কর্তারপুরে শিখ সম্প্রদায়কে ভারতের বিরুদ্ধেই ভুল বোঝাচ্ছে পাকিস্তান

183
কর্তারপুরে শিখ সম্প্রদায়কে ভারতের বিরুদ্ধেই ভুল বোঝাচ্ছে পাকিস্তান/The News বাংলা
কর্তারপুরে শিখ সম্প্রদায়কে ভারতের বিরুদ্ধেই ভুল বোঝাচ্ছে পাকিস্তান/The News বাংলা

বিতর্ক যে পিছু ছাড়ছে না কর্তারপুরের। পাসপোর্ট জট কাটতে না কাটতেই; সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা কর্তারপুর করিডরে। পাকিস্তানে কর্তারপুর করিডর উদ্বোধনে আর ২৪ ঘণ্টাও বাকি নেই। এবার শিখ সম্প্রদায়কে ঘিরে ভারতে উত্তেজনা চরমে। অভিযোগ ওঠে; ভারতের প্রতি শিখ সম্প্রদায়কে উস্কে দেওয়া হচ্ছে পাকিস্তানে। চলছে অপপ্রচার। আর এই প্রচার অন্য কেউ নয়; করছে খোদ পাক সরকার। অভিযোগ, কর্তারপুরে শিখ সম্প্রদায়কে; ভারতের বিরুদ্ধেই ভুল বোঝাচ্ছে পাকিস্তান।

সূত্র থেকে জানা গিয়েছে; কর্তারপুর সাহিব গুরুদ্বার চত্ত্বরে পাক সেনা ব্যানার লাগিয়েছে; যেখানে ভারতের বিরুদ্ধে নানা মিথ্যা অভিযোগ উল্লেখ আছে তাতে। পাকিস্তান ব্যানারে উল্লেখ করা হয়েছে; ‘১৯৭১ সালে ভারতীয় বায়ুসেনা দরবার সাহিব শ্রী কর্তারপুর সাহিব গুরুদ্বার ধ্বংস করার জন্য বিস্ফোরক নিক্ষেপ করেছিল’। ওই ব্যানারে পাকিস্তান আরও জানিয়েছে যে; ‘গুরু নানক দেব যে পবিত্র কুয়োটি ব্যবহার করত সেখানেই বিস্ফোরকটি পড়ে’।

আরও পড়ুনঃ মুখোশ খুলে গেল পাকিস্তানের, রাতারাতি ভারতীয় পূর্ণার্থীদের উপর চাপাল তীর্থকর

পাকিস্তানের এই মিথ্যা প্রচার প্রভাবিত করতে পারে ভারত থেকে যাওয়া শরণার্থীদের। এক জনৈক ব্যক্তি টুইটে পোস্ট করে পাকিস্তানের মিথ্যা প্রচার সম্পর্কে জানান। সেখানে থাকা বোমাটি ভারতীয়দের পুণ্যার্থীদের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হবে বলে মনে করছেন ওই ব্যক্তি।

আরও পড়ুনঃ প্রথম দেশীয় স্নাইপার রাইফেল, ভারতীয় সেনার হাতে মেক ইন ইন্ডিয়ার প্রডাক্ট

পোস্টের সঙ্গে একটি ভিডিও ভাইরাল হয় সোশ্যাল মিডিয়াতে। তাতে স্পষ্ট দেখা যায়; বেশকিছু গোষ্ঠী ভারতের বিরুদ্ধে প্রচার চালাচ্ছে গুরুদ্বার চত্ত্বরে। যদিও এই প্রথম নয়; অতীতেও পাকিস্তান ভারতের বিরুদ্ধে এ ধরনের মিথ্যা অপপ্রচার চালিয়ে; সাধারণ মানুষকে উস্কে দেওয়ার চেষ্টা করেছে। এবারেও শিখদের নিয়ে; তাই শুরু করেছে।

আরও পড়ুনঃ কথা দিয়েও মুখ ফেরালেন ইমরান খান, মাথায় হাত ভারতীয় পুণ‌্যার্থীদের

৯ নভেম্বর শনিবার দুই দেশের তরফ থেকেই উদ্বোধন হবে; শিখ সম্প্রদায়ের দীর্ঘদিনের গন্তব্যস্থল কর্তারপুর করিডর। এখানেই শিখ ধর্মের প্রতিষ্ঠাতা; গুরু নানক শেষ জীবনের ১৮ বছর কাটান। শিখদের পবিত্র তীর্থস্থান হিসেবে কর্তারপুর সাহিব গুরুদ্বারকে মনে করা হয়। প্রায় ৭০ বছর পর শিখদের করিডর খুলে দেওয়ার দাবি মেনে নিয়েছে পাক সরকার। কিন্তু লেগেই আছে বিতর্ক। ইতিমধ্যেই পাসপোর্ট ও তীর্থকর নিয়ে খুলে গেছে পাকিস্তানের মুখোশ।

Please follow and like us:
error

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন