গুমনামি বাবাই কি নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসু, জানাচ্ছে ডিএনএ রিপোর্ট

1105
গুমনামি বাবাই কি নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসু, জানাচ্ছে ডিএনএ রিপোর্ট/The News বাংলা
গুমনামি বাবাই কি নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসু, জানাচ্ছে ডিএনএ রিপোর্ট/The News বাংলা

গুমনামি বাবাই কি; নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসু? ডিএনএ রিপোর্ট করা হোক। আবার শুরু হল নেতাজির অন্তর্ধান রহস্য সমাধান। আদৌ মৃত্যু রহস্যের কোনও কিনারা হবে কিনা; প্রশ্ন তুললেন নেতাজির কন্যা অনিতা বসু! তিনি বলেন; দেশের প্রতিটি মানুষের; যেমন তাদের প্রিয় দেশনেতার জীবনের শেষ সময়ের কথা জানার অধিকার আছে; তেমনই মেয়ে হিসাবে তারও অধিকার আছে এই রহস্য জানার।

সুভাষ চন্দ্র বসুর মৃত্যুর রহস্য সমাধানে; এবার তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর হস্তক্ষেপ চান। ডিএনএ পরীক্ষার আর্জি জানিয়ে; নেতাজির কন্যা দ্বারস্থ হন প্রধানমন্ত্রীর। আক্ষেপের সঙ্গে জানান; “পূর্ববর্তী সরকারের কিছু মানুষ চাননি; রহস্যটি সমাধান হোক”।

রেলের ফ্রি ওয়াইফাই তে পড়াশোনা করে, স্টেশনের এক কুলির অবাক কাণ্ড

অনিতা জানিয়েছেন; তিনি শিগগিরই মোদী এবং জাপানের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে দেখা করে টোকিয়োর রেনকোজি মন্দিরে সংরক্ষিত চিতাভস্মের ডিএনএ পরীক্ষার জন্য আবেদন করবেন। তাঁর বিশ্বাস এই চিতাভস্ম নেতাজিরই। কারণ তিনি নিশ্চিত, ১৯৪৫ সালের ১৮ আগস্ট বর্তমানের তাইপে-তেই বিমান দুর্ঘটনায় তাঁর বাবার মৃত্যু হয়েছিল। তাঁর আক্ষেপ; “অনেকেই এটা মানতে চান না”।

অনিতা বলেন; “প্রমাণ না হওয়া পর্যন্ত আমি বিশ্বাস করি যে তিনি মারা গেছেন। ডিএনএ পরীক্ষাতেই প্রমাণ হবে যে আসলে তিনিই আমার বাবা ছিলেন নাকি অন্য কেউ মারা যান সেদিন”। তিনি জাপান সরকারের কাছে আবেদন জানাবেন; যদি নেতাজিকে নিয়ে কোনও ফাইল থাকে সেগুলিও প্রকাশ্যে আনার জন্য।

সম্প্রতি প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরোর টুইট নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়। ১৮ অগাস্টের ওই টুইটে বলা হয়েছিল: “তাঁর মৃত্যুবার্ষিকীতে পিআইবি মহান স্বাধীনতা সংগ্রামী নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসুকে স্মরণ করে”। পরবর্তীকালে নেতাজির পরিবারের একটি অংশের প্রতিবাদে; টুইটটি সরিয়ে নেওয়া হয়।

নেতাজির কন্যা বলেন; “পূর্ববর্তী সরকার জানিয়েছিল; ফাইলগুলি আবার প্রকাশ্যে এলে দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্কের ক্ষতি করবে। যদি পূর্ববর্তী সরকার প্রমাণ এবং নথি জনসমক্ষ্যে প্রকাশ করত; তাহলে এত বিশাল রহস্য তৈরি হত না”।

১৯৪৫-এর পর থেকে নেতাজিকে নিয়ে; নানান রহস্য তৈরি হয়েছে। সব থেকে প্রচলিত হল; ভারতে ফিরে এসে উত্তরপ্রদেশের ফৈজাবাদ শহরে; ‘গুমনামি বাবা’ নামে এক সাধু হিসাবে; নেতাজি বাকি জীবন অতিবাহিত করেন। তবে এই তত্ত্বের কোন ভিত্তি বা প্রমাণ নেই।

Please follow and like us:
error

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন