নিত্যযাত্রী হকারদের দাবিতে সিলমোহর, লোকাল ট্রেন চালু করতে রাজ্যকে চিঠি কেন্দ্রের

1266
নিত্যযাত্রী হকারদের দাবিতে সিলমোহর, লোকাল ট্রেন চালু করতে রাজ্যকে চিঠি কেন্দ্রের
নিত্যযাত্রী হকারদের দাবিতে সিলমোহর, লোকাল ট্রেন চালু করতে রাজ্যকে চিঠি কেন্দ্রের

নিত্যযাত্রী ও হকারদের দাবিতে; সিলমোহর দিতে চলেছে ভারতীয় রেল। লোকাল ট্রেন চালু করতে; রাজ্যকে চিঠি দিল কেন্দ্র। লোকাল ট্রেন চালু করতে; কেন্দ্রের কোনও অসুবিধে নেই। চাই রাজ্যের সবুজ সঙ্কেত। সবই তো চলছে, সবই খোলা; তাহলে লোকাল ট্রেন কেন নয়? এমনটাই বলছিলেন বিক্ষুব্ধরা। এবার হয়ত, তাঁদের ইচ্ছেতেই; সিলমোহর পড়তে চলেছে। চিঠিতে রাজ্যকে জানানো হয়েছে; লোকাল ট্রেন চালু করতে কেন্দ্রের কোনও অসুবিধে নেই। চাই রাজ্যের সবুজ সঙ্কেত। পুজোর আগেই কি চলবে; লোকাল ট্রেন? উঠে গেছে প্রশ্ন।

আরও পড়ুনঃ লোকাল ট্রেন চালুর জন্য মুখ্যমন্ত্রীকে বিরোধীদের চিঠি, বিক্ষোভে নিত্যযাত্রী ও হকাররা

লকডাউনের শুরু থেকেই; করোনা পরিস্থিতির কারণে; গত ২৫ মার্চ থেকে বন্ধ রেলওয়ে পরিষেবা। বাংলায় ছয় মাসের বেশি বন্ধ; লোকাল ট্রেন। এদিকে খুলে গেছে; অফিস, শপিং মল, মেট্রো রেল। পুজোর বাজারের জন্য জনসমাগম বেড়েই চলেছে; গড়িয়াহাট হাতিবাগান ও নিউ মার্কেট চত্বরে। এবার, লোকাল ট্রেন চালু করার দাবিতে; জেলার মানুষদের মধ্যে বিক্ষোভ শুরু হয়েছে। কারণ বহু মানুষ কর্মহীন হয়ে পড়েছে; লোকাল ট্রেন না চলার জন্য। লোকাল ট্রেন পরিষেবা চালু করার দাবিতে; মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি দিয়েছে; বাম ও কংগ্রেসের মত বিরোধী দলগুলোও।

সব থেকে সমস্যায় পড়েছেন; গ্রামীণ মানুষেরা; যারা প্রতিদিন শহরে আসতেন উপার্জন করতেন। বিশেষ করে যে সব মহিলারা; যারা বাড়ির পরিচারিকা-সহ বিভিন্ন ছোটখাট কাজ করে দিন গুজরান করতেন। হাওড়া শিয়ালদহ সহ বিভিন্ন লোকাল ট্রেন লাইনের; হকারদের অবস্থা তথৈবচ। তাঁরাও চান, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব; লোকাল ট্রেন চালু করুক রাজ্য সরকার। কারণ করোনাতে বেঁচে গেলেও; পরিবারসহ তাঁরা অভাবে মারা পড়বেন বলে দাবি।

আরও পড়ুনঃ কালনায় আদিবাসী গৃহবধূকে গণধর্ষণ, চুপ রাজ্য প্রশাসন, সত্য চাপার অভিযোগ পুলিশের বিরুদ্ধে

কলকাতার উপকন্ঠের যে মানুষগুলো; এখনও চাকরিতে টিকে আছেন; তাঁরা কোনরকমে বাসের উপর ভরসা করে চাকরী বাঁচাচ্ছেন। কিন্তু প্রতিদিনের বাস ভাড়া গুনতে; তাদের নাভিশ্বাস উঠছে। তাঁর সঙ্গে আছে; করোনা সংক্রমণের আশঙ্কাও। যাতায়াতের জন্য আগে, যেখানে খরচ হত ২৫-৩০ টাকা; এখন সেটা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৫০-২০০ টাকায়। পেটের তাগিদে বহু মানুষ; ৪০-৫০ কিলোমিটার সাইকেল চালিয়ে শহরে আসছে প্রতিদিন।

মে মাসে প্রথমে কেন্দ্র; পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য ট্রেন চালায়। তারপর সাধারণ মানুষের জন্য; ধাপে ধাপে পথে নামে কিছু বিশেষ ট্রেন। কিন্তু লোকাল ট্রেন নিয়ে; রাজ্য-কেন্দ্র কোনও সিদ্ধান্তেই আসতে পারেনি। বাড়তে থাকে বিক্ষোভ। সোনাপুর, পাণ্ডুয়া, হুগলি-সহ নানা জায়গায়; লোকাল ট্রেনের দাবিতে বিক্ষোভ সামাল দিতে যথেষ্ট বেগ পেতে হয় আরপিএফ-কে। এবার মানুষের ক্ষোভ নিরসন করতেই; উদ্যোগ নিল কেন্দ্র। এখন লোকাল ট্রেন চলা না চলা; সবটাই নির্ভর করছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের উপর।

Please follow and like us:
error

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন