‘যা বলার দু একদিন পরই বলব’, জল্পনা বাড়িয়ে বললেন মুকুল

1481
‘যা বলার দু একদিন পরই বলব’, জল্পনা বাড়িয়ে বললেন মুকুল
‘যা বলার দু একদিন পরই বলব’, জল্পনা বাড়িয়ে বললেন মুকুল

‘যা বলার দু একদিন পরই বলব’; জল্পনা বাড়িয়ে বললেন মুকুল রায়। বাংলা রাজনীতির চাণক্য; প্রথমবার ভোটে জিতে; বিধানসভায় এসেছেন। কিন্তু শুক্রবার বিধানসভা ভবনে শপথ নিতে এসে; অন্যরূপেই দেখা গেল মুকুল রায়কে। অর্থপূর্ণ নীরবতায় নতুন করে; উস্কে দিলেন জল্পনা। বিজেপির পরিষদীয় দলের বৈঠকে; এদিন যোগ দিলেন না মুকুল। কিন্তু বিধানসভায় প্রথমবার পা রেখেই; তৃণমূল মুখ্য সচেতকের ঘরে প্রবেশ। তৃণমূল রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সির সঙ্গে; সাক্ষাৎও করলেন। শুক্রবারের ঘটনাক্রম, বাড়িয়ে দিল; রাজ্য রাজনীতির নতুন জল্পনা।

দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে, প্রথমবার ভোটে জিতে; বিধায়ক হয়ে শপথ নিলেন। জয়ের বহিঃপ্রকাশও; আলাদা হওয়ারই কথা ছিল। কিন্তু বিধানসভায় শপথ নিয়েও; অদ্ভুত ভাবে নীরব, বিজেপির নব-নির্বাচিত বিধায়ক। জল্পনা আরও বাড়িয়ে সাংবাদিক-দের বললেন; “যা বলার পরে ডেকে বলব”। বিজেপির নব নির্বাচিত পরিষদীয় দলের বৈঠকেও; থাকলেন না মুকুল। বৈঠকের আগেই তিনি; বিধানসভা ছাড়লেন।

আরও পড়ুনঃ কোভিডের পরে আসুন; মমতা, আমরা কি বেড়াতে এসেছি; তোপ জাতীয় মহিলা কমিশনের

বিধানসভায় প্রথম দিন গিয়ে; মাত্র ১০ মিনিট ছিলেন মুকুল। এর মধ্যে বিধায়ক হিসাবে শপথ নিয়েছেন; গিয়েছেন তৃণমূলের মুখ্য সচেতকের ঘরেও। মুখোমুখি কথা বলেছেন; সুব্রত বক্সির সঙ্গে। গত দেড় মাস ধরে বাংলায় যে নির্বাচনী পর্ব চলল; তাতে কার্যত নীরবই থাকতে দেখা গিয়েছে মুকুল রায়কে। কৃষ্ণনগর উত্তর কেন্দ্রের বিধায়কের আচরণে; বেশ কিছুদিন ধরেই রাজনৈতিক মহলে জল্পনা।

নন্দীগ্রামে ভোট প্রচারে গিয়ে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও; দরাজ সার্টিফিকেট দিয়েছিলেন তাঁকে। তৃণমূল নেত্রী বলেছিলেন, “শুভেন্দুর মত মুকুল; এত খারাপ নয়”। তখন থেকেই বেড়েছে জল্পনা। গেরুয়া শিবিরে যোগ দিলেও, আদি বিজেপি নেতাদের সঙ্গে; তাঁর ‘সখ্যতা’ নিয়েও নানা প্রশ্ন ওঠে। এমনকি পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতে; মমতা মুকুল গোপন বৈঠক করেন; এই খবরও তৃণমূল সূত্রে জানা যায়।

আরও পড়ুনঃ ভোটই দিল না মুসলিমরা, ক্ষোভে সংখ্যালঘু মোর্চাই ভেঙে দিল বিজেপি

এসবের মধ্যেই এদিন বিধানসভা ভবনে দাঁড়িয়ে, মুকুল রায় বলেন; ‘দু’ একদিনের মধ্যে যা বলার বলব’। এমনকী বিধানসভায় তাঁর নীরবতা নিয়ে মুকুল বলেন; ‘মানুষের জীবনে কখনও কখনও এমন দিন আসে’। এদিন তাঁর প্রতিটি কথাতেই; বেড়েছে জল্পনা।

এদিন আড়াইটে নাগাদ, দিলীপ ঘোষের; ৭৭জন বিধায়কের সঙ্গে বৈঠকের কথা ছিল। কিন্তু মুকুল-কে এই নিয়ে প্রশ্ন করা হলে; শরীরী ভাষায় তিনি বুঝিয়ে দেন, তিনি কিছুই জানেন না। অথচ বিজেপির পরিষদীয় দলের তরফে; ৭৭জন বিধায়ক-কেই এসএমএস করা হয়েছে এই বৈঠকের জন্য। অর্থাৎ এই বৈঠকও; এড়িয়েই গেলেন মুকুল। জল্পনা বাড়ার কথা; বেড়েছেও। মুকুল রায় কি তৃণমূলে ফিরছেন? ভোট পরবর্তী বাংলার রাজনীতিতে; এটাই এখন বড় প্রশ্ন।

Please follow and like us:
error

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন