কাশ্মীরে চলছে বন্ধ হওয়া পিলেট বন্দুক, প্রমাণ আসায় বিপাকে মোদী সরকার

3392
কাশ্মীরে চলছে বন্ধ হওয়া পিলেট বন্দুক, প্রমাণ আসায় বিপাকে মোদী সরকার/The News বাংলা
কাশ্মীরে চলছে বন্ধ হওয়া পিলেট বন্দুক, প্রমাণ আসায় বিপাকে মোদী সরকার/The News বাংলা

কাশ্মীরে চলছে ভয়ঙ্কর পিলেট বন্দুক; প্রমাণ আসায় বিপাকে মোদী সরকার। নিষিদ্ধ হয়ে যাওয়া বন্দুক চলেছে; ভূস্বর্গ উপত্যকায়। এমনই অভিযোগ করছেন; কাশ্মীরের বাসিন্দারা। ১৪৪ ধারা চলাকালীন; বন্ধ হয়ে যাওয়া পিলেট বন্দুকের গুলিতে নিহত হয়েছে এক কাশ্মীরি; এমনটাই অভিযোগ। আর সেই বন্দুক চালিয়েছে ভারতের সেনা জওয়ানরা। কিন্তু কার অনুমতিতে চলল; এই বন্দুক? মিলছে না সরকারি রিপোর্টের সঙ্গে বাস্তব।

পুরো এক একমাস কেটে গেছে; কাশ্মীর থেকে বিশেষ মর্যাদা তুলে নেওয়া হয়েছে। সরকারি ঘোষণা অনুযায়ী; উপত্যকা ফিরেছে তার নিজের ছন্দে। কিন্তু এক স্কুল পড়ুয়ার মৃত্যু ঘিরে; আবার বিতর্ক তুঙ্গে উঠেছে। আসরার আহমদ; ক্লাস ১১ এর ছাত্র; প্রায় একমাস ধরে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে; লড়াই থামিয়েছে বৃহস্পতিবার।

আরও পড়ুনঃ এখনো মহাকাশ থেকে ছবি পাঠাচ্ছে চন্দ্রযান, আশার আলো ইসরোর বিজ্ঞানীদের

কিন্তু মৃত্যুর কারণ কি? সরকারী মতে উপত্যকায় ১৪৪ ধারা চলার সময়; স্থানীয়দের ছোঁড়া পাথরের আঘাতে আহত হয় ওই যুবক; তারপরে মারা যায়। কিন্তু শের-ই-কাশ্মীর ইনস্টিটিউট অফ মেডিকেল সায়েন্সের রিপোর্ট অনুযায়ী; ওই ছাত্রের মাথা ও চোখ লক্ষ্য করে; একাধিক পিলেট বন্দুকের গুলি চালানো হয়।

আরও পড়ুনঃ বাংলার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রতারণা, সিবিআই জালে ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর শাহরুখ খান

কাশ্মীরের ওই হাসপাতালের রেকর্ড অনুযায়ী; এলাহীবাগের ওই ছাত্রকে ৬ই আগাস্ট সন্ধ্যে ৭টা নাগাদ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেই সময়কার মেডিক্যাল রিপোর্টে স্পষ্ট ছিল; চোখে ও মাথার খুলিতে একাধিক গুলির ক্ষত। ডাক্তারদের একটি টিম কাঁদানে গ্যাসের সেল ও পিলেট বন্দুকের আঘাতেই; ছাত্রের সম্ভাব্য মৃত্যুর কারণ হিসাবে চিহ্নিত করেছে। মৃত্যুর সার্টিফিকেটটি হাতে পেলেই জানা যাবে; ঠিক কোন কারণটার জন্য মৃত্যু হয়েছে যুবকের।

আরও পড়ুনঃ মনখারাপ কেন আমরা আবার চাঁদে যাব, দেশের মানুষের মন জিতলেন প্রধানমন্ত্রী মোদী

এই ঘটনায় পুলিশ মহাসচিব জানিয়েছিলেন; উপত্যকায় ধারা বাতিলের পর থেকে সেনাবাহিনীর নেওয়া পদক্ষেপে; কোন মৃত্যু হয়নি কাশ্মীরে। কিন্তু কাশ্মীরের মেডিক্যাল কলেজ বলছে; অন্য কথা। সরকারি রিপোর্টের সত্যতা নিয়ে থেকে যাচ্ছে ধোঁয়াশা। প্রশ্ন উঠছে কাশ্মীরীদের সুরক্ষা নিয়ে। পরিস্থিতি যে সত্যিই হাতের বাইরে তা বলতে অপেক্ষা রাখে না।

Please follow and like us:
error

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন