বাবুলের কাছে ক্ষমা চায়নি দেবাঞ্জনবল্লভ, ফেক প্রোফাইলে কারসাজি

161
বাবুলের কাছে ক্ষমা চায়নি দেবাঞ্জনবল্লভ, ফেক প্রোফাইলে কারসাজি/The News বাংলা
বাবুলের কাছে ক্ষমা চায়নি দেবাঞ্জনবল্লভ, ফেক প্রোফাইলে কারসাজি/The News বাংলা

তাহলে কি সবটাই মিথ্যে? অসুস্থ মাকে সামনে রেখে সবটাই কি সাজানো ঘটনা? এমনটাই দাবি করছে; যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় কাণ্ডের অভিযুক্ত ছাত্র দেবাঞ্জন। অতিবাম সংগঠনের কর্মী দেবাঞ্জন বল্লভ চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে; কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়কে নিগ্রহের অভিযোগ উঠেছিল। শনিবার সেই অভিযোগ মেনে নিয়ে; ক্ষমা চেয়ে দেবাঞ্জনের নামে একটি পোস্ট ভাইরাল হয়। সবাই মনে করেন তাঁর মায়ের ও পরিবারের কথা ভেবেই এই সিদ্ধান্ত।

কিন্তু রবিবার রাতেই সব দিনের আলোর মতোই পরিষ্কার হতে গেল দেবাঞ্জনের ফেসবুক পোস্টে। সে দাবি করে এর আগে কোন পোস্ট করে তিনি ক্ষমা চায়নি মন্ত্রীর কাছে। সবটাই সাজানো; বিজেপিদের চক্রান্ত।

আরও পড়ুনঃ অভিযোগ নয়, ক্যান্সার আক্রান্ত মায়ের অনুরোধ রাখলেন বাবুল সুপ্রিয়

দেবাঞ্জন জানায়; বিজেপির দলীয় কর্মীরা দফায় দফায় তার বাড়িতে হানা দেয়। তার পরিবারের সবাইকে উত্তক্ত করে। তার অসুস্থ মাকে ভয় দেখায় তার ভবিষ্যৎ নিয়ে। বিজেপিদের জেরার মুখে পড়েন দেবাঞ্জনের বাবাও। সূত্র থেকে জানা গিয়েছে; বাধ্য হয়ে তারা নিজের বাড়িতেই বন্দির মতো দিন কাটাছে।

শনিবার সকালে দেবাঞ্জনের মাকে হাত জোড় করে ছেলের হয়ে ক্ষমা চাইতে দেখা যায় একটি ভিডিওতে। দেবাঞ্জনের মা অসুস্থ; বর্তমানে ক্যান্সার আক্রান্ত। ভাইরাল হওয়া ভিডিওর পরিপ্রেক্ষিতে বাবুল টুইট করে আশ্বাস দিয়েছিলেন; যে ছেলের কোনো ক্ষতি তিনি হতে দেবেন না।

গোটা নেট দুনিয়া সহ সারা দেশজুড়েই কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়েছেন সবাই। কিন্তু সবটাই যে বিজেপির আইটি সেলের কারসাজি তা জানতে বাকি নেই কারোর। নিজের দোষ ঢাকতেই এই রাস্তা ধরেছিলেন কেন্দ্রীয় বিজেপি মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়; এমনটাই মনে করছে রাজ্যের রাজনৈতিক মহল।

ইউনাইটেড স্টুডেন্ট ডেমোক্রেট ফ্রন্টের কর্মী দেবাঞ্জন লেখে; “আমি কখনো ক্ষমা চাইনি; না কখনো চাইবো। ফ‍্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলন দীর্ঘজীবী হোক। সমস্ত গনতন্ত্র প্রিয় মানুষ কে বাবুল সুপ্রিয় তথা সংঘ পরিবারের বিশ্ববিদ্যালয়ে জনবিরোধী কাজকর্মের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর জন্য লাল সেলাম”।

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে; কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়কে; ঘেরাও করে রাখে একদল পড়ুয়া। সেই ঘটনায় উত্তপ্ত হয় রাজ্য রাজনীতি। স্বয়ং রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড় নিজে চলে যান বিশ্ববিদ্যালয়ে। আর দেবাঞ্জনের ছবি ভাইরাল হয়; কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়র চুল ধরে টানার ছবি সহ।

Please follow and like us:
error

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন