব্যেন্দু ভট্টাচার্য বলেন; “শিক্ষা ক্ষেত্রে বা কর্মক্ষেত্রে এই ধরনের অভিযোগ প্রায়ই শোনা যায়। উচ্চ পদমর্যাদার কারও বিরুদ্ধে; অনেকেই মুখ খোলার সাহস করতে পারেন না। এই ছাত্রীর অভিযোগ অত্যন্ত গুরুতর”। কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের অধ্যক্ষ, মঞ্জু বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন; ‘‘বিষয়টি জানি না। খোঁজ নিয়ে দেখব’’।

Please follow and like us:
error

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন