ইউরোপীয় ভাস্কর্যে মোড়া ধান্যকুড়িয়া গ্রাম, ভ্রমণ প্রিয় বাঙালির আদর্শ গন্তব্য

400
ইউরোপীয় ভাস্কর্যে মোড়া ধান্যকুড়িয়া গ্রাম, ভ্রমণ প্রিয় বাঙালির আদর্শ গন্তব্য/The News বাংলা
ইউরোপীয় ভাস্কর্যে মোড়া ধান্যকুড়িয়া গ্রাম, ভ্রমণ প্রিয় বাঙালির আদর্শ গন্তব্য/The News বাংলা

বাংলার উত্তর ২4 পরগনায় আছে; এমনই একটি সুন্দর ঘোরার জায়গা। বসিরহাটের উত্তর-পূর্ব দিকে কলকাতা থেকে ৫৫ কিলোমিটার দূরে টাকি রোড; সেখানে ধান্যকুড়িয়া নামে একটি গ্রাম আছে। যা বাংলার দূর্গের গ্রাম নামে পরিচিত।

ধান্যকুড়িয়া গ্রামের অন্যতম আকর্ষণ হল; “গেন দূর্গ”। যা মহেন্দ্রনাথ গেন তৈরী করেন। ১৯৬০ সালে পশ্চিমবঙ্গ সরকার; এর রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব নেয়। বর্তমানে জায়গাটি ভগ্ন বলে মনে হলেও; এর প্রাচীনত্ব উপভোগ করার মতো। এখানে আছে ধনুকের মতো বাঁকানো; বিভিন্ন রকমের বারান্দা। দূর্গের সামনের অংশে ও চারপাশের দেওয়ালে আঁকা রয়েছে ভাস্কর্য।

আরও পড়ুনঃ সংকটে কর্ণাটকের জোট সরকার, প্রস্তুতিপর্ব শুরু গেরুয়া শিবিরে

‘নাজার মিনার’ নামে আরও একটি সৌধ রয়েছে। যার চারদিকে চারটি উঁচু পিলার; মাঝখানে মুসলিম আঙ্গিকে তৌরী একটি ঘর। এছাড়া এখানকার স্কুল ও আশ্রমগুলিও প্রাচীন আর্কিটেকচার অনুযায়ী নির্মিত।

মনজিত্‌ গেন ব্রিটিশ পৃষ্ঠপোষকতায়; সেই কাঠামোয় বাগানবাড়ি তৈরী করেন; যা ঘুরে দেখার মতো। সেখানে আছে পুজোর দালান সহ; আরও অনেক কিছু। এছাড়াও আছে সাও জমিদার বাড়ি; ও বাগানবাড়ি। যেখানে অসাধারণ কিছু কাঁচের ভাস্কর্য রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ কম খরচে দেশ ভ্রমণ করুন, ভারত সেবাশ্রম সংঘের সাহায্যে

সাম্প্রতিক প্রকাশিত ঐতিহাসিক স্থানসমূহের বাংলা: ১৭৫৭-১৯৪৭ অনুসারে; ধান্যকুড়িয়া সুন্দরবনের অংশ; যা পুরু জঙ্গল ও লবণাক্ত জলে পূর্ণ ছিল। তারপর ধীরে ধীরে বিভিন্ন ব্যবসায়ীদের আগমনের ফলে গাছপালা ও অর্থ সমৃদ্ধি বৃদ্ধি পায়। বর্তমানে তা একটি পর্যটন কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে।

বাণিজ্য সমৃদ্ধ এই স্থান মধ্য প্রাচ্য ইউরোপীয় স্থাপত্য দ্বারা প্রভাবিত হয়ে বড়ো বড়ো মন্দির, জমিদার বাড়ি, বাগানবাড়ির মতো দৃষ্টি আকর্ষক জিনিসে ভরপুর। যার মধ্যে বল্লভ জমিদার বাড়ি অন্যতম। যার প্রবেশ দ্বারে আছে ময়ূরের পেখমের আর্কিটেকচার; আছে ব্রিটিশ ঘরানায় দাঁড়িয়ে থাকা মানুষের মডেল।

আরও পড়ুনঃ আপনি কি হজমের সমস্যায় ভুগছেন, দশটি খাবারের মাধ্যমে হজমশক্তি বাড়িয়ে তুলুন

বাংলার উত্তর ২4 পরগনার ধান্যকুড়িয়া গ্রাম ভ্রমণ প্রিয় বাঙালির কাছে এমনই একটি আদর্শ পর্যটন কেন্দ্র। তাই আর দেরি না করে সপ্তাহের শেষে বা যখন খুশি বেরিয়ে পড়ুন এই জায়গাটি ঘুরে দেখতে।

Please follow and like us:
error

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন