বাংলায় বন্ধ চিকিৎসা পরিষেবা, চরম সমস্যায় রোগী ও রোগীর আত্মীয়রা

535
বাংলায় বন্ধ চিকিৎসা পরিষেবা, চরম সমস্যায় রোগী ও রোগীর আত্মীয়রা/The News বাংলা
বাংলায় বন্ধ চিকিৎসা পরিষেবা, চরম সমস্যায় রোগী ও রোগীর আত্মীয়রা/The News বাংলা

এনআরএস কাণ্ডে রাজ্যজুড়ে চিকিত্সা পরিষেবা; বয়কটের ডাক দিয়েছেন ডাক্তাররা। জুনিয়র ডাক্তারকে মারধরের ঘটনার প্রতিবাদে; বুধবার সকাল ৯টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত রাজ্যের সমস্ত সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে; আউটডোর পরিষেবা বন্ধের ডাক দেওয়া হয়েছে। বুধবার ১২ ঘণ্টা আউটডোর বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে; চিকিৎসকদের সংগঠন ডক্টর্স ফোরাম। আর তাতেই চরম সমস্যায়; রোগী ও রোগীর আত্মীয়রা।

ডাক্তারদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুলে মঙ্গলবার কর্মবিরতি পালন করা হয়; কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ, আরজিকর, শম্ভুনাথ পণ্ডিত, সাগরদত্ত মেডিক্যাল কলেজ, বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ, চিত্তরঞ্জন হাসপাতাল, কল্যাণী মেডিক্যাল কলেজ ও মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজে। আর বুধবার রাজ্যের সব সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে আউটডোর বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কিন্তু রাজ্যের সব সরকারি হাসপাতালে এমারজেন্সি পরিষেবাও বন্ধ রেখেছেন ডাক্তাররা।

আরও পড়ুনঃ পাকিস্তান প্রেমী যুবক আসিফের উস্কানিতে মৃত্যুর মুখে বাঙালি ডাক্তার

রবিবার রাতে ট্যাঙরার বিবি বাগানের বাসিন্দা মহম্মদ সাহিদকে (৮৫) এনআরএস হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরিবারের অভিযোগ; সোমবার বিকেলের পর থেকে রোগীর শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে শুরু করে। অভিযোগ, চিকিৎসকদের গাফিলতিতেই; মহম্মদ সাহিদের মৃত্যু হয়। রোগী মৃত্যুকে কেন্দ্র করে; এরপরই উত্তাল হয়ে ওঠে এনআরএস। মারধর করা হয় জুনিয়ার ডাক্তারদের।

মারের চোটে মাথার খুলির হাড় ফেটে যায়; জুনিয়ার ডাক্তার পরিবহ মুখোপাধ্যায় এর। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এরপরেই আন্দোলনে নামে জুনিয়ার ডাক্তারদের সংগঠন। পরে সেই আন্দোলনে নামে ডাক্তারদের সংগঠন। বুধবার রাজ্যের সব সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে; ১২ ঘণ্টার আউটডোর বন্ধ রাখার ঘোষণা করা হয়।

আরও পড়ুনঃ এন আর এস কাণ্ডে রাজ্যের সব মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে অচলাবস্থা

সেইমত বুধবার রাজ্যের সব সরকারি হাসপাতালে; আউটডোর সহ জরুরি বিভাগ ও অন্যান্য বিভাগ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। রাজ্যের সরকারি, বেসরকারি সব হাসপাতালে আউটডোর বন্ধ রেখে; আরও বড় আন্দোলনের পথে হাঁটল চিকিত্সক ফোরাম। ফলে চরম দুর্ভোগের মুখে পরেছেন রোগী ও রোগীর আত্মীয়রা।

রাজ্যের সব সরকারি হাসপাতাল থেকে; চিকিৎসা পরিষেবা না পেয়ে ফিরে যাচ্ছেন বহু রোগী ও রোগীর আত্মীয়রা। চরম অব্যবস্থা গোটা রাজ্যের চিকিৎসা পরিষেবায়। তবে বুধবারেই এই আন্দোলন শেষ কিনা; সেটা এখনও জানায়নি ডাক্তারদের সংগঠন।

Please follow and like us:
error

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন