‘ডিএ সরকারি কর্মীদের আইনগত অধিকার নয়’, কলকাতা হাইকোর্টে ফের ‘ব্যাখ্যা’ রাজ্যের

10400
‘ডিএ সরকারি কর্মীদের আইনগত অধিকার নয়’, কলকাতা হাইকোর্টে ফের ‘ব্যাখ্যা’ রাজ্যের
‘ডিএ সরকারি কর্মীদের আইনগত অধিকার নয়’, কলকাতা হাইকোর্টে ফের ‘ব্যাখ্যা’ রাজ্যের

‘ডিএ সরকারি কর্মীদের আইনগত অধিকার নয়’; কলকাতা হাইকোর্টে ফের ‘ব্যাখ্যা’ রাজ্যের। ডিএ মামলায় বা মহার্ঘ ভাতা মামলায়; আবারও হাইকোর্টের প্রশ্নের মুখে পড়তে হল রাজ্য সরকারকে। কেন্দ্রীয় সরকারের সমান হারে, রাজ্য সরকারি কর্মীদের; ডিএ দেওয়া যাচ্ছে না কেন? কেনই বা ডিএ দেওয়ার ভিত্তি, অল ইন্ডিয়া কনজিউমার প্রাইস ইনডেক্স (AICPI); রাজ্যের পক্ষে মানা সম্ভব হচ্ছে না? বৃহস্পতিবার কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি সৌমেন সেনের ডিভিশন বেঞ্চে; এমনই কড়া প্রশ্নের মুখে পড়তে হয় রাজ্য সরকারকে। তারই উত্তরে, রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল; এই মন্তব্য করেন।

এই প্রথমবার নয়, এর আগেও হাইকোর্টে একই প্রশ্নের সম্মুখীন; একাধিকবার হতে হয়েছিল রাজ্যকে। এমনকী যে ট্রাইবুনালে, মূল ডিএ মামলার শুনানি হয়েছিল; সেখানেও একই প্রশ্ন ওঠে। ডিএ বা মহার্ঘ ভাতা যে সরকারি কর্মীদের প্রাপ্য; সেখানেই উল্লেখ করা হয়। যা নিয়ে রাজ্যের দায়ের করা রিভিউ পিটিশনের ভিত্তিতে; বিচারপতি সৌমেন সেনের ডিভিশন বেঞ্চ জানতে চায়; কেন কেন্দ্রের হারে ডিএ দেওয়া হচ্ছে না?

রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল, কিশোর দত্ত মন্তব্য করেন; “ডিএ সরকারি কর্মচারীদের; আইনসঙ্গত অধিকার নয়”। কিশোরবাবু বলেন, “রাজ্য ক্ষমতা অনুযায়ী টাকা দিচ্ছে; আমাদের হিসাব অনুযায়ী ধাপে-ধাপে ১২৫ শতাংশ ডিএ দেওয়া হয়েছে। বাকিটা নিয়েই আলোচনা চলছে; রাজ্য আবেদন করেছে। সেই আবেদন অনুযায়ী, আদালত কী পদক্ষেপ করে; তারপর বাকিটা নিয়ে আলোচনা চলবে”।

আরও পড়ুনঃ হঠাৎ কি হল ‘চাণক্য’ মুকুল রায়ের, অসংলগ্ন কথা, ভর্তি হাসপাতালে

ডিএ মামলায় এবার একটা, হেস্তনেস্ত হবেই; এমন ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে হাইকোর্ট সূত্রে। কারণ আদালত ঠিক করেছে, আগামী ১৪ এবং ১৫ সেপ্টেম্বর; টানা দুদিন এই ডিএ মামলার শুনানি করবে হাইকোর্ট। অর্থাৎ একটা বিষয় মোটামুটি স্পষ্ট, আদালত খুব শীঘ্রই; এই মামলা শেষ করতে চাইছে। যে মামলা দীর্ঘ কয়েকবছর ধরে; চলছে হাইকোর্টে।

মঙ্গলবারও ডিএ মামলার শুনানি চলাকালীন; আদালতের কড়া প্রশ্নের মুখে পড়েছিল রাজ্য। চারিদিকে লক্ষীর ভাণ্ডারে যেভাবে টাকা দেওয়া হচ্ছে; সেই পরিপ্রেক্ষিতে রাজ্যকে বকেয়া ডিএ মামলায়; হাইকোর্টে ১ কোটি টাকা জমা রাখার আবেদন করেন; মামলাকারীর আইনজীবী। তার পরিপ্রেক্ষিতে, বিচারপতি সৌমেন সেন ও বিচারপতি হিরণ্ময় ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চের বক্তব্য; “রাজ্য কোথায় যাবে; যা দেওয়ার রাজ্যকে দিতেই হবে”।

Please follow and like us:
error

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন