পুজোর কটা দিন চুপচাপ ঘুরে আসুন, দেখুন কোথায় যাবেন, কি দেখবেন

397
মুর্শিদাবাদ পর্ব-২/The News বাংলা
মুর্শিদাবাদ পর্ব-২/The News বাংলা

ভ্রমণপিপাসু বাঙালির উড়ুউড়ু মন পাখনা মেলতে শুরু করে দিয়েছে। কিন্তু কোথায় যাবেন ভেবে পাচ্ছেন না আপনি? আচ্ছা; আপনি কি ইতিহাস ভালবাসেন? ঐতিহ্য বা ভাস্কর্যে আপনি মুগ্ধ হন? তাহলে আপনি পুজোতে যাচ্ছেন তো মুর্শিদাবাদ ঘুরতে? ‘The News বাংলার’ নজরে দুই পর্বে দেখে নিন; মুর্শিদবাদের কোন কোন জায়গা; অবশ্যই থাকবে আপনার লিস্টে। পর্ব-২ঃ

ফর্হাবাগ ও রোশনীবাগ: ভাগীরথীর পশ্চিম তীরে ডাহাপাড়া গ্রামে রোশনীবাগ উদ্যান। এটি নবাব সুজাউদ্দিনের সমাধিস্থল। এত বড় সমাধি মুর্শিদাবাদে আর নেই। রোশনীবাগে নবাবরা আলোক উৎসব করতেন। রোশনীবাগের কিছুটা উত্তরে ফর্হাবাগ বা সুখকানন। ফর্হাবাগ ও রোশনীবাগের স্থাপত্য নির্মাণ করেন সৌন্দর্যের পূজারি নবাব সুজাউদ্দিন।

এবার পুজোয় চুপচাপ ঘুরে আসুন মুর্শিদাবাদ, দেখুন প্রথম পর্ব

ইমামবাড়া মদিনা: এই বিখ্যাত স্থাপত্যশিল্পের নির্মাতা নবাব সিরাজউদদৌলা। ইমামবাড়ার মাঝখানে মদিনা। কথিত আছে, ছয় ফুট গর্ত করে মদিনায় মক্কার মাটি এনে তা ভরাট করা হয়েছিল। এটি একটি গম্বুজাকৃতি মসজিদ। মসজিদের চারপাশে বারান্দা আছে। চীনা ও ওলন্দাজি রঙিন টালিতে সাজানো দেওয়াল আপনাকে মুগ্ধ করবেই।

ইমামবাড়া মদিনা/The News বাংলা
ইমামবাড়া মদিনা/The News বাংলা

খোশবাগ: ভাগীরথীর পশ্চিম তীরে একটি উদ্যান। নবাব আলিবর্দি তাঁর জননীর সামাধির জন্য এই উদ্যান নির্মাণ করেন। এখানেই আলিবর্দি খাঁ, সিরাজদদৌলা, লুতফরন্নেসার সমাধি আছে।

আরও পড়ুনঃ কম খরচে দেশ ভ্রমণ করুন, ভারত সেবাশ্রম সংঘের সাহায্যে

হাজারদুয়ারি: ইতালীয় স্থাপত্যের আদলে নির্মিত হাজারদুয়ারি। এটি নির্মাণ করেন নবাব নাজিব হুমায়ুন। ১৮২৯ সালে এই হাজারদুয়ারির নির্মাণকাজ শুরু হয়। আর শেষ হয় ১৮৩৭ সালে। ৫১৮ একর জমির ওপর হাজারদুয়ারি নির্মিত। এর পূর্বদিকে বেগমমহল, কিল্লার। মধ্যস্থলে হাজারদুয়ারি। প্রবেশদ্বারে ৩৬টি সিঁড়ি আছে। মধ্যে রয়েছে গোলাকৃতি একটি দরবার হল। নবাবদের সিংহাসন, অস্ত্র, ১৭ জন নবাবের তৈলচিত্র এখানে সংরক্ষিত আছে।

হাজারদুয়ারি/The News বাংলা
হাজারদুয়ারি/The News বাংলা

কী ভাবে যাবেনঃ হাজারদুয়ারি এক্সপ্রেস; গৌড় এক্সপ্রেস বা লালগোলা এক্সপ্রেসের মতো বেশ কিছু ট্রেন রয়েছে মুর্শিদাবাদ যাওয়ার। বাসেও যাওয়া যায়।

কোথায় থাকবেনঃ বহরমপুর কিংবা লালবাগে বেশ কিছু হোটেল রয়েছে; পর্যটকদের থাকার জন্য। এছাড়া বহরমপুর রেলস্টেশনের কাছেই; পশ্চিমবঙ্গ পর্যটন উন্নয়ন নিগমের ট্যুরিস্ট লজ রয়েছে। হাজারদুয়ারির কাছে রয়েছে সরকারি ইয়ুথ হস্টেলও। পিডব্লিউডি রেস্ট হাউস আর পৌর অতিথি নিবাসেও থাকার ব্যবস্থা রয়েছে।

Please follow and like us:
error

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন