পর্যটকদের জন্য খুলছে বাংলার বন জঙ্গল, জ্বর নিয়ে গেলে টাকা ফেরত না দিয়েই বুকিং বাতিল

391
পর্যটকদের জন্য খুলে যাচ্ছে বাংলার বন জঙ্গল, জ্বর থাকলে টাকা ফেরত না দিয়েই বুকিং বাতিল
পর্যটকদের জন্য খুলে যাচ্ছে বাংলার বন জঙ্গল, জ্বর থাকলে টাকা ফেরত না দিয়েই বুকিং বাতিল

পর্যটকদের জন্য খুলছে বাংলার বন জঙ্গল; জ্বর নিয়ে গেলে টাকা ফেরত না দিয়েই বুকিং বাতিল। পুজোর আগেই পর্যটকদের জন্য সুখবর; নিয়ে এল রাজ্য বন দফতর। রাজ্যে পর্যটকদের জন্য, অভয়ারণ্য, সংরক্ষিত বনাঞ্চল; বটানিক্যাল গার্ডেন, ইকো ট্যুরিজম পার্ক; খোলা হচ্ছে আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে। ২ অক্টোবর, গান্ধী জয়ন্তী থেকে; খুলে যাচ্ছে চিড়িয়াখানাও। কিন্তু এই আনলক পর্বে, যাতে করোনা সংক্রমণ না বাড়ে; তা নিশ্চিত করতে এ বার কোভিড গাইডলাইন প্রকাশ করল বন দপ্তর।

আরও পড়ুনঃ বাংলাদেশ ও পাকিস্তানে পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ করল মোদী সরকার, পশ্চিমবঙ্গে একধাক্কায় কমল দাম

করোনা পরিস্থিতিতে, এ বার দারুণ আর্থিক ক্ষতির মুখে; পাহাড় ও ডুয়ার্সের পর্যটন ব্যবসায়ীরা। পুজোর মুখে জঙ্গল খুললে; পর্যটকদের আনাগোনায় সেই ক্ষতি কিছুটা পুষিয়ে দেওয়া যাবে; বলে মনে করেছিলেন তাঁরা। কিন্তু জঙ্গল না খোলায়; তাঁরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। জঙ্গল খোলার দাবিতে ২১ সেপ্টেম্বর; উত্তরকন্যা অভিযানের ডাক দিয়েছিলেন পর্যটন ব্যবসায়ীরা। তবে এখন জঙ্গল খুলে দেওয়ায়; সেই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে নেন তাঁরা। রাজ্য সরকারের এই সিদ্ধান্তে খুশি তাঁরাও।

বনমন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন; “সব ক্ষেত্রেই তো আনলক পর্ব চলছে। বন-জঙ্গলে বেড়ানোই; বন্ধ থাকবে কেন। তবে কোভিড বিধি কঠোর ভাবে মানতে হবে। ১৫ দিন দেখব; তারপর ভাবব আরও কোনও ছাড় দেওয়া যায় কি না”। রাজ্যের গাইডলাইনে এটা স্পষ্ট, জঙ্গল পর্যটনের ক্ষেত্রে; কোনওরকম ঝুঁকি নিতে চাইছে না বন দপ্তর। বুকিং পদ্ধতিও এখন থেকে; পুরোপুরি অনলাইনে। তবে, জ্বর নিয়ে বেড়াতে গেলে; টাকা ফেরত না দিয়েই বুকিং বাতিল করা হবে।

আরও পড়ুনঃ ভোটের কথা মাথায় রেখে, ডিসেম্বরেই রাজ্যবাসীকে বিনামূল্যে করোনা ভ্যাকসিন দেবার ঘোষণা তৃণমূলের

জলদাপাড়া জাতীয় উদ্যান ও গোরুমারা জাতীয় উদ্যানের আকর্ষণ; হাতি সাফারি আপাতত পর্যটকদের নাগালের বাইরে; রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। রাশ টানা হয়েছে; জিপসি সাফারিতেও। ৬ জনের পরিবর্তে জিপসি সাফারিতে; সওয়ার হতে পারবেন চার জন। ফলে মাথাপিছু ভাড়া বাড়বে। জঙ্গলে প্রবেশ করার জন্য; প্রত্যেকটি গাড়িকে বাধ্যতামূলক স্যানিটাইজ করতে হবে। তার জন্য পর্যটকদের; গুনতে হবে অতিরিক্ত টাকা। তবুও জঙ্গল খোলার সিদ্ধান্তে; স্বস্তি ফিরল পর্যটন মহলে।

প্রতিবছর বর্ষার মরসুমে, ১৫ জুন থেকে ১৫ সেপ্টেম্বর; এই তিনমাস রাজ্যের বনাঞ্চল পর্যটকদের জন্য বন্ধ থাকে। এই সময় বন্য জন্তুদের; প্রজননের সময়। তাছাড়া বর্ষার এই সময়ে; প্রচুর চারাগাছ জন্মায়। সেই কারণে এই তিন মাস, পর্যটকদের জন্য জঙ্গলে প্রবেশ; পুরোপুরি বন্ধ থাকে। ১৬ সেপ্টেম্বর থেকে; সেই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়। কিন্তু অতিমারির কারণে; ব্যতিক্রম ঘটেছে এই বছর। ১৬ সেপ্টেম্বর জঙ্গল খোলেনি; রাজ্য বন দফতর। ১৬ তারিখ জঙ্গল না খোলায়; উত্তরকন্যা অভিযানের ডাক দিয়েছিলেন পর্যটন ব্যবসায়ীরা। তবে, আপাতত খুশির শ্বাস নিয়েছেন; পর্যটক থেকে ব্যবসায়ী সবাই।

Please follow and like us:
error

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন