জোটে জট, ২৯৪ এ ১৩০ সঙ্গে বামেদের জেতা সিট, কংগ্রেসের দাবিতে ক্ষুব্ধ সিপিএম

1404
জোটে জট, ২৯৪ এ ১৩০ সঙ্গে বামেদের জেতা সিট, কংগ্রেসের দাবিতে ক্ষুব্ধ সিপিএম
জোটে জট, ২৯৪ এ ১৩০ সঙ্গে বামেদের জেতা সিট, কংগ্রেসের দাবিতে ক্ষুব্ধ সিপিএম

জোটে জট। ঠিক ২০১৬ র মতই। ২৯৪ আসনের মধ্যে; নিজেদের জন্য ১৩০ টা আসন চাইল কংগ্রেস। সেই সঙ্গে আছে বামেদের কয়েকটা জেতা সিট; ও কলকাতার কয়েকটা আসন। কংগ্রেসের এই দাবিতে ক্ষুব্ধ সিপিএম। বাংলা বিধানসভা ভোটের আর মাত্র ২ মাস বাকি। সম্ভবত গোটা এপ্রিল জুড়েই ভোট। ফলে সময় খুব বেশি বাকি নেই। কিন্তু বাম-কংগ্রেসের জোটের জটিলতা; এখনও কাটল না। জোট নিয়ে দফায় দফায় আলোচনা চললেও; আসন সমঝোতার ফর্মুলা এখনও বের করতে পারেনি বাম ও কংগ্রেস নেতৃত্ব। সূত্রের খবর, এরই মধ্যে রাজ্যের ২৯৪টি বিধানসভা কেন্দ্রের মধ্যে; ১৩০টিতে লড়তে চেয়ে বামেদের কাছে তালিকা পাঠিয়েছে কংগ্রেস।

এর মধ্যে আছে, গত বিধানসভায় বামেদের কয়েকটা জেতা সিট। কলকাতার কয়েকটা আসন আছে; যা কংগ্রেসকে ছেড়ে দিতে একদমই রাজি নয় সিপিএম। সূত্রের দাবি, বামেদের জেতা আসনের এই তালিকায় আছে; মালদার গাজোল, উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাট উত্তর, পশ্চিম বর্ধমানের দুর্গাপুর পূর্ব এবং বাঁকুড়ার ছাতনা বিধানসভার নাম। ২০১৬ বিধানসভা ভোটে, মমতা ঝড়ের মধ্যেও; এই ৪টি আসনে জয়ী হয়েছিল বামেরা। কংগ্রেস ওই সিট গুলি দাবি করায়; জোটে জট বেঁধেছে সেখানে।

আরও পড়ুনঃ “১৬ ই ফেব্রুয়ারি ব্যানার্জি পরিবারে ফুটবে পদ্ম”, হুঁশিয়ারি দিলেন শুভেন্দু অধিকারী

সূত্রের দাবি, সিপিএমকে পাঠানো কংগ্রেসের তালিকায়; কলকাতার ৬টি গুরুত্বপূর্ণ আসন আছে। যার মধ্যে আছে, মুখ্যমন্ত্রীর নির্বাচনী কেন্দ্র ভবানীপুর; পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমের নির্বাচনী কেন্দ্র কলকাতা বন্দর; পঞ্চায়েত মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের নির্বাচনী কেন্দ্র বালিগঞ্জ ও বিদ্যুৎমন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচনী কেন্দ্র রাসবিহারীর মতো গুরুত্বপূর্ণ বিধানসভা কেন্দ্র।

আরও পড়ুনঃ মমতার সভায় গরহাজির তৃণমূল বিধায়ক, অমিত শাহের সভায় দল বেঁধে বিজেপি যোগ

জানা গেছে, এছাড়াও উত্তর ২৪ পরগনার ৩৩টির মধ্যে ১৭টি; মুর্শিদাবাদের ২২টি আসনের মধ্যে ১৮টি আসন চেয়েছে কংগ্রেস। এই পরিস্থিতিতে জট কাটাতে; সোমবার ফের বৈঠকে বসেন; বাম ও কংগ্রেস নেতারা। আগামী ২৮ জানুয়ারিও ফের বৈঠক হবে। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী বলেছেন; “৫ বছর আগে যে পরিস্থিতি ছিল; এখন রাজনৈতিক পরিস্থিতি পাল্টেছে। আমরা একটা আলোচনার প্রস্তাব দিয়েছি, আলোচনা হবে; আমরা তো অনমনীয় নয়, যে দিতেই হবে”।

সিপিএমের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সুজন চক্রবর্তীর বক্তব্য; “আমাদের মূল লক্ষ্য; তৃণমূল এবং বিজেপিকে হারানো। যে যেখানে জেতার মতো পরিস্থিতিতে আছে; সেখানে তাদেরই লড়া উচিত। কোনও বিষয়ে, কোনও পক্ষেরই; অনমনীয় হওয়া উচিত নয়। আলোচনার মাধ্যমে সব সমাধান হবে”।

Please follow and like us:
error

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন