‘এক দেশ এক আইন’, অভিন্ন দেওয়ানি বিধির পথে দেশ

2097
'এক দেশ এক আইন', অভিন্ন দেওয়ানি বিধির পথে দেশ
'এক দেশ এক আইন', অভিন্ন দেওয়ানি বিধির পথে দেশ

‘এক দেশ এক আইন’; অভিন্ন দেওয়ানি বিধির পথে দেশ। দ্রুত দেশে অভিন্ন দেওয়ানি বিধির প্রয়োজনীয়তাকে; সমর্থন করল দিল্লি হাইকোর্ট। শুক্রবার অভিন্ন দেওয়ানি বিধি বিষয়টি নিয়ে, কেন্দ্রকে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে; দিল্লি হাইকোর্টের তরফে। মীনা সম্প্রদায়ের মানুষের ক্ষেত্রে, ১৯৫৫ সালের ‘হিন্দু বিবাহ আইন’ কার্যকর হবে কিনা; এই সমস্যার সম্মুখীন হবার পরে, দিল্লি হাইকোর্ট মনে করছে; দেশে অভিন্ন দেওয়ানি বিধির প্রয়োজন আছে। তারপরেই দেওয়া হয়; মোদী সরকারকে নির্দেশ। ২০২৪ লোকসভা ভোটের আগে, অভিন্ন দেওয়ানি বিধি লাগু করলে; অনেকটাই সুবিধা পাবে গেরুয়া শিবির।

বিচারপতি প্রতিভা এম সিংয়ের পর্যবেক্ষণ; বিভিন্ন সম্প্রদায়ের পার্সোনাল ল’-এর মধ্যে যে পার্থক্য আছে; তার জেরেই বিভিন্ন বিষয় গড়াচ্ছে আদালতে। বিয়ে, বিবাহবিচ্ছেদ এবং অন্যান্য বিষয় নিয়ে, সমস্যায় পড়ছেন বিভিন্ন ধর্ম; জাত ও বর্ণের মানুষরা। সম্পত্তি নিয়ে বাড়ছে জটিলতা। দিল্লি হাইকোর্ট জানিয়েছে, ভারতীয় সংবিধানের ৪৪ নম্বর ধারায়; যে অভিন্ন দেওয়ানি বিধির কথা বলা আছে; তাতে জোর দিযেছে সুপ্রিম কোর্টও।

আরও পড়ুনঃ মোদী সরকারের ১ লক্ষ কোটি টাকার উপহার, ধর্না গুটিয়ে বাড়ির পথে কৃষকরা

অভিন্ন দেওয়ানি বিধি সকলের জন্য; একইরকম হবে। বিয়ে, বিবাহবিচ্ছেদ, উত্তরাধিকার সংক্রান্ত যাবতীয় বিষয়ে; গোটা দেশে থাকবে একইরকম নীতি। তার ফলে, বিভিন্ন পার্সোনাল ল’য়ের কারণে; সমাজে যে দ্বন্দ্ব এবং বৈপরীত্য তৈরি হয়; তা বন্ধ হবে। অন্যদিকে দেশে অভিন্ন দেওযানি বিধি চালু করার পক্ষে; দীর্ঘদিন ধরে সওয়াল করে আসছে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ এবং বিজেপি।

আরও পড়ুনঃ বাবা-মাকে বৃদ্ধাশ্রমে পাঠানো যাবে না, কড়া আইন লাগু করতে চলেছেন হিমন্ত বিশ্ব শর্মা

১৯৯৮ সাল থেকে, বিজেপির ইস্তাহারেও থাকছে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি। আগামী বছরের শুরুতে পাঁচ রাজ্যের নির্বাচনের আগে; বিজেপি তথা সঙ্ঘ পরিবারের অন্দরে পুরোদস্তুর আলোচনা শুরু হয়েছে; দেশে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি চালু করা নিয়ে। বিজেপি বিরোধীদের ধারণা; মুসলিমদের তিন তালাক রদ; সেই অভিন্ন নীতির প্রথম ধাপ। তবে বিষয়টি নিয়ে, ধীরে চলো নীতি নিয়েছে; কেন্দ্র সরকার। এরই মধ্যে দিল্লি হাইকোর্টের, এই রায়ের ফলে; দেশে অভিন্ন দেওয়ানি বিধির রাস্তা পরিষ্কার হল। দিল্লি হাইকোর্টের এদিনের সিদ্ধান্ত, মোদী সরকারের হাত শক্ত করল; মনে করছে রাজনৈতিক মহলও।

Please follow and like us:
error

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন