অফবিট ডেস্টিনেশনে যেতে চান, চলে আসুন তিনচুলে

348
অফবিট ডেস্টিনেশনে যেতে চান, চলে আসুন তিনচুলে/The News বাংলা

অফিস থেকে বাড়ি; বাড়ি থেকে অফিস এই মোনোটোনাস লাইফে জর্জরিত। উইকেন্ড ট্রিপ বলতে বাঙালীর কমন ডেস্টিনেশন দীঘা বা মন্দারমনি। শহুরে কোলাহল থেকে দূরে; একটু নিরিবিলতে সময় কাটাতে ইচ্ছে হয় নিশ্চয়। তাহলে হাতে একটু সময় নিয়ে ঘুরে আসুন তিনচুলে। দার্জিলিং তো সকলেই যায়; কিন্তু তিনচুলে একটু হটকে যাকে বলে অফবিট ডেস্টিনেশন। দার্জিলিং থেকে যার দূরত্ব ২৫ কিলোমিটার। সবুজে ঘেরা এই গ্রাম জনবহুল টুরিস্ট স্পট থেকে; দূরে অনবদ্য এক নির্জন ছুটি কাটানোর জায়গা। এখানেই মিলবে; সুদৃশ্যতম সব চা বাগানের সন্ধান। সবুজে ঘেরা চা বাগানের মাঝে হারিয়ে যেতে ইচ্ছে করে; চলে আসুন তিনচুলেতে।

দার্জিলিং-এর সবচেয়ে সুন্দরী চা বাগান রংলি-রংলিয়ট এখানেই অবস্থিত। চা বাগানটি দেখলে মনে হয়; কোনও শিল্পীতুলির টানে সযত্নে এঁকেছেন। নিজের ভাললাগার ভাবনা তিনি ফুটিয়ে তুলেছেন; তার ছবিতে। তবে না এই চা বাগান জীবন্ত ; যা এখানে এলেই সামনে থেকে প্রত্যক্ষ করতে পারবেন আপনি। এছাড়াও রয়েছে নামরিং, তিস্তা ভ্যালি প্রভৃতি একাধিক চা বাগান। প্রকৃতি যেন আপমাকেও নিজের সঙ্গে একাত্ন করে নেবে এই তিনচুলেতে; পাখির ডাক ও প্রকৃতির মায়াবিয়তায় যেন কোনও মাদকতা আছে এখানে। এখানে থাকার জন্য চিন্তা করতে হবে না; এখানকার হোম স্টে গুলি বেশ ফ্রেন্ডলি। এককথায় ছুটি কাটানোর আদর্শ জায়গা এই তিনচুলে।

এখান থেকে দাঁড়িয়ে এনজয় করতে পারবেন কালিম্পং, দুরপীন, টাইগার হিল, রাম্বি খোলা প্রভৃতি জায়গা গুলির দেখা পাবেন। এছাড়া তাগদা বাজার থেকে একটু এগিয়েই তাগদা অর্কিড বাজারের সন্ধান পেয়ে যাবেন। সেখান থেকে কিছু অর্কিড ঝোলা ভর্তি করে আনতেই পারেন। তিনচুলে গিয়ে তিস্তা ও রংগিত নদীর সংগম স্থল উপোভোগ করতে ভুলবেন না যেন।

তিনচুলে থেকে লামাহাট্টা, দুর্পিন, পেশক, মংপু , ছোট মাংগাওয়া সবই হাতের নাগালে, ১২-১৪ কিমির মধ্যে। নিউ জলপাইগুলি স্টেশন থেকে তিনচুলের দূরত্ব ৫৮ কিমি, যেতে সময় লাগে ৩ ঘন্টা। তবে দার্জিলিং থেকে খুব কাছে; সময় লাগে মাত্র দেড় ঘণ্টা, দূরত্ব ২৫ কিমি।

Please follow and like us:
error

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন