কাটমানির দাবিতে মানুষ, তৃণমূল বিজেপি সংঘর্ষ ছড়িয়ে পরছে জেলায় জেলায়

146
কাটমানির বিতর্কিত দাবিতে তৃণমূল বিজেপি সংঘর্ষ চলছে এখনও/The News বাংলা
কাটমানির বিতর্কিত দাবিতে তৃণমূল বিজেপি সংঘর্ষ চলছে এখনও/The News বাংলা

কাটমানি কেলেঙ্কারি; আর তারপর তৃণমূল কর্মী পূর্ণেন্দু চট্টোপাধ্যায়ের খুনকে কেন্দ্র করে; পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। এই খুনের তদন্ত শুরু করতে গেলে; পুলিশের ওপর স্থানীয় বাসিন্দারা চড়াও হয়। আক্রান্ত হয় অনেক এলাকাবাসীও। গতকাল থানায় বিক্ষোভ দেখিয়েছিল; মৃতের পরিবার সহ তৃণমূল কর্মীরা। তারপর পুলিশ গ্রেফতার করে; ৫ জন বিজেপি কর্মীকে।

তৃণমূল বিজেপি সংঘর্ষে; উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় বর্ধমানের নীলপুরে। মৃতের বাড়ির গেটে টাঙিয়ে দেওয়া হয়; ‘কাটমানি ফেরতের ব্যানার’। এই ব্যানার ছড়িয়ে পরে; গোটা সোশ্যাল মিডিয়ায়। বিক্ষোভে এলাকাবাসীর পাশাপাশি জখম হয়; বেশ কিছু পুলিশও। কাটমানি কেলেঙ্কারি; ছড়িয়ে পরছে জেলায় জেলায়।

আরও পড়ুনঃ Breaking News; ভারত সরকারের চাপে নীরব মোদীর ২৮৩ কোটি টাকার সুইস ব্যাঙ্ক আকাউন্ট বন্ধ হল

কাটমানির বিতর্কিত দাবিতে; এখন সরগরম মেদিনীপুরও। কাটমানি কান্ডের এই জটিল পরিস্থিতি; ধীরে ধীরে ছড়িয়ে পরছে রাজ্যের বিভিন্ন জেলাগুলিতে। পরিস্থিতি সামলাতে; অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে; তৃণমূল নেতাদের বাড়ি বাড়ি।

৫৫ বছর বয়সী তৃণমূল কর্মী পূর্ণেন্দু চট্টোপাধ্যায় এর খুনকে কেন্দ্র করে; কাটমানি ঘটনা যেভাবে মোড় নিয়েছে; তাতে তৃণমূল বিজেপি সংঘর্ষ; আরও জটিলতর হতে চলেছে। কাটমানি ফেরতের দাবিতেই; এই বিক্ষোভ শুরু হয়। বিক্ষোভ দেখান এলাকাবাসীর একাংশ।

আরও পড়ুনঃ মি টু আন্দোলনে আবারও প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ

আবাস যোজনায় বাড়ি তৈরীর ক্ষেত্রে; ৩০ হাজার টাকা কাটমানি নেওয়ার অভিযোগ ওঠে পূর্ণেন্দুবাবুর বিরুদ্ধে। এলাকাবাসীরা অভিযোগ জানানোর সময়; তিনি বাড়ি ছিলেন না। তাই সেইসময় পূর্ণেন্দুবাবুকে না পেয়ে; বিক্ষোভকারীরা তার বাড়ির গেটে তালা লাগিয়ে দেয়। এমনকি বাড়ির দেওয়ালে পোস্টারও লাগানো হয়; কাটমানি ফেরতের দাবিতে।

ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে; পরিবার ও তৃণমূলের পক্ষ থেকে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। প্রতিবাদ জানিয়ে থানায় বিক্ষোভও দেখান তারা। এই পরিস্থিতির কারণ হিসেবে রাজ্যের শাসকদল; বিজেপিকেই দায়ি করেছে তৃণমূল।

আরও পড়ুনঃ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ রক্ষার দায় বামেদের নেই

বিজেপির দিকে তোলা অভিযোগ; অস্বীকার করেছে জেলা বিজেপি নেতারা। জেলার বিজেপি সভাপতি সন্দীপ নন্দী জানিয়েছেন, “বিজেপি এই ধরণের কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকে না। ওই এলাকায় বিজেপির কোনো সংগঠন নেই। বিজেপিকে বদনাম করার জন্যই এই অপপ্রচার করছে শাসক দল”।

Please follow and like us:
error

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন