মঞ্চভীতি কাটাতে মেনে চলুন এই গাইডলাইন

670
মঞ্চভীতি কাটাতে মেনে চলুন এই গাইডলাইন/The News বাংলা

মঞ্চ ভীতি কাটাতে মেনে চলুন এই গাইডলাইন । আপনার বাচ্চা ট্যালেন্ডেড। আগামি কাল স্কুলে অ্যানুয়াল ফাংশান। কবিতা থেকে নাটকের সংলাপ সবই তটস্থ করে ফেলেছে। কিন্তু মঞ্চে উঠলেই সব ঘেঁটে ঘ। কারণ একটাই মঞ্চ ভীতি। এই সমস্যার শিকার বর্তমান প্রজন্মের বহু শিশু।

আপনি নিজে আপনাক শিশুকে রিহার্সাল করানোর সময় দেখেছেন; কোনও সমস্যা হচ্ছে না কিন্তু মঞ্চের সামনে এত লোক দেখে যেন সেই পজিটিভি যেন কোথায় গায়েব ; সব ভুলে ভয়ে শিটিয়ে যাচ্ছে আপনার বাচ্চা।

গলা শুকিয়ে কাঠ কবিতা কি বলবে আওয়াজই বন্ধ হয়ে যাচ্ছে তার ; ঘামতে শুরু করে। প্রতি ১০০ জনের মধ্যে ৬০ জনই মঞ্চভীতিতে আক্রান্ত। আপনার বাচ্চার ক্ষেত্রেও ; এরকম কিছু হয়ে থাকলে তাকে সাহায্য করা আপনার কর্তব্য। কারণ আপনার থেকে ভাল কেউ ; তাকে বুঝবে না। বাচ্চাকে ভুল ত্রুটির জন্য না ধমকে চমকে বরং তার পাশে থাকুন। কঠিন পথটা সহজ করে দিন।

বাচ্চা মঞ্চে উঠে একসঙ্গে এত্ত লোক দেখে সিটিয়ে যাচ্ছে। তাকে শান্ত থাকতে বলুন। স্টেজে ওঠার আগে তার সঙ্গে মজার মজার কথা বলুন। যাতে তার মনেই না থাকে ; সে মঞ্চে উঠবে। স্টেজে উঠে যদি ভয়ে কবিতার লাইন ভুলে গেলে ; তাকে বলুন সঙ্গে সঙ্গে পরের লাইন ধরে নিতে। এক গ্লাস জল পান করতেও বলতে পারেন। মোটের ওপর আপনার শিশুকে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করাতে হবে।

আপনার শিশুকে যথাযথভাবে গাইড করতে হবে ; আপনাকেই। আপনার গাইডেন্সেই তার আত্মবিশ্বাস বাড়বে। মঞ্চে উঠে যদি কোনও বিষয় নিয়ে ; আপনার শিশু সমস্যায় পড়ে তাহলে তাকে জিজ্ঞাসা করুন। কোনওভাবেই তাকে চাপ দেবেন না। তাহলে সব আত্মবিশ্বার হারিয়ে ফেলবে।

বাচ্চাকে যতটা সম্ভব পজিটিভ থাকতে বলুন। মঞ্চে উঠে একসঙ্গে চোখের সামনে অনেক লোক দেখলে ; হয়তো সে হকচকিয়ে যেতে পারে। চোখ বন্ধ করে তাকে গভীর ও ধীরে ধীরে শ্বাস নিতে বলুন। আপনি নিজেও একসময় এই সমস্যা ফেস করেছেন।

তখন আপনি কিভাবে সব সামলাতেন বা আপনার পরিবারে কিভাবে আপনার পাশে থাকত ; সেভাবেই নিজের বাচ্চাকে গাইড করুন। বাচ্চার সঙ্গে নিজের চাইল্ডহুডের কথা শেয়ার করুন। সেই সময় আপনি কিভাবে বিষয়টি সামাল দিতেন ; , আত্মবিশ্বাসী থাকতেন তাকে বলু ; তারও ভাল লাগবে। আপনার বাচ্চা বয় কাটিয়ে উঠবে।

অনেক সময় ; আপনার শিশুর আগে যদি অন্য বাচ্চারা বা তার বন্ধুরা বেশি ভাল পারফর্মেন্স দিলে অনেক সময় সে নার্ভাস হয়ে পড়ে। তাকে বলুন ; অন্যের দিকে নজর না দিয়ে যেন নিজের পারফর্ম্যান্সের ওপর গুরুত্ব দেয়। তাহলে সে নিজেকে বেশি আত্মবিশ্বাসী বোধ করবে।

ফাইনাল পারফর্ম্যান্সের আগে বাচ্চাকে ; বাড়িতে রিহার্সাল করান। পারলে সেটি রেকর্ড করান। পরে সেটি বাচ্চাকে দেখান। যাতে সে নিজের পারফর্ম্যান্স দেখে ভিজুয়ালাইজ করতে পারে। ভুল ত্রুটিগুলি শুধরে নিতে পারে। অনুষ্ঠানের একটু আগেই পৌঁছান ; বাচ্চাকে তৈরি করুন।

শিখিয়ে পড়িয়ে নিন। মঞ্চে উঠে কিভাবে নিজেকে সংযত রাখবে ; আত্মবিশ্বাসী অনুভব করবে। পারলে একবার লাস্ট রিহার্সালও করিয়ে নিন।

Please follow and like us:
error

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন