এবার পুজোয় চুপচাপ ঘুরে আসুন মুর্শিদাবাদ, দেখুন প্রথম পর্ব

430
এবার পুজোয় মুর্শিদাবাদ/The News বাংলা
এবার পুজোয় মুর্শিদাবাদ/The News বাংলা

কদিন পরই দুর্গাপূজো। প্যান্ডেল তৈরি থেকে নতুন জামাকাপড়; পুজোর ব্যস্ততা তুঙ্গে এখন। আর ভ্রমনপিপাসুরা কাজকর্মে ফাঁক পেলেই খুঁজে নিচ্ছে; তাদের মনের মতো বেড়াতে যাওয়ার জায়গা। ভ্রমণপিপাসু বাঙালির উড়ুউড়ু মন; পাখনা মেলতে শুরু করে দিয়েছে। কিন্তু কোথায় যাবেন; ভেবে পাচ্ছেন না আপনি?

আপনি কি ইতিহাস ভালবাসেন? ঐতিহ্য বা ভাস্কর্যে আপনি মুগ্ধ হন? তাহলে তো এই পুজোতে আপনাকে ঘুরে আসতেই হচ্ছে মুর্শিদাবাদ। The News বাংলার নজরে; দুই পর্বে দেখে নিন; মুর্শিদবাদের কোন কোন জায়গা অবশ্যই থাকবে আপনার লিস্টে। পড়ে নিন প্রথম পর্ব।

পর্ব-১ কাটরা মসজিদ: শহরের পূর্বদিকে এক কিলোমিটার দূরে ১৭২৩ খ্রিস্টাব্দে এই মসজিদ নির্মাণ করেন মুর্শিদকুলি খাঁ। ১০ ফুট উঁচু ভিতবিশিষ্ট বেদির ওপর ১৭০ বর্গফুটবিশিষ্ট বর্গাকৃতি মুর্শিদাবাদের সর্ববৃহৎ এবং সুপ্রাচীন এই মসজিদ। ১৪টি সিঁড়ি ভেঙে উঠতে হয় বেদিতে। সিঁড়ির নিচে একটি ক্ষুদ্র প্রকোষ্ঠে মুর্শিদকুলি খাঁর সমাধি। কালো পাথরের খিলান যুক্ত এই মসজিদের নির্মাণকৌশল আপনাকে বিস্মিত করতে বাধ্য।

কাটরা মসজিদ/The News বাংলা
কাটরা মসজিদ/The News বাংলা

আরও পড়ুনঃ পুজোর কটা দিন চুপচাপ ঘুরে আসুন, দেখুন কোথায় যাবেন, কি দেখবেন

জাহানকোষা: কাটরা মসজিদের পূর্বদিকে অদূরেই; গোবরনালার ধারে জাহানকোষা কামানটি রয়েছে। এখানেই মুর্শিদকুলি খাঁর কামান রাখা হতো। জাহানকোষা কামানের ওজন ২১২ মণ। লম্বায় ১২ হাত। প্রস্থে ৩ হাত। ৩০ কিলো বারুদ লাগত এই কামান দাগতে। এই কামানের নির্মাতা ছিলেন বাংলাদেশের ঢাকার বিখ্যাত শিল্পী জনার্দন কর্মকার।

আরও পড়ুনঃ কম খরচে দেশ ভ্রমণ করুন, ভারত সেবাশ্রম সংঘের সাহায্যে

মোতিঝিল: মোতিঝিল মুর্শিদাবাদের অন্যতম আকর্ষণ। হাঁসুলির মতো এই ঝিলের পাড়েই; নওয়াজেশ খান ১৭৪৩ খ্রিস্টাব্দে ‘সাংহীদালান’ প্রাসাদটি নির্মাণ করেন। মোতিঝিল প্রাসাদ ও সামাধিগুলো সাত বিঘা ১২ কাঠা জমির ওপর অবস্থিত। প্রাসাদটি ৫০ ফুট লম্বা, ৪০ ফুট চওড়া এবং উচ্চতায় ২৫ ফুট। প্রবেশপথ দিয়ে ঝিলের জল স্পর্শ করা যেত। মোতিঝিলের প্রবেশমূল্য মাত্র ২০ টাকা।

মোতিঝিল/The News বাংলা
মোতিঝিল/The News বাংলা

ফুটি মসজিদ: মুর্শিদাবাদের হাজারদুয়ারি থেকে মাইলখানেক দূরে; কুমারপুরে নবাব সরফরাজ খান মসজিদটি নির্মাণ করেন। মসজিদটির দৈর্ঘ্য ও উচ্চতা; যথাক্রমে ১৩৫ ফুট ও ৪০ ফুট। আয়তনে এই মসজিদ মুর্শিদাবাদের অন্যতম বৃহৎ মসজিদ। মসজিদের চারকোণে চারটি মিনার রয়েছে।

Please follow and like us:
error

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন